প্রতিবছর হৃদরো’গে আ’ক্রান্ত হয়ে অনেক মানুষ মা’রা যায়। একটু স্বাস্থ্য সচেতন হলেই আপনি হৃদরো’গের ঝুঁ’কি এড়াতে পারবেন। এখন আপনাকে জানাবো এমন ১১টি অভ্যাসের কথা যা আপনার হৃদরো’গের ঝুঁ’কি কমাবে –

১. প্রতিদিন ব্যয়াম করুন

অন্যান্য পেশীগুলোর মত আমাদের হৃদয়ও মানব দে’হের একটি পেশী। আপনি যত ব্যয়াম করবেন আপনার হৃদয়ও ততই শ’ক্তিশালি হবে। আপনি যদি ভারী কোন ব্যয়াম করতে না পারেন তাহলে দৈনিক ৩০ মিনিট হাঁটুন। যদি একসাথে ৩০ মিনিট হাঁটতে না পারেন তাহলে দিনে ১৫ মিনিট করে দুইবার হাঁটুন।

২. ধূমপান পরিত্যাগ করুন

সবসময় স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহনের চেষ্টা করুন। ফল এবং শাক-সবজি বেশী করে খাবেন। মাংস কম পরিমাণ খাবেন। এছাড়া ফ্যাট জাতীয় খাবার কম খাবেন। তৈলাক্ত খাবার যথাসম্ভব পরিহার করবেন, কেননা এটি শ’রীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

৪. অ্যালকোহল জাতীয় পানীয় পরিমাণ মত পান করুন

এটি অদ্ভুত বলে মনে হতে পারে, তবে মাঝারি পরিমানে অ্যালকোহল পান করা স্ট্রোকের ঝুঁ’কি কমাতে সাহায্য করে। তবে মনে রাখবেন, শুধুমাত্র মধ্যম পরিমাণে পান করলে এটি সহায়ক। উচ্চ পরিমাণে অ্যালকোহলের ব্যবহার ঝুঁ’কি বাড়িয়ে দিতে পারে।

৫. ওজন পরিমাণ মত রাখু’ন

যদি আপনার স্বাস্থ্য দিন দিন বাড়তেই থাকে তাহলে ডায়েটিং এবং ব্যায়াম দ্বারা ওজন কমাতে চেষ্টা করুন। ওজন হ্রাস কেবল আপনাকে পা’তলা করবেনা, এটি আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করে ফেলবে। এর ফলে আপনার হৃদরো’গের ঝুঁ’কি কমে যাবে।

৬. ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ও’ষুধ খাবেন

যারা বর্তমানে হৃদরো’গে ভুগছেন তারা অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ও’ষুধ খাবেন। অনেক বেশী ও’ষুধ খেলে তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। তবে এই ব্যাপারে আপনাকে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলতে হবে।

৭. ডার্ক চকলেট খান

কে চকলেট পছন্দ করেন না ? একটি ত’থ্যমতে, ডার্ক চকলেটে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ উপাদান এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা আপনার হা’র্টের জন্য ভাল। এমনকি চকলেট আপনার হা’র্টকে শ’ক্তিশালীও করতে পারে।

৮. বুকে ব্য’থা এবং শ্বাসক’ষ্টজনিত রো’গকে কখনো অবহেলা করবেন না

বুকে ব্য’থা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া এবং শ্বাস প্রশ্বাস নিতে সমস্যাজনিত রো’গ গুলোকে কখনও ছোট করে দেখবেন না। এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে সাথে সাথে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নিলে ক্ষুদ্র হা’র্টের সমস্যাগুলো প্রতিরোধ করা সম্ভব।

৯. সামাজিক থাকুন

এটি অপ্রাস’ঙ্গিক মনে হতে পারে, তবে জানা গিয়েছে যে, যারা সামাজিক হয় তাদের হা’র্টের সমস্যা কম হয়ে থাকে। তাই আপনার বন্ধু ও পরিবারের সাথে যোগাযোগ করুন এবং আপনার সামাজিক জীবনকে শ’ক্তিশালী করুন। এটি শুধু আপনাকেই নয়, তাদের হা’র্টকেও স্বাস্থ্যকর করে তুলবে।

১০. বছরে একবার হলেও ডাক্তারের কাছে গিয়ে নিজের চেকআপ করান

নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হন। বছরে একবার হলেও ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। মনে রাখবেন স্বাস্থ্যই সকল সু’খের মূ’ল।

১১. শ’রীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম রাখু’ন

কোলেস্টেরল হৃদরো’গের প্রধান কারণ। তাই আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়মিত চেক করার চেষ্টা করুন। এছাড়া ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে কোলেস্টেরল কমানোর ও’ষুধ নিতে পারেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here