ভারতীয় সে’না বাহীনির সদস্য রাজেশ। ২০১৫ সালেই ১৬ নম্বর বিহার রেজিমেন্টে সুযোগ পান রাজেশ। চাকুরি পেয়েই কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন দেশরক্ষা ও একই সাথে সংসারের ভার।

চাকরি পেয়ে মাটির বাড়ি ভে’ঙে তৈরি করেছিলেন পাকা বাড়ি। এবং ছোট বোনকে ভর্তি করেছিলেন ঝাড়খণ্ডের রানীশ্বর কলেজে। অ্যাপেনডিক্স অ’স্ত্রোপচারের পর থেকে বাবা কাজ করতে পারতেন না। সংসার চলত রাজেশের রোজগারেই।

দু’সপ্তাহ আগে বাড়িতে ফোন করেছিলেন দাদা। ঘড়ি ধরে দু’মিনিট কথা হয়েছিল, স্পষ্ট মনে আছে বোন শকুন্তলার। দাদা বলেছিলেন, ‘হাতে মাত্র দু’মিনিট। মা-বাবাকে বলিস, এখন আর ফোন করতে পারব না। আজ থেকে ও’পরে ডিউটি আছে। কী হবে জানি না।’

রাজেশ ওরাংয়ের সেটাই শেষ ফোন তার বাড়িতে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেল ৫টা নাগাদ বীরভূমের মহম্ম’দবাজার থানার বেলগড়িয়া গ্রামের ওরাং পরিবারের কাছে ফোন আসে।

রাজেশের মা মমতা ওরাং জানান, বড় মেয়ের বিয়ের পরে এক ছেলে, এক মেয়েকে নিয়ে খুব ক’ষ্টে দিন কাটত। রাজেশ চাকরি পেতে অবস্থা বদলায়। তার কথায়, ‘এ বার ছুটিতে এলে এই মাসেই বিয়ে দেয়ার কথা ছিল রাজেশের। লকডাউনে আসতে পারেনি। সব শেষ হয়ে গেল।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here