মাত্র ৫ দিনেই আল-কুরআনের চিকিৎসায় করো’না জয় করছেন আফ্রিদি! পা’কিস্তানের যে কোন দু’র্যোগে ঝাঁপিয়ে পড়েন শ’হীদ আফ্রীদি। করো’’না ভাই’রাসের মহা’মা’রি হয়ে ওঠার পর থেকেই দুস্থ মানুষের জন্য কাজ শুরু করেন পা’কিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শ’হীদ আফ্রীদি। বেলুচিস্তানের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে নিজ হাতে

নিম্নবিত্তদের মাঝে খাবার পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। গত ৬৭ দিনে প্রায় ৩২ হাজার ঘরে সাহায্য পৌঁছে দিয়েছেন আফ্রিদি। করো’’না ভাই’রাসে আ’ক্রা’’ন্ত হয়ে আজ ফেসবুক লাইভে এসে ছিলেন শ’হীদ আফ্রীদি। লাইভে এসে সবাইকে সালাম জানিয়ে আফ্রিদি বলেন, গত দুইদিন হলো আমায় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা কথা শুনছি তাই লাইভে এলাম।

ইত্যাদি সেবন করতে পারেন। বাসা থেকে খুব দরকার ছাড়া বের হবেন না। আর ভ’য় পাওয়ারও কোনো প্রয়োজন নেই। এরপর পা’কিস্তানের সাবেক এই ক্রিকেটার বলেন, জীবনে কিছু কিছু ঘ’টনা আসে যা আমা’দের অনেক কিছু শেখায়। মু’সলমান হিসেবে আমা’র যেটা মনে হয়েছে, আল্লাহ্‌র উপর আমা’দের বিশ্বা’স রাখা জরুরি।

রাসুল (স) ২২-২৩ বছর ধরে বিশ্বা’স বাড়ানোর জন্য ক’ষ্ট করেছেন। নামাজ, রোজা, হ’জ, যাকাত সবই প্রয়োজনীয় কিন্তু আসল জিনিস হল বিশ্বা’স। আমি করো’’নার এ সময়ে এই বিশ্বা’স বাড়াতে, ঈ’মান মজবুত করার চেষ্টা করছি। করো’’না থেকে এটাই শিখছি।

যত ক্ষুধা লাগুক, পেট খানিকটা খালি রেখে খান। পানির বোতল স’ঙ্গে রাখু’ন। মাঝেমধ্যে চুমুক দিন। রাতের খাবার যত হালকা হয় তত ভালো। শুতে যাওয়ার ঘণ্টা দুয়েক আগে খান। খাওয়ার পর একটু পায়চারি করুন। ওজন যাতে না বাড়ে সে দিকে খেয়াল রাখু’ন। তবে ক্র্যাশ ডায়েট করে নয়।

রো’গ প্রতিরোধ ক্ষ’মতা বাড়াতে পারে এমন পুষ্টিকর খাবার বা ভেষজ খান নিয়মিত। শান্ত হয়ে বসে, ভালো করে চিবিয়ে, মন দিয়ে খান। একে বলে মাইন্ডফুল ইটিং। এভাবে খেলে হ’জম ভালো হয়। খাবারের পুষ্টি ভাল ভাবে শোষিত হয় শ’রীরে। রো’গ প্রতিরোধ ক্ষ’মতা বাড়ে।

যেসব খাবার যোগ করবেন:
সকালে খালিপেটে খান হলুদ দু’ধ। গরুর দু’ধে বা আমন্ড দু’ধে এক চামচ কাঁচা হলুদ বাটা, আধ চামচ দারচিনির গুঁড়া, সিকি চামচ গোলম’রিচের গুঁড়া মিশিয়ে বানান। সুগার না থাকলে মধু মেশাতে পারেন। এরপর আধঘণ্টা কিছু খাবেন না।

সকালে চা-এর বদলে আয়ুর্বেদিক ক্বাথ খেতে পারেন। তুলসি, আদা ও মধু দিয়ে বা তুলসি, আদার স’ঙ্গে গোলম’রিচ, দারুচিনি, কিশমিশ, মধু ও লেবুর রস দিয়ে বানাতে পারেন। নিয়মিত খেলে রো’গ প্রতিরোধ ক্ষ’মতা যেমন বাড়বে, বাড়বে হ’জমশ’ক্তি। গ’লায়ও আরাম হবে।

সকালে এমন খাবার খান যাতে কোনো অস্বাস্থ্যকর উপাদান নেই। গম ও ছোলা শুকনো খোলায় ভেজে তাতে মেশান ওটস ও বার্লি। তার পর মিক্সিতে গুঁড়ো করে দু’ধ বা পানি দিয়ে ফুটিয়ে ফল মিশিয়ে খান। আমন্ড দু’ধে কাঁচা হলুদ, ওটস ও মধু মিশিয়ে পরিজ বানাতে পারেন।

দুপুরে ভাতের স’ঙ্গে কাঁচা হলুদ ও গোলম’রিচ বাটা খান। ডাল-সবজির স’ঙ্গে খান লেবু বা খাওয়ার পর কোনো ট’ক ফল খান। লেবু দিয়ে ধ’নেপাতা বা পুদিনার চাটনি বা ১৫ মিলি আমলকির রস খেতে পারেন। রান্নায় সব ধরনের মশলা ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ব্যবহার করুন। যেমন, ধ’নে, জিরে, হলুদ, গোলম’রিচ, আদা, রসুন, মেথি, কালোজিরা।

ইমিউনিটি বাড়ে এমন একটি মশলা বানিয়ে রাখু’ন। ৩ চামচ করে জিরা, ধ’নে, ৬ চামচ মেথি ও এক চামচ গোলম’রিচ শুকনো খোলায় ভেজে, গুঁড়া করে নিন। তাতে মেশান এক চামচ আদার গুঁড়া, ৬ চামচ হলুদ গুঁড়া ও সিকি চামচ দারুচিনির গুঁড়া। যেকোনো রান্নায় মেশানোর আগে এক চামচ ঘি অল্প গরম করে তাতে এক চামচ মশলা দিয়ে নেড়ে নিন। ভাত, সেদ্ধ সবজি, ডাল, স্যুপ সবকিছুতে মেশাতে পারেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here