আজ সোমবার (২২ জুন) আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সং’সদের (ডাকসু) বর্তমান কমিটির মেয়াদ। তবে নতুন নির্বাচন আয়োজনের বি’ষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তেমন কোনো অগ্রগতি চোখে পড়েনি। নতুন নির্বাচন আদৌ হবে কিনা, তা নিয়েও অনেকের স’ন্দে’হ।

ডাকসুর সহ-সভাপতি বলছেন, গঠনতন্ত্রে পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত স্বপদে থাকার সুযোগ রয়েছে। তাই আগামী নির্বাচন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে চান তিনি। অন্যদিকে ডাকসুর সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপা’চার্য বলছেন, গঠনতন্ত্রের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।

দীর্ঘ ২৮ বছর পর ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সং’সদের (ডাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের এই সং’সদের মেয়াদ চলতি বছরের ২২ মার্চ এক বছর পূর্ণ হয়। তবে এই সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়ায় মেয়াদ ৯০ দিন বৃ’দ্ধি করা হয়। সেই মেয়াদ বৃ’দ্ধি আজ সোমবার (২২ জুন) শেষ হচ্ছে।

ডাকসুর গঠনতন্ত্রের ৬ এর (গ) ধারায় বলা আছে, সং’সদে নির্বাচিত কার্যনির্বাহী পদাধিকারীগণ ৩৬৫ দিনের জন্য কার্যালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন না করা যায়,

বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় আমরা নির্দিষ্ট সময়ের দায়িত্ব পালন করতে পারিনি। তাই আমাদের দাবি, বর্তমান সং’সদের মেয়াদ শেষ হলেও পরবর্তী নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমরা যাতে দায়িত্ব পালন করতে পারি।

তিনি আরও বলেন, গত ২২ মার্চ ডাকসুর এক বছর পূর্ণ হয়েছে; আপনি যদি সে হিসেবেই ধরেন তাহলে গত ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এর পর আর কোন কার্যদিবস যায়নি।

সে হিসাবে আমাদের ৯০ দিন পূর্ণ হতে এখনো অনেক বাকি। এ বি’ষয়ে শিগগিরই ডাকসুর সভাপতির স’ঙ্গে আমরা আলোচনায় বসবো। তবে অবশ্যই ডাকসু নির্বাচনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার দাবি জানাচ্ছি। দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এ প্রত্যাশা থাকবে।

এ বি’ষয়ে জানতে চাইলে ডাকসুর সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপা’চার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, সবকিছু গঠনতন্ত্র মেনেই করা হবে।

আমাদের গঠনতন্ত্রের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে ভাবছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচন অনেক লম্বা প্রক্রিয়া।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here