অনেকেই ভাবছেন যে ইদ-উল-আযহার ছুটি তিন দিন চলবে নাকি করোন ভাই’রাস (কো’ভিড -১৯) সং’ক্র’মণের জন্য ছুটি বাড়ানো হবে ? তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন কো’ভিড -১৯ এর কারণে ৩০ মে অবধি ৬৬ দিনের ছুটি ছিল। সীমিত সীমার কারণে প্রশাসন এখনও অনেক ছুটি কা’টাচ্ছে। এরই মধ্যে ইদে অতিরিক্ত ছুটির বি’ষয়ে স’রকারের কোনও পরিকল্পনা নেই।

জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা অনুযায়ী এবার আগামী ৩১ জুলাই বা ১ আগস্ট মু’সলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে।আগামী ১ আগস্ট (শনিবার) ঈদুল আজহা ধরে স’রকারের ২০২০ সালের ছুটির তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী ৩১ জুলাই, ১ ও ২ আগস্ট (শুক্র, শনি ও রোববার) ঈদুল আজহার ছুটি থাকবে। এক্ষেত্রে দু’দিনই চলে যাচ্ছে সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে।

৩১ জুলাই (শুক্রবার) ঈদ হলে ছুটি থাকবে ৩০ ও ৩১ জুলাই এবং ১ আগস্ট (বৃহস্পতি, শুক্র ও শনি)। এক্ষেত্রেও ছুটির দুদিন চলে যাচ্ছে সপ্তাহিক ছুটির মধ্যে।ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিন সাধারণ ছুটি থাকে। আর এই দুই ঈদের আগের ও পরের দিন থাকে নির্বাহী আদেশে ছুটি।ছুটির বি’ষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন ম’ন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত স’চিব (বিধি অনুবিভাগ) মো. লাইসুর রহমান বলেন,

‘পুরো বছরের ছুটি যখন ঘোষণা করা হয়, ঈদের ছুটিও এর মধ্যে থাকে। ঈদুল আজহার ছুটি যেভাবে ঘোষণা করা আছে, সেভাবেই থাকবে।’তিনি বলেন, ‘ক’রোনা পরিস্থিতিতে যারা অ’সুস্থ, স’ন্তানসম্ভবা না’রী, তাদের বি’ষয়ে তো আমরা নির্দেশনা দিচ্ছিই, তারা অফিস করছেন না। সীমিত পরিসরে অফিস চলছে এখন।’অতিরিক্ত স’চিব আরও বলেন, ‘ঈদের ছুটি নিয়ে এবার বিশেষ কোনো চিন্তা-ভাবনা নেই। স’রকার তো ছুটি আরও কমাতে চায়।

সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী গত ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ছিল। পরে ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে অফিস খুলে দেয়া হয়, চালু করা হয় গণপরিবহন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। পরে এই ব্যবস্থা দুই দফায় ৩ আগস্ট পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।স’রকারি অফিসে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত থাকতে পারবে। ঝুঁ’কিপূর্ণ, অ’সুস্থ কর্মচারী এবং স’ন্তানসম্ভবা না’রীরা কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়া থেকে বিরত থাকবেন বলেও স’রকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। সেভাবেই এখন অফিস চলছে।সূত্রঃ জাগো নিউজ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here