স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুব শিগগিরই দেশের হিফজ মাদ্রাসাগুলো খুলে দেয়ার সি’দ্ধান্ত নিয়েছে স’রকার। এ বি’ষয়ে প্রধানমন্ত্রীর মৌখিক সম্মতিও পাওয়া গেছে। আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ স’চিবের পক্ষ থেকে লিখিত প্রজ্ঞাপন জারির কথা রয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে স্ব’রা’ষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বি’ষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঈদুল ফিতরের পর থেকেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে কওমি মাদ্রাসা খুলে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন আলেমরা।

কিন্তু ক’রোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় এতদিন সে অনুমতি পাওয়া যায়নি। ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির সুবিধার্থে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কওমি মাদ্রাসার অফিস খোলার অনুমতি দেয়া হয়েছিল।

সূত্র জানায়, গত কয়েকদিন আগে এ বি’ষয়ে জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাত করেন। এ সময় আসন্ন কোরবানির ঈদের আগেই সীমিত পরিসরে হলেও কওমি মাদ্রাসা খোলার আবেদন জানান তারা।

তাঁদের অভি’যোগ, গত ১০ বছর ধ’রে আত্মীয়দের কবর দিতে গেলে বি’পাকে পড়তে হয় মু’সলিম গ্রামবাসীদের। বার বার অভি’যোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। কোনও পদক্ষেপই করেননি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান অথবা জে’লা প্রশাসন।

মে’য়ের মৃ’ত্যুর পর দুপুর পর্যন্ত তার দে’হ ক’বর দিতে না পেরে অথৈ জলে পড়েছিল ওই মু’সলিম পরিবারটি। অবশেষে তাঁদের পাশে এসে দাঁড়ালেন হিন্দু সম্প্রদা’য়ের এক ব্যক্তি। তাঁর উদ্যোগেই শেষকৃ’ত্য সম্পন্ন হল বালিকার।

টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে দেওয়া একটি সাক্ষাত্‍কারে মৃ’ত বালিকার বাবা জোগিন্দর বলেন, ‘জে’লা প্রশাসন আমাদের চা’হিদা মেটাতে অ’ক্ষম। কবরস্থান হিসেবে পরিষ্কার জায়গার দাবি বহুবার করেছি, কিন্তু কেউই আমাদের কথায় কান দেননি। আজ এক হিন্দু পরিবার এগিয়ে এসে কবরস্থানের কাছে একটুকরো জমি দিয়েছে আমাদের।

উনি পেশায় কৃষক। টানেলের জল পেলে ওঁকে জমি চাষ করতে হয়। তবুও তিনি এগিয়ে এসে আমাকে সাহায্য করেছেন। বহু দিনের এই সমস্যা মেটাতে প্রশাসন ব্যর্থ হলেও আমাদের প্রতিবেশি পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু এবার আমরা এই সমস্যার পাকাপাকি সমাধান চাই।’

গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান জয়দীপ সিং জানিয়েছেন, ‘গ্রামে মোট ১৬টি জাতের মানুষের বাস। তাঁরা একে অপরের স’ঙ্গে মিলেমিশেই থাকেন। অবিরাম বৃষ্টির কারণেই কবরস্থানে জল জমেছে।এই জল বের করার জন্যে আমি দু’জনকে কাজে নিয়োগ করেছি। দ্রু’ত এই সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করব যাতে গ্রামের মু’সলিম বন্ধুদের ভবি’ষ্যতে এই নিয়ে কোনও সমস্যা না হয়।’ -এই সময়

প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশী নমিতা হালদার বলেন, গরুর খাবারের জন্য স্থানীয় মজিদের পুকুর পাড়ে খড় আনতে গিয়ে দেখি শি’শু সুরাইয়াকে কোলে করে তার মা সুমি বেগম চুমু খাচ্ছে ও আদর করছে। পরে আমি চলে আসি। এর কিছুক্ষণ পর দেখি সে একা দৌড়ে চলে যাচ্ছে।

তাকে ডাকলেও সে ফিরে তাকায়নি। এর কিছুক্ষণ পরে শি’শুটির নানী ও তার আরেক নাতনী তাঞ্জিলাসহ পুকুর থেকে শি’শুটিকে উ’দ্ধার করে। পরে আমরা দৌড়ে গিয়ে দেখি শি’শুটিকে নিয়ে পেটের পানি বেড় করার চেষ্টা করেছি। এরপর শি’শুটিকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

শি’শুটির নানী রওশন আরা জানান, সুমিকে দেখালাম নাতনিকে নিয়ে শুয়ে আছে। আমরা বাইরেই কাজ করছিলাম। হঠাৎ কেন এমন হলো বুঝে উঠতে পারছিনা। পুকুর থেকে উ’দ্ধার করে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃ,ত ঘোষ,ণা করেন। বাড়িতে সুমিকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, দুই বছর আগে বানিবহ ইউনিয়নের বার্থা গ্রামের মো. হাবিবুর রহমানের মে’য়ের বিয়ে হয় রাজবাড়ী থানার আলমগীর হোসেনের স’ঙ্গে। গত ৬ মাস আগে সুমি তার বাবার বাড়ি আসে। কিন্তু আর স্বা’মীর বাড়ি যায়নি।

রাজবাড়ী থানার অফিসার ই’নচার্জ স্বপন কুমার মজুম’দার বলেন, শি,শুটির লা,শ উ,দ্ধার করে ময়না ত’দন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ত’দন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here