এবার স’রকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাড়ে তিন লাখ সহকারী শিক্ষকের বেতন স্কেল এক ধাপ বাড়িয়ে ১৩তম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। শিক্ষকদের দাবি,

এ গ্রেডে শিক্ষকদের বেতন বাড়ার পরিবর্তে প্রতিমাসে এক থেকে দেড় হাজার টাকা কমে যাবে। আজ রবিবার (২৬ জুলাই) দেশের একটি প্রথম সারির জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ ত’থ্য জানা যায়।

এদিকে শিক্ষকরা বলছেন, সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেড তারা সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করছেন। কারণ ওই গ্রেডে বেতন নির্ধারণ করলে শিক্ষকদের বেতন বাড়বে না; বরং অধিকাংশ শিক্ষকদের বেতন কমে যাবে।

১০ বছর ও ১৬ বছর পূর্তির পর প্রধান শিক্ষকদের সাথে সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য কয়েকগুণ বেড়ে যাবে। সে কারণে ১৩তম গ্রেডের উপরের ধাপে বেতন নির্ধারণ করা হলেও শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে যাওয়ার ফল পাবেন।

১৩তম গ্রেডের নিম্নধাপে বেতন নির্ধারণ করলে শিক্ষকদের বেতন ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত কমে যাবে, যা চাকরিজীবনে আর সমন্বয় করা সম্ভব

হবে না। এই বি’ষয়ে অর্থস’চিব তাদের কথা দিয়েছিলেন যে, তাদের বেতন নিম্নধাপের পরিবর্তে উচ্চধাপে হবে এবং সেখানে পিপি বলতে কিছু থাকবে না।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেন, বেতন স্কেল নির্ধারণের সাধারণ নিয়ম হলো ধাপে মিললে মিলল, না মিললে পে-প্রটেকশন দিয়ে পরের ধাপের ইনক্রিমেন্ট পেয়ে তা সমান হবে।

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ধরুন কেউ ৩১২৫ টাকা বেতন পান। নতুন গ্রেডে বেতন স্কেল ৩১০০ টাকায় ফিক্সেশন হলেও তার ২৫ টাকা মার যাবে না। পিপি হিসেবে পরের বছর ইনক্রিমেন্টের স’ঙ্গে তা যোগ হবে।

এদিকে বেতন স্কেল নির্ধারণের পাশাপাশি ১৩তম গ্রেডের সুবিধা সহকারী শিক্ষকদের সবাই পাবেন কিনা এটা নিয়েও জটিলতা দেখা দিয়েছে। ২০১৯ সালের নতুন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগবিধিতে সব শিক্ষকের নিয়োগ যোগ্যতা দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক ডিগ্রি নির্ধারণ করা হয়েছে।

১৩তম গ্রেডের বেতন স্কেল উন্নীতকরণের প্রজ্ঞাপনেও শিক্ষাগত যোগ্যতার বি’ষয়টি উল্লেখ থাকায় বিপুল সংখ্যক সহকারী শিক্ষক ১৩তম গ্রেড থেকে বঞ্চিত হতে পারেন বলে আ’শঙ্কা করা হচ্ছে।তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা ম’ন্ত্রণালয় থেকে এ বি’ষয়ে এখনও কোনো সি’দ্ধান্ত জানানো হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here