অনেকেই অতিরিক্ত হ’স্তমৈ’থুনের
ফলে শ’ক্তি হ্রাস সহ নানাবিদ শা’রীরিক
সমস্যায় ভোগেন। তার মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য
হলোঃ

১. শা’রীরিক ব্য’থা এবং মাথা ঘোরা।
২. যৌ’ন ক্রিয়ার সাথে জড়িত স্নায়ুতন্ত্র
দু’র্বল হওয়া অথবা ঠিক মত কাজ না করার
পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া।
৩. শ’রীরের অন্যান্য অ’ঙ্গ যেমন: হজম
প্রক্রিয়া এবং প্রসাব প্রক্রিয়ায়
সমস্যা সৃষ্টি করে। দ্রু’ত বী’র্যস্থলনের প্রধান
কারণ অতিরিক্ত হ’স্তমৈ’থুন।

৪. হ’স্তমৈ’থুনের ফলে অনেকেই কানে কম
শুনতে পারেন এবং চোখে ঘোলা দেখতে
পারেন। তবে, যারা হ’স্তমৈ’থুনে অভ্যস্ত,
তাদের পক্ষে হঠাৎ করে হ’স্তমৈ’থুন ত্যাগ করা
সম্ভব নয়। তাই ধীরে ধীরে হ’স্তমৈ’থুন ত্যাগ
করুন এবং অকাল বী’র্যপাত রোধ করুন।

হ’স্তমৈ’থুন ছাড়ার টিপস
▬►কোন কোন সময় হ’স্তমৈ’থুন বেশি করেন, সেই
সময়গুলো চিহ্নিত করুন। বা’থরুম
বা ঘুমাতে যাওয়ার আগে যদি উ’ত্তেজিত
থাকেন, বা হঠাত কোন সময়ে যদি এমন ইচ্ছে
হয়, তাহলে সাথে সাথে কোন শা’রীরিক
পরিশ্রমের কাজে লাগে যান। যেমন বুকডন বা

▬► যতটা সম্ভব নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখু’ন।
▬►ধৈ’র্য ধরতে হবে। একদিনেই
নে’শা থেকে মুক্তি পাবেন, এমন হবে না।
একাগ্রতা থাকলে ধীরে ধীরে যে কোন
নে’শা থেকেই বের হয়ে আসা যায়। মাঝে
মাঝে ভু’ল হয়ে যাবে। তখন হতাশ হয়ে সব
ছেড়ে দেবেন না। চেষ্টা করে যান।
করতেই থাকুন। ইনশাআল্লাহ আপনি সফল
হবেনই।

▬►যে কোন উপায়ে প’র্ণমুভি আর
চ’টি এড়িয়ে চলুন।
▬►কম্পিউটারে প’র্ণ দেখতে দেখতে হ’স্তমৈ’থুন
করলে কম্পিউটার
লিভিং রুমে নিয়ে নিন যাতে অন্যরাও
দেখতে পায় আপনি কী করছেন। এতে প’র্ণ
সাইটে ঢোকার ইচ্ছে কমে যাবে।

▬►যেসব ব্যাপার আপনাকে হ’স্তমৈ’থুনের দিকে
ধাবিত করে, সেগুলো ছুড়ে ফেলুন, সেগুলো
থেকে দূরে থাকুন। যদি মাত্রাতিরিক্ত
হ’স্তমৈ’থুন থেকে সত্যি সত্য মুক্তি পেতে চান
তাহলে প’র্ণ মুভি বা চ’টির কালেকশন থাকলে

সেগুলো এক্ষুনি ন’ষ্ট করে ফেলুন।
পুড়িয়ে বা ছিড়ে ফেলুন। হার্ডড্রাইভ বা
মেমরি থেকে এক্ষুনি ডিলিট করে দিন।
ইন্টারনেট ব্যবহারের আগে ব্রাউজারের
প্যারেন্টাল কন্ট্রোল-এ গিয়ে এডাল্ট
কন্টেন্ট ব্লক করে দিন। কোন সে’ক্স টয়
থাকলে এক্ষুনি গার্বেজ করে দিন।

▬►হ’স্তমৈ’থুন একেবারেই ছেড়ে দিতে হবে না।
নিজেকে বোঝাবেন যে মাঝে মাঝে
করবেন। ঘনঘন নয়।

▬►যারা বাজে বি’ষয় নিয়ে বা মে’য়েদের
নিয়ে বা প’র্ণ
মুভি বা চ’টি নিয়ে বেশি আলোচনা করে,
তাদেরকে এড়িয়ে চলুন।

▬►হ’স্তমৈ’থুনে চ’রম ভাবে এডিক্টেড হলে
কখনোই একা থাকবেন না, ঘরে সময় কম
কা’টাবেন, বাইরে বেশি সময় কা’টাবেন।
জগিং করতে পারেন, সাইকেল নিয়ে ঘুরে
আসতে পারেন। ছাত্র হলে ক্লাসমেটদের
সাথে একসাথে পড়াশুনা করতে পারেন।
লাইব্রেরি বা কফি শপে গিয়ে সময় কা’টাতে
পারেন।

▬►সন্ধ্যার সময়ই ঘুমিয়ে পড়বেন না। কিছু
করার না থাকলে মুভি দেখু’ন বা বই পড়ুন।
▬►ভিডিও গেম খেলতে পারেন। এটাও
হ’স্তমৈ’থুনের কথা ভু’লিয়ে দেবে।

▬►সে’ক্সুয়াল ব্যাপারগুলো একেবারেই
এড়িয়ে চলবেন। এধরনের কোন শব্দ বা মন্তব্য
শুনবেন না।
▬►ছোট ছোট টার্গেট সেট করুন। ধরুন প্রথম
টার্গেট টানা দুইদিন হ’স্তমৈ’থুন করবেন না।
দুইদিন
না করে পারলে ধীরে ধীরে সময় বাড়াবেন।

▬►যখন তখন বিছানায় যাবেন না। কোথাও
বসলে অন্যদের স’ঙ্গ নিয়ে বসুন।
▬►বা’থরুম শাওয়ার নেয়ার সময় হ’স্তমৈ’থুনের
অভ্যাস থাকলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বা’থরুম
থেকে বের হয়ে আসতে চেষ্টা করুন।
▬►যখনি মনে সে’ক্সুয়াল চিন্তার উদয় হবে,
তখনই অন্য কিছু নিয়ে চিন্তা করবেন।

▬►বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সবার
সাথে বেশি সময় কা’টান।
▬►ধ্যান বা মেডিটেশন করতে পারেন। যোগ
ব্যায়াম করতে পারেন।

▬►নিজের পরিবারের কথা চিন্তা করবেন,
আপনার সাথে যারা আছে তাদের কথা
ভাববেন।

▬►অপরের সাহায্য নিতে ভু’ল করবেন না।
রাতের বেলা হ’স্তমৈ’থুন করলে কারো সাথে
রুম শেয়ার করুন। বা দরজা জানালা খোলা
রেখে আলো জ্বালিয়ে ঘুমান।
যখন দেখবেন যে সব চেষ্টা করেও
একা একা সফল হতে পারছেন না, তখন
বন্ধুবান্ধব, পরিবার, ডাক্তার- এদের সাহায্য
নেয়া যায়। এখানে লজ্জার কিছু নাই।

▬►কোনদিন করেন নাই, এমন নতুন কিছু করার
চেষ্টা করুন।
▬►উপুর হয়ে ঘুমাবেন না।
▬►বিকেলের পরে উ’ত্তেজক ও গুরুপাক খাবার
খাবেন না।
▬►গার্লফ্রেণ্ড বা প্রে’মিকাদের
সাথে শুয়ে শুয়ে, নির্জনে বসে প্রেমালাপ
করবেন না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here