নিজেদের প্রযুক্তি ব্যবহারে যু’দ্ধজাহাজ তৈরির আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, আগামীতে আমরাও যেন যু’দ্ধজাহাজ তৈরি করতে পারি সে চিন্তা আমাদের করতে হবে।

এছাড়া আমাদের নিজেদের প্রয়োজন ছাড়াও এ ধরনের জাহাজ যেন আমরা বিদেশে রফতানি করতে পারি সেভাবে আমাদের কাজ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বানৌজা ‘সংগ্রাম’র কমিশনিং উদ্বোধ’নী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। এ সময় তিনি বানৌজা ‘সংগ্রাম’র কমিশনিং করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, নৌবাহিনীকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। আমরা আরও সুযোগ-সুবিধা দেব। বিশ্বের উন্নত দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নৌবাহিনীর সদস্যদের প্রযুক্তি জানতে হবে।

স’রকার প্রধান বলেন, আমরা বিশাল সমুদ্রসীমা অর্জন করেছি। সমুদ্র সম্পদকে কাজে লাগিয়ে আমরা দেশের উন্নয়ন করতে চাই। তিনি আশা করেন এ ক্ষেত্রে নৌবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

চীনে তৈরি বানৌজা ‘সংগ্রাম’র দৈর্ঘ্য ৯০ মিটার এবং প্রস্থ ১১ মিটার। এটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৫ নটিক্যাল মাইল বেগে চলতে স’ক্ষম। শ’ত্রু বিমান, জাহাজ এবং স্থাপনায় আ’ঘাত হানতে স’ক্ষম জাহাজটি আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন কামান,

ভূমি থেকে আকাশে এবং ভূমি থেকে ভূমিতে উৎক্ষেপণযোগ্য মি’সাইল, অত্যাধুনিক থ্রিডি রাডার, ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম, রাডার জ্যামিং সিস্টেমসহ বিভিন্ন ধরনের যু’দ্ধ সরঞ্জামাদিতে সুসজ্জিত।

জাহাজটিতে হেলিকপ্টার অবতরণ ও উড্ডয়নের জন্য ডেক ল্যান্ডিংসহ অন্যান্য সুবিধাদি রয়েছে।

গভীর সমুদ্রে দীর্ঘ সময়ব্যাপী মোতায়েনযোগ্য এ জাহাজর মাধ্যমে বিশাল সমুদ্র এলাকায় অনুপ্রবেশ ঠেকানো, চোরাচালান ও জলদস্যুতা রোধ, সমুদ্রে উ’দ্ধার তৎপরতা, সমুদ্র অর্থনীতির বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনাসহ মৎস্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার পাশাপাশি তেল, গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য বরাদ্দকৃত ব্লকসমূহের অধিকতর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here