করোনাভাই’রাস সং’ক্র’মণ নিয়’ন্ত্রণে দেশের বেশকিছু এলাকাকে ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ৪৫টি এলাকা, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের একাধিক ওয়ার্ড এবং এর বাইরে আরও তিন জে’লার বিভিন্ন এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ক’রোনাভা’ইরাসেে প্রতিরোধে গঠিত কেন্দ্রীয় টেকনিক্যাল কমিটির শনিবারের সভায় এসব এলাকা ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এই সকল এলাকার জে’লা প্রশাসক, সিভিল সার্জন এবং পু’লিশ সুপার মিলে এসব জোনের মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে লাল এলাকা চিহ্নিত করবেন বলে সভার সি’দ্ধান্তে বলা হয়।

জানা গেছে, ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে সর্বশেষ ১৪ দিনে প্রতি এক লাখ জনসংখ্যার বিপরীতে ৬০ জন আ’ক্রান্ত শনাক্ত হওয়ার বিবেচনায় এলাকাগুলোকে লাল জোনে অন্তর্ভুক্ত করার মানদ’ণ্ড ধরা হয়েছে। এতে ঢাকা উত্তর সিটির ১৭টি এবং দক্ষিণ সিটির ২৮টি এলাকা ‘রেড জোন’র তালিকায় আছে। সেই সাথে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকার ১১টি এলাকা রেড জোনের মধ্যে পড়েছে।

বড় শহর দুটি বাদে দেশের অন্যান্য জায়গার জন্য সর্বশেষ ১৪ দিনে প্রতি এক লাখ জনসংখ্যার বিপরীতে ১০ জন আ’ক্রান্ত শনাক্ত হওয়ার বিবেচনায় কোনো এলাকাকে লাল জোনে অন্তর্ভুক্ত করার মানদ’ণ্ড ধরা হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি:

দক্ষিণ সিটির ২৮টি এলাকার মধ্যে আছে যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মুগদা, গেন্ডারিয়া, ধানমন্ডি, জিগাতলা, লালবাগ, আজিমপুর, বাসাবো, শান্তিনগর, পল্টন, কলাবাগান, রমনা, সূত্রাপুর, মালিবাগ, কোতোয়ালি, টিকাটুলি, মিটফোর্ড, শাহজাহানপুর, মতিঝিল, ওয়ারী, খিলগাঁও, পরিবাগ, কদমতলী, সিদ্ধেশ্বরী, লক্ষ্মীবাজার, এলিফ্যান্ট রোড, সেগুনবাগিচা।

চট্টগ্রাম সিটি:

চট্টগ্রাম সিটির ১০ এলাকা রয়েছে লাল জোনের মধ্যে। সেগুলো হলো, চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৭ ও ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড, পতেঙ্গার ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড, পাহাড়তলির ১০ নম্বর ওয়ার্ড, কোতোয়ালির ১৬, ২০, ২১ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ড, খুলশীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ড, হালিশহর এলাকার ২৬ নম্বর ওয়ার্ড।

আরও তিন জে’লা:

ঢাকার বাইরের তিন জে’লার মধ্যে গাজীপুরের সব কটি উপজে’লাকে রেড জোনের আওতার মধ্যে আনা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জে’লার আড়াইহাজার, রূপগঞ্জ, সদর এবং পুরো সিটি এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আর নরসিংদীর সদর মডেল থানা, মাধবদী ও পলা’শ রয়েছে লাল জোনের মধ্যে।

চিহ্নিত এলাকায় কবে থেকে লডডাউন শুরু হবে, তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি কেউ। তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলছেন, ‘খুব তাড়াতাড়ি’ এসব এলাকায় লকডাউন দেওয়া হবে।

ক’রোনাভা’ইরাসেের বিস্তার দুই মাসের বেশি সময় সারাদেশে লকডাউন জারি রাখার পর ৩১ মে থেকে বেশিরভাগ বিধিনি’ষেধ তুলে নেয় স’রকার। তবে এরপর প্রতিদিন সং’ক্র’মণ বাড়তে থাকায় ভাই’রাসের বিস্তার ঠে’কাতে এলাকা ধরে ধরে সং’ক্র’মণ ও মৃ’ত্যুর হার অনুযায়ী লাল, সবুজ ও হলুদ জোনে ভাগ করে প্রয়োজন অনুযায়ী বিধিনি’ষেধ আরোপের সি’দ্ধান্ত নেয় স’রকার।

তার ভিত্তিতে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজার পরীক্ষামূলকভাবে অ’বরুদ্ধ করা হয়েছে।

এরপর করোনাভাই’রাস প্রতিরোধে গঠিত কেন্দ্রীয় টেকনিক্যাল কমিটির শনিবারের সভায় ‘রেড জোন’গুলো চিহ্নিত করে। এই সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি এলাকা চিহ্নিতের কাজটি করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here