এক শরীরে দুই প্রা’ণ! একজন ইংরেজির শিক্ষক অ’পরজন গণিতের – প্রসব বেদনায় তখন কাতরাচ্ছি। জানতাম এখনই আমা’র ডেলিভা’রি হবে। আমি মা হব। সত্যিই আমা’র গর্ভ থেকে সন্তান জন্ম নিলো। তবে একটি নয় দু’টি। এ খবর পেয়ে আমি তো খুশিতে আত্মহারা।

অ্যাবি ও ব্রিটেনি অ্যাবি ও ব্রিটেনি অ’তঃপর নার্স জানালেন আপনার দুই কন্যা একে অ’পরের সঙ্গে সংযু’ক্ত অবস্থায় জন্মগ্রহণ করেছে। তাদেরকে পৃথক করা গেলেও একজনের প্রা’ণ সংশয় রয়েছে। কথাগুলো বলছিলেন জমজ দুই কন্যার মা পেটি হেনসেল।

অ’তঃপর মা হিসেবে জীবনযু’দ্ধ চলতে থাকে পেটির। সমাজের নানা মন্দ কথা শুনেও কখনো কানে তুলেননি তিনি। দুই কন্যাকে মানুষের মতো মানুষ করে গড়ে তুলেছেন তিনি। আজ তারাই শিক্ষক। একজন পড়ান গণিত, আরেকজন ইংরেজি। বাইকও চালাতে পারেন তারা বাইকও চালাতে পারেন তারা বলছি, সংযু’ক্ত দুই কন্যা অ্যাবি ও ব্রিটেনি হেনসেলের কথা।

তারা দু’জনই সংযু’ক্ত। তবে তাদের দুইটি মা’থা ও ঘাড় আলাদা। দুই পায়ে ভর করে চলেন এই দুই বোন। এমনকি তাদের হাতও দুটি। ৩০ বছর বয়সী এই বেনেরা এরইমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়েও ফেলেছেন। তারা নিজেরাই আজ স্বাবলম্বী। চালাতে পারেন গাড়িও।

তবে ঘুমানোর সময় কাত হয়ে শোয়ার কোনো সুযোগ নেই তাদের। এজন্য ঠিকভাবে ঘুমাতে পারেন না দুই বোন। অ্যাবি ও ব্রিটেনি একে অন্যকে সাজিয়েও দেন। গাড়ি চালাচ্ছেন অ্যাবি ও ব্রিটেনি গাড়ি চালাচ্ছেন অ্যাবি ও ব্রিটেনি এই জমজ বোনদের মা পেটি জানান, তাদের দু’জনের চাহিদা কিংবা শারীরিক বিভিন্ন সমস্যাও ভিন্ন হয়ে থাকে।

এই ধরুন, অ্যাবির সর্দি-জ্বর হলো কিন্তু ব্রিটেনি ঠিক সুস্থই রইল। আবার ব্রিটেনির পেটে ব্যথা করলে তখন অ্যাবি আবার সুস্থ। এভাবেই তারা একে অন্যের চেয়ে মানসিকভাবে আলাদা। তাদের খাবারের চাহিদাও ভিন্ন। কেউ এখন খাচ্ছে তো আরেকজন পরে, আবার কারো ঘুম পাচ্ছে তো আরেকজন পড়ছে!

এমনই ঘটে তাদের সঙ্গে। স্কুলে পড়াচ্ছেন তারা স্কুলে পড়াচ্ছেন তারা অ্যাবি অবশ্য ব্রিটেনির চেয়ে উচ্চতায় লম্বা। এজন্যই পোশাকেও তাদের দু’জনের মাপ আলাদা হয়ে থাকে। ঠিক একইভাবে জুতার মাপও আলাদা।

এজন্য অ্যাবি ফ্ল্যাট জুতা পরলেও ব্রিটেনিকে অন্য পায়ে পরতে হয় হিল জুতা। এভাবেই মানিয়ে গুছিয়ে চলেন তারা। ছা’ত্রী হিসেবেও তারা একে অন্যের চেয়ে আলাদা।ছাত্রদের পড়াচ্ছেন তারা ছাত্রদের পড়াচ্ছেন তারা অ্যাবি বরাবরই গণিত পছন্দ করেন। অন্যদিকে, ব্রিটেনির পছন্দ ইংরেজি।

তাই তারা দু’জনই ভিন্ন বিষয়ে পড়াশুনা করেছেন। এমনকি তারা দু’জনেই একটি স্কুলে দুই বিষয়ে শিক্ষকতা করছেন। স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষার সময় তারা দুই হাত দিয়ে দুইজন ভিন্ন বিষয় লিখতেন। এভাবেই তারা ভালো নম্বর অর্জন করে আজকের এই অবস্থানে এসেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here