যেসব এলাকায় করো’নার সং’ক্র’মণ বেশি সেসব এলাকাকে রেড রোন ঘোষণা করে লকডাউন দেয়া হবে। এছাড়া সেই এলাকায় থাকবে সাধারণ ছুটি।শনিবার দুপুরে এ ত’থ্য জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান।

এছাড়া অন্যান্য স্থানে আগের মতোই স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস খোলা থাকবে, চলবে গণপরিবহনও বলে জানান তিনি।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘১৫ তারিখের (জুন) পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগের মতো অফিস এবং গণপরিবহন খোলা থাকবে, সেজন্য একটি অর্ডার জারি করা হবে। সেটা হয়তো রোববারই (১৪ জুন) জারি করা হবে।’

করো’না মো’কাবিলায় ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটি শেষে গত ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত শর্ত সাপেক্ষে সীমিত পরিসরে অফিস খুলে দেয়া হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু হয় গণপরিবহনও।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘আম’রা এখন জোনিংয়ে চলে যাচ্ছি। ঢাকাসহ যে জায়গাগুলো সিভিয়ারলি ইনফেক্টেড (মা’রাত্মক আ’ক্রান্ত) হয়েছে সেই জায়গাগুলোতে রেড জোন ঘোষণা করে সেগুলোতে বিশেষ ট্রিটমেন্টে আম’রা চলে যাব।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে যে অবস্থায় চলছে সবকিছু সেভাবেই চলবে। নতুন করে ছুটি ঘোষণা করা হবে না। যে এলাকা রেড জোন থাকবে, সেখানে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হবে।

পরীক্ষামূলকভাবে পূর্ব রাজাবাজারের লকডাউন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সেখানে কিছু ভু’লত্রুটি বের হয়ে এসেছে। লোকজন এখানে টপকাচ্ছে ওখানে টপকাচ্ছে। যাবতীয় সবকিছু স্বয়ংসম্পূর্ণ করে আম’রা কোনো স্থান লকডাউন করব।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জোনিং করে লকডাউন, এটা খুবই একটা কার্যকর ব্যবস্থা বলে মনে করছি আম’রা। একই সঙ্গে চার-পাঁচটি স্থান রেড জোন ঘোষণা করে লকডাউন বাস্তবায়ন করা হতে পারে।’

উল্লেখ্য, বেশি আ’ক্রান্ত এলাকাকে রেড, অ’পেক্ষাকৃত কম আ’ক্রান্ত এলাকাকে ইয়েলো ও একেবারে কম আ’ক্রান্ত বা করো’নামুক্ত এলাকাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।

রেড জোনকে লকডাউন করা হবে, ইয়েলো জোনে যেন আর সং’ক্র’মণ না বাড়ে সেই পদক্ষেপ নেয়া হবে। সতর্কতা থাকবে গ্রিন জোনেও। লকডাউনের মেয়াদ হবে ১৪ থেকে ২১ দিন পর্যন্ত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here