অন্তত ৮৪ জন না’রীকে হ’ত্যা করেছেন তিনি। তাদের কাউকে হা’তুড়ির আ’ঘাতে আবার কাউকে ছু’রি মে’রে। জানা গেছে, অনেককে কুঠার দিয়ে কু‌‌’পিয়ে হ’ত্যা করেছেন এবং কাউকে প্রা’ণে মে’রেছেন শ্বা’স রোধ করে। বিশ্বের সবচেয়ে নৃ’শংস এই সিরিয়াল কিলারের নাম মিখাইল পোপকভ।

রাশিয়া পু’লিশের সাবেক সদস্য মিখাইল ১৮ বছর থেকে ৫০ বছর ব’য়সী না’রীদের ধ’র্ষণের পর খু’ন করতেন। সম্প্রতি তার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে গেছে।

সেই ভিডিওতে রয়েছে হাড়হিম করে দেওয়া স্বীকারোক্তি। কেন, কবে, কিভাবে তিনি না’রীদের নৃ’শংসভাবে হ’ত্যা করেছেন, সে ব্যাপারে তার বর্ণনা রয়েছে ওই ভিডিওতে।

১৯৯২ সাল থেকে ২০১০ পর্যন্ত ৮৪ জন না’রীকে হ’ত্যা করেছের মিখাইল। আপাতত পু’লিশের হিসাব সেটাই বলছে। যদিও এই নৃ’শংস সিরিয়াল কিলার নিজে ৮১ জনকে হ’ত্যার কথা স্বীকার করেছে।

মেডিকেলের প্রশ্নপত্র ফাঁ’সের ঘ’টনায় ৩ জনকে সাতদিনের রি’মান্ড

মেডিকেল পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁ’সের ঘ’টনায় গ্রে’ফতার ৫ জনের ৩ জনকে ৭ দিন করে রি’মান্ড দিয়েছেন আ’দালত। বাকি দু’জন স্বী’কারোক্তিমূ’লক জবানব’ন্দি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) তাদেরকে আ’দালতে হাজির করলে এ নির্দেশ দেন বিজ্ঞ আ’দালত।

এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে পু’লিশের অ’প’রাধ ত’দন্ত বিভাগ (সিআইডি) মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র স্বাস্থ্য অধিদফতরের ছাপাখানা (প্রেস) থেকেই ফাঁ’স করা হতো বলে জানায়।

সিআইডি জানায়, স’ন্দে’হভাজন হিসেবে গত ১৯ জুলাই এস এম সানোয়ার হোসেনকে গ্রে’ফতার করা হয়। তার দেয়া ত’থ্যের ভিত্তিতে মিরপুরে অ’ভিযান চা’লিয়ে গ্রে’ফতার করা হয় আরো ৫ জনকে।

সিআইডি জানায়, প্রেসের মেশিনম্যান সালাম এবং তার খালাতো ভাই জসীম- এ দুজন গড়ে তুলেছিলেন এ চ’ক্র। দীর্ঘদিনের অনুসন্ধানে পুরো চ’ক্রটিকে চিহ্নিত করেছে সিআইডির ত’দন্তকারী দল।

সিআইডি আরো জানায়, দেশব্যাপী চ’ক্রটির প্রায় অর্ধশত সহযোগীর খোঁজ পাওয়া গেছে। আ’সামিরা সংঘবদ্ধ চ’ক্র হিসেবে ২০১৩ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ছাপাখানা থেকে মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁ’স করেছে। মো’টা অংকের অর্থের বিনিময়ে শিক্ষার্থীদের কাছে সেই প্রশ্ন পৌঁছে দিতো তারা।
চট্টগ্রামে ৯ ধ’র্ষণ মা’মলার আ’সামি পু’লিশের স’ঙ্গে ‘ব’ন্দুকযু’দ্ধে’ নি’হত

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here