ক’রোনাভা’ইরাসে পরীক্ষার জন্য নমুনা নিয়ে জেকেজি হেলথকেয়ারের প্র’তারণার কাজে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা শারমিন হুসাইন ওরফে সাবরিনা আরিফ চৌধুরীর ফেস ভ্যালু-ই প্রধান অ’স্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

দ্বিতীয় দফার রি’মান্ডের প্রথম দিনে ঢাকা মহানগর গো’য়েন্দা পু’লিশের (ডি’বি) ত’দন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বি’ষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

ডি’বি কর্মকর্তারা বলছেন, জেকেজির জালিয়াতির প্রধান অ’স্ত্র ছিল সাবরিনা। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তার ফেস ভ্যালু ব্যবহার করে জালিয়াতি ও নানা ধরনের কাজ বাগিয়ে নিয়েছে। তবে তার এই কাজ একা একা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কর্মকর্তার সহযোগিতার প্রয়োজন হয়েছে। মা’মলার ত’দন্তের প্রয়োজনে আমরা একে একে সবাইকে ডাকবো।

ক’রোনা পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া রিপোর্ট দিয়ে গ্রে’ফতার হওয়া জেকেজি হেলথ কেয়ারের সিইও আরিফ চৌধুরীর প্র’তারণার নেপথ্যে ছিলেন তার স্ত্রী ডা. সাবরিনা। তাদের এক ল্যাপটপেই পাওয়া গেছে ১৫ হাজারেরও বেশি ক’রোনার ভুয়া টেস্ট রিপোর্ট।

উ’দ্ধার করা ল্যাপটপে এর প্রমাণ মিলেছে। আরিফ চৌধুরী জি’জ্ঞাসাবাদে পু’লিশকে জানান, জেকেজির ৭ থেকে ৮ কর্মী ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করেন।

প্রস’ঙ্গত, বুধবার জেকেজির সিইও আরিফ চৌধুরীকে দ্বিতীয় দফায় আরো চারদিনের রি’মান্ডে আনা হয়। এর আগে গত সোমবার ডা. সাবরিনাকে তিন দিনের রি’মান্ডে নিয়ে জি’জ্ঞাসাবাদ করছিল ডি’বি পু’লিশ। ডা. সাবরিনার বৃহস্পতিবার রি’মান্ড শেষ হয়। শুক্রবার তাকে আবারো দ্বিতীয় দফায় দুই রি’মান্ডে নেয়া হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here