শাশুড়ি-বউমার সম্প’র্ক মানেই কি সং’ঘাত-ঝগড়া-অশান্তি? আদতে যদি হ্যা বলি তাহলে সবাই এক বাক্যে হ্যাই বলবেন। তবে কিছু যে ব্যাতিক্রম নয় তা কিন্তু নয়। এইতো দেখু’ন কোলে তুলে বউমার অভিমান ভাঙাচ্ছেন শাশুড়ি। এই সময় দাঁড়িয়ে এই ভিডিয়ো মন জিতে নিয়েছে নেটপাড়ার।

এবার সেই ঘ’টনাই ঘটল। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি ভিডিয়ো। তাতে দেখা যাচ্ছে, বরের স’ঙ্গে ঝগড়া হয়েছে স্ত্রীর। তা দেখে শাশুড়ি এগিয়ে আসতেই আহ্লাদে আটখানা হয়ে শাশুড়ির কোলেই উঠে পড়লেন বউমা। আর শাশুড়িও তাতে বিন্দুমাত্র অস্বস্তি তো বোধ করলেনই না, বরং ছোট বাচ্চার মতোই বউমাকে কোলে নিয়ে আদর করতে থাকলেন তিনি। শুধু তাই নয়, কোলে নিয়ে আদর করতে-করতেই কখনও বউমাকে ডাকছেন ‘পেঁচি’, কখনও বা ‘রাণী’ বলে। ভিডিয়োটির স’ঙ্গে লেখা রয়েছে, ‘বউ যখন ছেলের সাথে বাওয়াল করে রাতে ‘খাব না’ বলে তখন ছেলের মা…’ নাহলে হয়ত বোঝা কঠিন তাঁরা শাশুড়ি-বউমা।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, শুধু কোলে নিয়ে আদরই নয়, বউমার শ’রীর স্বাস্থ‍্যের দিকেও তীক্ষ্ণ নজর রয়েছে শাশুড়ির। শ’রীরের খেয়াল রাখে না বউমা, তাই কোলে নিয়ে মাঝেমধ্যে বকুনিও দিচ্ছেন। আর বকা খেয়ে আরো যেন আহ্লাদিত হয়ে শাশুড়ির ঘাড়ে মুখ লুকাচ্ছেন বউমা। আসলে স্বা’মীর স’ঙ্গে ঝ’গড়ার কারণেই মন খা’রাপ হয়েছে বউমার। তাই যেন স্বা’মীর পরই সবচেয়ে প্রিয় মানুষটার গ’লা জড়িয়েই ব‍্যক্ত করছেন অভিমান।

ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ঝড় তুলেছে। বহু মানুষ শেয়ার, লাইক, কমেন্টে ভরিয়ে দিয়েছেন। কেউ লিখেছেন, ‘এমন সম্প’র্ক আজো দেখা যায়!’ কেউ বা লিখেছেন, ‘২০২০ সালে এসে এ দৃশ্য ব্যতিক্রম। সব ঘরেই শাশুড়ি-বউমার সম্প’র্ক এমনই হোক।’

কখনো যদি আমরা কারোর প্রতি আকৃ’ষ্ট হয় এর মানে এটা নয় তার সাথে প্রেম ভালোবাসা সম্প’র্ক হয়েছে। আবার অনেক সময় সামনের জনের সাথে আলাপ না হয়েই আমরা তার প্রেমে পড়ে যায়। সবটা আমাদের হৃদয়ের খেলা। সেখানে কখন কি চলে আমাদের পক্ষে বোঝা সহজ নয়।

প্রেম ভালোবাসা মূ’লত দুই ধরণের হয়ে থাকে, একরকম যেটা স্বল্প সময়ের জন্য। মজা মস্তি আ’নন্দের জন্য। আর একরকম হয় যেটা দীর্ঘদিনের জন্য এমনকি অনেক সময় এই সম্প’র্ক বিয়ের পিঁড়িতেও পৌঁছে যায়।

দুজন ছেলে মে’য়ের মধ্যে যদি একে অপরকে ভালো লাগে, সেখান থেকে কথা বলা ওবং পরে বন্ধুত্ব হয়ে ওঠা পরে এটি প্রেম সম্প’র্কে পরিণত হয়। প্রেম তো যে কেউ করতে পারে কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই প্রেম টিকিয়ে কিভাবে রাখা যায় সে বি’ষয়ে আমাদের জানা প্রয়োজন। তাহলে জেনে নেয়া যাক।

১. পছন্দের স’ঙ্গী বা স’ঙ্গিনীকে সময় দিন:
প্রেমে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সময় দেওয়া। ছেলে হোক বা মে’য়ে আপনার কর্তব্য আপনার ভালোবাসার মানুষকে যথেষ্ট সময় দেওয়া। কাজের বাহা’না, বন্ধুদের আড্ডার বাহা’না দিয়ে অবহেলা করা ঠিক নয়। এতে তার আপনার প্রতি বিশ্বাস কমে যায়।

২. ভালোবাসার মানুষকে সম্মান দিন:
মে’য়েদের কাছে টাকার থেকে সম্মানটা অনেক দামি। তারা চায় তার বয়ফ্রেন্ড তাকে সম্মান করুক। মে’য়েরা ছেলেদের কাছে সম্মান পেতে চায়। আপনি তাকে সম্মান করুন দেখু’ন আপনাদের প্রেম সম্প’র্ক আরো মজবুত হবে আরো মধুর হবে। শত বা’ধা আসলেও সে আপনাকে আঁকড়ে থাকবে।

৩. কখনো বিশ্বাস ভাঙবেন না:
সময় এবং সম্মান এর পর গুরুত্বপূর্ণ যদি কিছু থাকে সেটি হল বিশ্বাস। কথায় আছে বিশ্বাসে পুরো দুনিয়া চলে। তাই এমন কিছু করে বসবেন না যাতে অপনার স’ঙ্গী বা স’ঙ্গিনীর আপনার উপর থেকে বিশ্বাস হা’রিয়ে যায়। প্রয়োজনে তাকে সত্যি বলুন, কিছু সময়ের জন্য আপনাকে ছেড়ে থাকলেও পরে আবার আপনার কাছেই ফিরে আসবে। আর বিশ্বাস এমন একটা জিনিস যা একবার হারালে তা পুনরায় অর্জন করতে অনেক সময় লেগে যায়।

৪. মাঝে মাঝে সাথে ঘুরতে যাওয়া ও উপহার দেওয়া:
প্রেম শুধু কলেজ বা টিউশনে সীমাবদ্ধ থাকলে তা পরিণতি পায় না। সম্প’র্ক দীর্ঘ সময় টিকিয়ে রাখতে তাকে আলাদা করে সময় দিন। তার সাথে আলাদা ভাবে সময় কা’টান। যেখানে দুজন দুজনের ব্যাপারে আরো একটু বেশি করে জানতে পারবেন। সুযোগ হলে কোথাও ঘুরতে যেতে পারেন।

নিজের স’ঙ্গী বা স’ঙ্গিনীকে খুশি করতে মাঝে মাঝে উপহার প্রদান করুন। উপহার মানে টাকা নয়। আসল উপহারের কোনো মূ’ল্য হয় না, যেখানে টাকা কম অনুভূতি বেশি থাকে। আপনার ক্ষ’মতা মত আপনি মন থেকে প্রিয়জনকে উপহার দিন। এতে আপনার উপর তারা ভরসা আরো বেড়ে যাবে। আপনি যে তার জন্য কতটা ভাবেন এটা সে উপলব্ধি করতে পারবে।

আশা করছি উপরে বর্ণিত কিছু উপায় আপনাদের কাজে আসবে। এই বি’ষয়ে আপনাদের কোনো মন্তব্য থাকলে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট করে জানান। আমরা আপনাদের কমেন্ট পেয়ে খুশি হব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here