সিলেটের বিয়ানীবাজারে আপন চাচী ও তার প’রকীয়া প্রে’মিকের হাতে নি’র্মমভাবে খু’ন হয়েছে ৩ বছরের বয়সী শি’শু সাহেল আহম’দ সোহেল। চাচীর অ’নৈতিক স’ম্পর্ক দেখে ফেলার অ’পরাধে খু’নের শি’কার হয় শি’শুটি।

রোববার সকালে উপজে’লার কুড়ারবাজার ইউনিয়নের উত্তর আকাখাজানা গ্রামে এ ঘ’টনা ঘটে। নি’হত শি’শু সাহেল আহম’দ সাহেল একই এলাকার খছরু মিয়ার ছেলে।

পু’লিশ ঘ’টনায় জ’ড়িত থাকার দায়ে ঘা’তক চাচী সুরমা বেগম (৩৮) ও তার প’রকিয়া প্রে’মিক নাহিদুল ইসলাম (২৬) কে গ্রে’ফতার করে আজ সোমবার (০৮ জুন) আ’দালতে প্রেরণ করেছে। পু’লিশি জি’জ্ঞাসাবাদে অ’নৈতিক স’ম্পর্ক দেখে ফেলায় চাচী ও তার পরকিয়া প্রে’মিক শি’শু সায়েলকে খু’নের বি’ষয়ে স্বী’কারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি দিয়েছে।

সুরমা বেগম খছরু মিয়ার সহোদর রুনু মিয়ার স্ত্রী এবং তার পরকিয়া প্রে’মিক নাহিদুল ইসলাম উপজে’লার চারখাই ইউনিয়নের মধুরচক এলাকার কামাল মিয়ার ছেলে হলেও সে উত্তর আকাখাজানায় তার মামার বাড়িতে বসবাস করতো।

থানা পু’লিশ জানায়, এ ঘ’টনার পর দিনভর সায়েলকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজা হলেও কোথাও তাকে পাওয়া যায়নি। মসজিদের মাইকেও তার খোঁজে প্রচারণা চা’লানো হয়। এ সময় চাচী সুরমা বেগম তার বসতঘরের দরজা-জানালা বন্ধ রাখাসহ র’হস্যজনক আচরণ করতে থাকেন। এতে নি’হত শি’শুর পিতাসহ এলাকার লোকজনের স’ন্দেহ হলে তারা চাচীর বসতঘরে প্রবেশ করে তল্লা’শি শুরু করেন।

একপর্যায়ে রাত ৮টার দিকে সুরমা বেগমের গোসলখানায় রাখা পানির ড্রামের ভিতর কম্বল দিয়ে মোড়ানো শি’শু সায়েলের নিথর দেহ পাওয়া যায়। এ ঘ’টনায় নি’হত সায়েলের পিতা খসরু মিয়া বাদি হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে বিয়ানীবাজার থানায় মা’মলা দা’য়ের করেছেন।

এ ব্যাপারে বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ই’নচার্জ (ওসি) অবণী শংকর কর জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘ’টনাস্থলে ছুটে যাই এবং শিশির লা’শ উ’দ্ধার করে ম’য়নাত’দন্তের জন্য ম’র্গে প্রেরণ করি।

তিনি বলেন, শি’শুর পিতা মা’মলা দা’য়েরের পর আমরা ঘ’টনাস্থল থেকে আ’টক নাহিদুল ইসলাম ও সুরমা বেগমকে গ্রে’ফতার দেখিয়ে আ’দালতে প্রেরণ করেছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here