সারাদেশঃ বরিশালের উজিরপুর উপজে’লার জল্লা ইউনিয়নের ইন্দুকানি গ্রামে তরুণ-তরুণী একস’ঙ্গে আত্মহ’ত্যা করেছেন। তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্প’র্ক ছিল। এ নিয়ে উভ’য়ের পরিবারে ক’লহ চলছিল।

এজন্য আত্মহ’ত্যার পথ বেছে নেন তারা। মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে ইন্দুকানি গ্রামের একটি আম গাছ থেকে প্রিন্স বালা (২৫) ও তৃষ্ণা মজুম’দারের (১৭) ঝু’লন্ত ম’রদে’হ উ’দ্ধার করা হয়। পরে ম’য়নাত’দন্তের জন্য ম’রদে’হ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ম’র্গে পাঠিয়েছে পু’লিশ।

ঘ’টনাস্থল থেকে প্রিন্স বালার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উ’দ্ধার করে পু’লিশ। তাতে একটি খুদেবার্তায় লেখা রয়েছে, ‘আমরা স্বেচ্ছায় একস’ঙ্গে আত্মহ’ত্যা করেছি, আমাদের মৃ’ত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।

আমাদের দুইজনকে একস’ঙ্গে সমাহিত করার অনুরোধ রইল।’ প্রিন্স বালা জল্লা ইউনিয়নের ইন্দুকানি গ্রামের সমীর বালার ছেলে। খ্রিষ্টান সম্প্রদা’য়ের প্রিন্স বালা চার বছরের এক ছেলে স’ন্তানের জনক ছিলেন। অন্যদিকে খ্রিষ্টান সম্প্রদা’য়ের তৃষ্ণা মজুম’দার একই গ্রামের তোতা মজুম’দারের মে’য়ে ছিলেন।

উভ’য়ের পরিবার প্রিন্স ও তৃষ্ণাকে কথা বলতে ও দেখা করতে ক’ঠোরভাবে নি’ষেধ করেন। বিরহ সহ্য না করতে সোমবার রাতের কোনো একসময় প্রিন্স ও তৃষ্ণা একস’ঙ্গে আত্মহ’ত্যা করেন।

উজিরপুর থানা পু’লিশের পরিদর্শক (ত’দন্ত) হেলাল উদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার ১১টার দিকে দুইজনের ম’রদে’হ উ’দ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ম’র্গে পাঠানো হয়।

পরিদর্শক হেলাল উদ্দিন বলেন, গ্রামের লোকজনের স’ঙ্গে কথা বলে জানা গেছে প্রিন্স ও তৃষ্ণা মজুম’দারের মধ্যে প’রকীয়া প্রেমের সম্প’র্ক ছিল। তাদের প্রেমের বি’ষয়টি জানাজানি হলে দুই পরিবারের মধ্যে ঝ’গড়া হয়।

এর জের ধরে তারা একই দড়িতে ফাঁ’স লাগিয়ে আত্মহ’ত্যা করেছেন। ঘ’টনাস্থল থেকে প্রিন্স বালার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উ’দ্ধার করেছে পু’লিশ। তাতে একটি খুদেবার্তা লেখা রয়েছে, ‘আমরা স্বেচ্ছায় একস’ঙ্গে আত্মহ’ত্যা করেছি, আমাদের মৃ’ত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। আমাদের মৃ’ত্যুর পর দুইজনকে একস’ঙ্গে সমাহিত করার অনুরোধ রইল।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here