লাদাখের গলওয়ান উপত্যকায় সং’ঘর্ষের পর ভারত ও চীনের মধ্যকার উ’ত্তেজনা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। উ’ত্তেজনা নিরসনে ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য ভারতের কেন্দ্রীয় স’রকার আগামীকাল শুক্রবার (১৯ জুন) সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছে।

এদিকে, ২০ জন ভারতীয় সে’নার মৃ’ত্যুর ৪০ ঘণ্টা পর মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, ‘ভারত শান্তি চায়।’ কিন্তু লাদাখ সী’মান্তে এবার শত শত সা’মরিক গাড়ি মোতায়েন করেছে চীন।

সী’মান্তে র’ক্তক্ষয়ী সং’ঘর্ষের আগেই গোলাবারুদ ও সে’নাবোঝাই এসব গাড়ি লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল সীমানার কাছে গালওয়ান নদী উপত্যকায় আনা হয়। স্যাটেলাইট চিত্রে স’শস্ত্র সা’মরিক গাড়ি মোতায়েনের এসব দৃশ্য উঠে এসেছে।

সোমবার (১৫ জুন) রাতে এ গালওয়ান ভেলিতেই দু’পক্ষের মধ্যে ভ’য়াবহ সং’ঘর্ষের ঘ’টনা ঘটে। এতে ভারতের ২৩ জওয়ান নি’হত হন। ভারতীয় সে’নাবা’হিনীর মতে, চীনা সে’নাবা’হিনীরও অন্তত ৪৫ জন নি’হত হন।

ধারণ করা ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ভারতের গালওয়ান নদী উপত্যকা বরাবর সারি সারি মোতায়েন করা চীনা সে’নাবা’হিনীর (পিএলএ) বেশ কয়েকটি সা’মরিক ট্রাক।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সং’ঘর্ষের আগে অন্তত ২শ স’শস্ত্র গাড়ি মোতায়েন করা হয়। এছাড়া বেশ কয়েকটি সে’না তাঁবুও টানানো হয়। সং’ঘর্ষের পরও উপত্যকা থেকে এগুলো সরানো হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here