শেষ পর্যন্ত আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পিছিয়ে নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান এহসান মানি। মূলত পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখেই এই মতামত দিয়েছেন তিনি। প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের কারণে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।

এর আগে অস্ট্রেলিয়া সরকার থেকে বলা হয়েছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করা অসম্ভব। আসলেই তাই। এই বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করবে ১৬ টি দেশ। পরিস্থিতি বিবেচনায় করে এই মুহূর্তে ১৬ টি দেশ নিয়ে একটি টুর্নামেন্ট করার যে কোন দেশের বিপক্ষেই অসম্ভব।

বুধবার (১৭ জুন) এক অনলাইন সাক্ষাৎকারে মানি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের সরকার সর্বোচ্চ সতর্কতা মেনে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। এটি তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

তবে চলতি বছর যদি টি-টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করতে হয়, তাহলে সেটি বায়ো-সুরক্ষিত পরিবেশে করতে হবে। যেভাবে ইংল্যান্ড সফরে থাকবে পাকিস্তান দল।’

কিন্তু দু’দফা বৈঠক করেও বিশ্বকাপ নিয়ে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি আইসিসি। আগামী মাসে আবারও বৈঠক রয়েছে আইসিসির। ওই বৈঠক থেকে সিদ্ধান্ত দিতে পারে আইসিসি বলে মনে করেন মানি।

তিনি বলেন, ‘আমার মতে টুর্নামেন্ট এ বছর আয়োজন করা উচিত হবে না। আইসিসিও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পিছিয়ে দেওয়ার চিন্তা-ভাবনাই করছে। ২০২১ ও ২০২৩ সালেও আইসিসি টুর্নামেন্ট রয়েছে। মাঝের যেকোন বছরে টুর্নামেন্ট করা যেতে পারে।’

করোনাভাইরাসের মধ্যে বিশ্বকাপ আয়োজন করলে তাতে বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে বলেও জানান মানি। তিনি বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে এত বড় আসর আয়োজন করা অনেক বড় ঝুঁকির বিষয়। আয়োজক অস্ট্রেলিয়াও তাই বলছে।

যদি টুর্নামেন্ট চলাকালীন কোন খেলোয়াড় করোনায় আক্রান্ত হয়, তাহলে পরিস্থিতি কঠিন হয়ে পড়বে। ওই অবস্থায় কঠিন পরিস্থিতি সামলাতে বেকাদায় পড়তে হবে। এমন ঝুঁকি নেওয়া ঠিক হবে না।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পিছিয়ে গেলে বড় ধরনের লাভ হবে বাংলাদেশ। তার কারণ সঠিক সময় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হলে খেলতে পারবেন না ক্রিকেট বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। এক বছরের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ রয়েছেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here