মডেল-অভিনেত্রী সানাই মাহবুবের শ’রীরে ক’রোনা ভাই’রাস শনাক্ত হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) ক’রোনা পরীক্ষায় পজিটিভ আসে। বি’ষয়টি সানাই নিজেই নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রামের একটি বেস’রকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছি। আমি দোয়া চাই ভ’য়ংকর এই ভাই’রাসের হাত থেকে যেন মুক্ত হতে পারি। আবার যেন কাজে ফিরতে পারি, সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে পারি।

জানা যায়, দুই সপ্তাহ আগে সানাইয়ের শ’রীরে ক’রোনার লক্ষণ দেখা দেয়। আ’তঙ্ক নিয়েই নমুনা পরীক্ষা করেন তিনি। অবশেষে বুধবার ফলাফল এসেছে, সেখানে তার ক’রোনা পজিটিভ পাওয়া যায়।

এদিকে, সানাইয়ের শ’রীরে ক’রোনাভা’ইরাসে শনাক্তের পর পরিবারের অন্য সদস্যদের কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, বিশেষ এক ধরনের র’ক্তচো’ষা পোকার কামড় থেকে ছড়িয়ে পড়ছে ভাই’রাসের সং’ক্র’মণ। চীনের নতুন এই ভাই’রাসে এরই মধ্যে সাত জনের মৃ’ত্যু হয়েছে বলে স’রকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। সংক্রামিতের সংখ্যা ৬০ ছাড়িয়েছে।

চীনের গ্লোবাল টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, পূর্ব চীনের জিয়াংসু প্রদেশ এখনও পর্যন্ত ৩৭ জনের শ’রীরে নয়া SFTS ভাই’রাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এই ভাই’রাসের কমন লক্ষণের মধ্যে রয়েছে জ্বর, সর্দিকাশি, সেইস’ঙ্গে লিউকোসাইটের সংখ্যা হ্রাস।

যাকে একস’ঙ্গে বলা হচ্ছে SFTS। অন্য দিকে, পূর্ব চীনের আনহুই প্রদেশও আরও ২৩ জন নয়া ভাই’রাসে আ’ক্রান্ত। কো’ভিড ভাই’রাসের মতো নয়া SFTS ভাই’রাস প্রা’ণঘা’তী কি না, তা এখনও পরীক্ষা-নিরীক্ষার স্তরে আছে। তবে, কো’ভিড থেকে শিক্ষা নিয়ে এ বার আর গাছাড়া মনোভাব দেখাচ্ছে না চীন। বিশেষত, সাত জনের প্রা’ণহা’নির উপর।

জিয়াংসু প্রদেশের রাজধানী নানজিংয়ের এক আ’ক্রান্ত না’রী জ্বর-সর্দির মতো সাধারণ উপসর্গ নিয়ে চিকিৎ‌সকের কাছে গিয়েছিলেন। জ্বর না-কমায় চিকিৎ‌সকেরা র’ক্তপরীক্ষা করাতে দেন। দেখা যায় লিউকোসাইট কমে গিয়েছে।

প্লেটলেটের সংখ্যাও স্বাভাবিকের তুলনায় কম। হাসপাতালে রেখে এক মাসের উপর চিকিৎসা চলে। তার পরেই না’রী সুস্থ হয়ে ওঠেন। পরে, জানা যায় না’রী নতুন ভাই’রাসে আ’ক্রান্ত।

গ্লোবাল টাইমসের রিপোর্টে বলা হয়েছে, আনহুই ও জিয়াংসু প্রদেশে নয়া ভাই’রাসের সং’ক্র’মণে সাত জন এ পর্যন্ত মা’রা গেছেন। যদি চীনের ভাই’রাস বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, SFTS ভাই’রাস (SFTS Virus) আদতে নতুন ভাই’রাস নয়। ২০১১ সালেই এই ভাই’রাসের প্যাথোজেনকে পৃথক করা হয়। এটি বুনিয়াভাই’রাস (Bunyavirus)-এর ক্যাটেগরিতে পড়ছে।

ভাইরোলজিস্টদের ধারণা, বিশের একধরনের র’ক্তচো’ষা পোকার কামড় থেকেই মানুষের শ’রীরে এই ভাই’রাস সংক্রামিত হয়েছে। তবে, মানুষ থেকে মানুষের শ’রীরে সংক্রামিত হওয়ার আ’শঙ্কা তাঁরা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না।

র’ক্ত বা মিউকাস থেকে ছড়িয়ে পড়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে বলে সতর্ক করেছেন চীনের ঝিজিয়াং বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের চিকিৎসক শেং জিফাং।

চিকিত্‍‌সকেরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, পোকার দংশনই হল প্রধান সং’ক্র’মণ রুট। তাই একটু সাবধানে থাকতে হবে। তবে, এই ভাই’রাসের সং’ক্র’মণ নিয়ে আ’তঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই, এটি বলে। তবে, এই বুনিয়াভাই’রাস নিয়ে এখনই আ’তঙ্কিত হয়ে পড়ার মতো কিছু ঘটেনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here