নিউজ ডেস্ক: প্রেমের বিয়ে কিংবা বাবা-মায়ের ঠিক করা মে’য়ের সাথে বিয়ে – অবস্থা যাই হোকনা কেন প্রথম’দিকে যেকোনো মে’য়ে লজ্জায় আড়ষ্ট থাকেবেই।

বিশেষ করে পরিবারের ঠিক করা বিয়েতে অপরিচিত একজন পুরু’ষের সাথে একত্র বসবাস কেউ কি অতি সহজে নিতে পারবে? প্রথমবার শাররীক মি’লনে নিচের বি’ষয়গুলো অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

আপনি হয়তো দ্বিতীয় কিংবা পরের বারের মি’লনগুলো খেয়াল রাখবেন না – কিন্তু প্রথম মি’লন সব যুগলেরই মনে থেকে যায়। প্রথম মি’লন আশ্চর্য্যজনক ভালো কিংবা ফ্লপ যাই হোক স্বা’মী-স্ত্রী প্রথম মি’লনকে ট্রেজেডি হিসেবেই মনে রাখে।

সঠিক সংকেতের জন্য অপেক্ষা করুনঃ প্রথম মি’লন সর্বনাশা হতে পারে যদি মা’নসিক প্রস্তুতির সংকেত দেয়া-নেয়ায় ভু’ল বুঝাবুঝি থাকে। যেহেতু আপনারা দুইজনেই সারা জীবনের জন্য বিবাহের মাধ্যমে একটি সামাজিক বন্ধ’নে আবদ্ধ হয়েছেন তাই বাসররাতে কথা বলা কিংবা ভাব বিনিময়ের মাধ্যমে সম্প’র্কের স্বাভাবিকতা এবং পরষ্পরের মা’নসিক দুরত্ব কমিয়ে আনুন।

তবে মাসিক চলাকালিন সময়ে এটি করা গুনার কাজ । ) । তবে আপনি কিভাবে আপনার জীবনস’ঙ্গীর সাথে স্বাভাবিক হবেন তা আপনার বিবেচনায় রাখবেন আগে থেকে।

জ’ন্মনিরোধকের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখু’নঃ প্রথমবারের শাররীক মি’লনে বিবা’হিত যুগলের জ’ন্মনিরোধক ব্যবহার দুজনের জন্য সমানভাবে মঙ্গলজনক। হয়তো ক’নডম কিংবা খাবার বড়ি ব্যবহার না করার ফলে আপনাদের “যৌ’ন বাহিত ছোঁয়াচে রো’গ” কিংবা “গ’র্ভধারনের” ভ’য়ে মি’লনের আসল আ’নন্দটাই মাটি হয়ে যেতে পারে।

প্রথম’দিন যৌ’ন বাহিত ছোঁয়াচে রো’গ থেকে রক্ষা পাবার জন্য ক’নডম ব্যবহারই সবছে ভাল – যদিও এটি ১০০% আত্মরক্ষা মুলক নয়। তাছাড়া আপনার স্ত্রী হয়তো মা হবার জন্য মা’নসিক ভাবে প্রস্তুত নয়। তাই বিয়ের পর পরষ্পরের শাররীক সমস্যার (যদি থাকে) ইতিহাস জেনে এবং স’ন্তান নেয়ায় দুই জনের মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তী নিয়ন্ত্রনের পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে।

কোন ভাবেই স্বয়ং-সম্পুর্ন মি’লনের প্রত্যাশা করবেন নাঃ ৮০% থেকে ৯০% ক্ষেত্রে প্রথম মি’লনে যুগলের বিন্দুমাত্রও সফলতা থাকেনা । তবে য়াদের শাররীক সমস্যা আছে , তারা আগে ভাগেই চিকিৎসা করিয়ে নিন । শাররীক মি’লন যতটা না শ’রীরের; তার চেয়ে বেশি মা’নসিক মি’লন। একজন মানুষ যখন অন্য মানুষের শ’রীর / ভাললাগার বি’ষয়বস্তু সম্প’র্কে পুর্নমাত্রায় জানে – তখনি শুধু সু’খকর যৌ’নমি’লন সম্ভব।

প্রথম মি’লনে পরষ্পরের ভাললাগার অনুভুতিগুলোর সংমিশ্রন হয়না। তাছাড়া প্রথম মি’লন সম্প’র্কে পুরু’ষ/না’রী এত বেশি দুশ্চিন্তা অথবা পুর্বপরিকল্পনা করে যে সে মূ’ল কাজে এসে নার্ভাস হয়ে যায়। আর পরিকল্পনা অবস্থা/ব্যক্তি বেধে পার্থক্য হয় – তাই আগ থেকে করা প্ল্যান কার্যকর করা নাও যেতে পারে।

তাই সময়ের সাথে চলুন। অন্তরঙ্গ মুহুর্তে অর্জিত ভাললাগাগুলো উপভোগ করুন। প্রথম রাতে আপনার প্রিয়জনের শ’রীর সম্প’র্কে জানার চেয়ে বড় রোমাঞ্চকর আর কি হতে পারে। সম্প’র্কে সময় দিন – পরষ্পরের শ’রীর সম্প’র্কে যত জানবেন মি’লন তত বেশি উপভোগ্য হবে।

গভীর নিঃশ্বাস নিনঃ প্রথমবারের মত কারো সাথে শাররীক মি’লন করতে গেলে চিন্তিত এবং অস্বত্বিতে পড়তে পারেন। আপনার শ’রীর এবং মনকে প্রশান্ত করার জন্য বড় করে নিঃশ্বাস নিন এবং শ্বাস ছাড়ুন। ঠিকঠাক কাজ করার জন্য আপনার মস্তিস্কের প্রয়োজনীয় মাত্রায় অক্সিজেন দরকার।

মা’নসিক চা’পে ঠিকমত শ্বাস-প্রশ্বাস না নিলে অনেকগুলো সমস্যা যেমন মাথাধরা, মাথাব্য’থা সহ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হতে পারেন। এটি খুবই লজ্জাজনক হবে যদি আপনি সামান্যতম যৌ’নমি’লনও করতে না পারেন।

স্বাভাবিক নিঃশ্বাস নিন – মনকে চিন্তামুক্ত রাখু’ন। প্রথম মিলেনে বিড়াল মা’রার আইডিয়া বাদ দিন। স্বাভাবিক আচরন করুন – আপনি আপনার জীবনস’ঙ্গীর সাথে আছেন – যার সাথে আপনার সারাজীবন সামনে পড়ে আছে। প্রথম রাতকে স্বরনীয় করে রাখতে বিড়াল না মারলেও সমস্যা নেই। তাকে ভরসা দিন আপনি তার জন্য কতটা।

কোনভাবেই পুর্ন-যৌ’ন-তৃ’প্তির মিথ্যে ভান করবেন নাঃ পুর্ন-যৌ’ন-তৃ’প্তির মিথ্যে ভান করা আপনার নিজের সাথে এবং আপনার স’ঙ্গীর সাথে প্র’তারণা করার শামিল। এটি হয়তো পরবর্তীতে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে, কারন বস্তুত আপনি ভু’ল ত’থ্য আদান-প্রদান করেছেন “আপনার শ’রীর কি চায় এবং কিসে আপনাকে যৌ’ন ক্ষুদার্ত করে তোলে?”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here