সম্প্রতি এর কারণ বিশ্লেষণ করেছেন গবেষকরা। এরজন্য আমাদের শ’রীরে নিঃসৃত হওয়া টেস্টোস্টেরন হরমোন দায়ী বলে মনে করছেন তারা।
গবেষকরা জানিয়েছেন, এর কারণ হলো না’রী ও পুরু’ষের হরমোনের পার্থক্য।

আর এ পার্থক্যের কারণেই উভ’য়ের দে’হঘড়ি একত্রে চলে না। গবেষকরা এক্ষেত্রে কয়েকটি সময়ের বর্ণনা করেছেন, যে সময়ে না’রী ওপুরু’ষের মধ্যে হরমোনের পার্থক্য লক্ষ্যণীয়।

ভোর ৫টায় পুরু’ষের দে’হে টেস্টোস্টেরন হরমোন সর্বাধিক থাকে। দিনের অন্য সময়ের তুলনায় এর মাত্রা ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি। এ সময় না’রীও টেস্টোস্টেরন হরমোন উৎপাদন করে তবে তা অতি সামান্য মাত্রায়। সকাল ৬টায় পুরু’ষের টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা কমে না উপরন্তু ঘুম যত লম্বা হয় হরমোনটির প্রভাবও তত বেশি হয়।

আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, পাঁচ ঘণ্টার বেশি ঘুম পুরু’ষের দে’হে টেস্টোস্টেরন হরমোনটির মাত্রা ১৫ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here