সমকামিতা নাম শুনেই কপাল ঘুচিয়ে নাক শিটকান অনেকেই। একে অনেক বিশেষজ্ঞ মা’নসিক বিকারগ্রস্তের কারণও বলেছেন। আবার কেউ কেউ এ ধরনের যৌ’নাচারণকে প্রকৃতিবিরুদ্ধও বলে থাকেন।

তবে যে যাই বলুক না কেন, ইসলাম ধর্মে পুরোপুরিভাবে নি’ষিদ্ধ এটি। এমনকি পবিত্র কোরআনেও সমকামিতার জন্য একটি জাতি ধ্বং’স হওয়ার কাহিনীও বর্ণনা করা আছে। সমকামিতার জন্য লূত (আ:) এর জাতির ধ্বং’সের কাহিনী সব মু’সলিমেরই জানা উচিত।

তবে জানেন কি? এত কিছুর পরও বিশ্বের কিছু মু’সলিম দেশ রয়েছে যেগুলোতে সমকামিতা নি’ষিদ্ধ নয়। বরং তাদের রক্ষণাবেক্ষণে নেয়া হয় নানা পদক্ষেপ। আইনি সুযোগ সুবিধাও পান তারা। জেনে নিন এইসব মু’সলিম দেশগুলো সম্প’র্কে-

তুরস্ক: মু’সলিম দেশগুলোর মধ্যে ইসলাম ধর্ম কড়াকড়িভাবে পালন করে এমন একটি দেশ তুরস্ক। সেই দেশেই সমকামিতা বৈধ। ১৮৫৮ সালে অটোমান সাম্রাজ্য সমকামিতাকে বৈধতা দেয়।

তাই বৈধ হলেও মালির সমকামীরা বেশ ভালোই বৈষম্যের শি’কার হন। মালির আইনে সমকামিতা নিয়ে কিছুই বলে নেই। তবে অ’শ্লীলতা এবং অভদ্রোচিত আচরণকে সেখানে একেবারেই সমীহ করা হয় না।

জর্ডান: ১৯৫১ সালে দেশটিতে সমকামিতাকে বৈধতা দেয়া হয়। অন্যান্য মু’সলিম প্রধান দেশের তুলনায় সেখানকার সমকামীরা বেশ ভালোই আছে। স’রকারও আইন করে সমকামীদের অনার কিলিং (আন্ডার ওয়ার্ল্ড) এর হাত থেকে রক্ষা করেছে।

ইন্দোনেশিয়া: বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মু’সলমানের বাস এই দেশটিতে। সেখানকার আইনে সমকামিতাকে অ’পরাধ বলে গণ্য করা হয়না। ২০০৩ সালে একবার সেরকম উদ্যোগ নেয়া হলেও সেটি পরবর্তিতে ব্যর্থ হয়।

আলবেনিয়া: দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের এই দেশটিতে সমকামিতা বৈধ। এমনকি আইন করে সমকামীদের বৈষম্যের হাত থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

বাহরাইন: ১৯৭৬ সালে সেখানে সমকামিতাকে আইনগত বৈধতা দেয়। তবে দেশটিতে এখনও প্রকাশ্যে ছেলেরা মে’য়েদের, কিংবা মে’য়েরা ছেলেদের পোশাক পরতে পারে না।

ফিলিস্তিন: পশ্চিম তীরের জর্ডান অংশে ১৯৫১ সাল থেকে সমকামিতা বৈধ। তবে গাজাতে এই প্রথা একেবারেই নি’ষিদ্ধ। মজার ব্যাপার হচ্ছে, গাজায় যে আইনের কারণে সমকামিতা নি’ষিদ্ধ সেটা বলবৎ হয়েছে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে।

অন্যান্য মু’সলিম প্রধান দেশের তুলনায় সেখানকার সমকামীরা বেশ সু’খেই আছে। কারণ স’রকারও আইন করে সমকামীদের আনার কিলিং (আন্ডার ওয়ার্ল্ড) দের থেকে রক্ষা করেছে।

ইরাক: সারাবিশ্বের মু’সলিম দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ইরাক। তবে নানা কুসংস্কার আর সমকামিতার মতো ব্যাপারেও তাদের রয়েছে বৈধতা। দেশটি সমকামিতাকে বৈধতা দিলেও বি’ষয়টি এখনো সেখানে ট্যাবু হয়েই আছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here