ভারত-পাকিস্তান রাজনৈতিক দ্ব’ন্দ্বের জেরে আগামী দুটো বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারবে না পাকিস্তান! এমন আ’শঙ্কা করছে স্বয়ং দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। আর তাইতো ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড-বিসিসিআইয়ের কাছে লিখিত নিশ্চয়তা দাবি করেছেন পিসিবির প্রধান নির্বাহী ওয়াসিম খান। এর আগেও পাকিস্তানী খেলোয়াড়দের ভ্রমণের ছাড়পত্র দেয়নি ভারত।

দাবি শীর্ষ এই বোর্ড কর্তার। এবার তাই বিসিসিআইয়ের লিখিত নিশ্চয়তার পাশাপাশি আইসিসি’র পক্ষ থেকেও নিশ্চয়তা চায় পাকিস্তান। ভারত-পাকিস্তানের চিরবৈরিতা। খেলার মাঠে যেমন চিরপ্র’তিদ্ব’ন্দ্বী, রাজনৈতিক অ’ঙ্গনেও বরাবরই মুখোমুখি দুই প্রতিবেশী দেশ। খেলার মাঠে প্রতিদ্ব’ন্দ্বিতাটা সবাই উপভোগ করলেও, রাজনৈতিক দ্ব’ন্দ্বের প্রভাবটা ভ’য়াব’হ।

সেই দ্ব’ন্দ্বের জের এমনই যে, বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশগ্রহণই অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে যায়! প্রতিবেশী দুই রাষ্ট্রের শ’ত্রুভা’বাপন্ন মা’নসিকতায় গেল ৮ বছর ধরে বন্ধ দ্বি’পাক্ষিক সিরিজ। ভারতীয়রা পাকিস্তানে সফর করেনা, আবার পাকিস্তানও যায় না ভারতে। কেবল আইসিসি ইভেন্টগুলোতেই দেখা মিলতো দুই দেশের ক্রিকেটারদের। আগামী দুই বিশ্বকাপে কি সেটিও আর হবে?

শিডিউল অনুযায়ী ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের আয়োজক ভারত। আর এই দুই বিশ্বকাপে পাকিস্তান অংশ নিতে পারবে কিনা সেই শঙ্কা জেগেছে খোদ পাকিস্তানীদের মনেই। এর আগেও নাকি ভারতে সফর করতে ছাড়পত্র দেয়া হয়নি পাকিস্তানী খেলোয়াড়দের। এমন দাবি তুলে ভারতীয় বোর্ডের কাছে লিখিত নিশ্চয়তা দাবি করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।

কয়েক মাসের মধ্যেই সেই নিশ্চয়তা চায় পিসিবি। বি’ষয়টি নাকি বেশ গুরুত্বের স’ঙ্গে নিয়েছে আইসিসিও। পরবর্তী সভায় এই বি’ষয়েও সি’দ্ধান্ত হবে বলে আশা করছে পাকিস্তান।

তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে দ্বিধাটা কাটছে না কারোই।ওয়াসিম খান আরও বলেন, সবচেয়ে বড় প্রশ্নটা হচ্ছে, আগামী বছর বিশ্বকাপটা কোথায় অনুষ্ঠিত হবে? এই বছর অস্ট্রেলিয়ায় যেটি হওয়ার কথা সেটি নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।

আবার আগামী বছরের বিশ্বকাপ আয়োজনের সত্ত্ব ভারতের। আমরা নিশ্চিত করে জানিনা বিশ্বকাপটা কি ভারতে হবে নাকি অস্ট্রেলিয়ায় হবে?ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের স’ঙ্গে সুসম্প’র্ক আছে দাবি করে ওয়াসিম খান এও জানিয়েছেন, নিকট ভবি’ষ্যতে দুই দেশের মধ্যে সিরিজ আয়োজনের কোন সম্ভাবনা তিনি দেখেন না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here