দীর্ঘ ক্ষণ অফিসে বসে বসে কাজ করতে হয়? নাকি সারাদিন নানা জায়গায় ঘুরে ঘুরে বা সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ করতে হয়? দৈনন্দিন বাড়তে থাকা কাজের চা’পের স’ঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ঘাড়, কোমর আর পিঠের ব্য’থা!

স’মস্যা যতই হোক না কেন, দ্রু’ত করে কাজের ধরন বদলে ফেলা কখনওই সম্ভব নয়। তবে কাজের চা’পে বাড়তে থাকা ঘাড়, কোমড় আর পিঠের ব্য’থা থেকে মুক্তি পেতে আমাদের জীবনযাত্রায় কতগুলো পরিবর্তন আনা জরুরি।

পরিবর্তন আনা জরুরি আমাদের হাঁটা-চলা বা বসার অভ্যাসেও। আসুন জেনে নেওয়া যাক কাজের চা’প সামলে ঘাড়, কোমড় আর পিঠের ব্য’থা থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ উপায়…

১. যদি দীর্ঘ ক্ষণ আপনাকে অফিসে বসে কাজ করতে হয়, সেক্ষেত্রে মাঝে মধ্যে ২-৩ মিনিটের জন্য ‘ব্রেক’ নিয়ে একটু হেঁটে আসুন। চিকিত্সকরা জানাচ্ছেন, ২ ঘণ্টা একটানা বসে থাকলে শ’রীরের ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা এক ধাক্কায় প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়।

৩. বেড়াতে যাওয়ার সময় বা কাজে বের হওয়ার আগে আমরা অনেকেই পিঠে ভারী ব্যাকপ্যাক নিয়ে থাকি। বেশি ওজনের ব্যাগ দীর্ঘক্ষণ ধরে বইতে হলে দু’ কাঁধে সমান ভার না পড়লে কাঁধে বা পিঠে ব্য’থা হয়। তাই ব্যাগ এমনভাবেই নিতে হবে যাতে দু’কাঁধে সমান চা’প পড়ে।

৪. ফ্রোজেন শোল্ডার বা স্টিফ জয়েন্টের স’মস্যায় সার্ভিক্যাল কলার বা ব্যাক ব্রেস পরলে সাময়িক আরাম পাওয়া যায় ঠিকই, তবে এই অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদী হলেই বি’পদ! কারণ, চিকিত্সকদের মতে,

তেমন কোনও চোট, আ’ঘাত না থাকলে সার্ভিক্যাল কলার বা ব্যাক ব্রেস-এর ও’পর নির্ভর না করাই ভাল। এর থেকে ফিজিওথেরাপিস্টদের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়ম মেনে কসরত করাই ভাল।

৫. শোওয়ার সময় বালিশের উচ্চতা সঠিক না হলে বা বালিশ খুব শ’ক্ত বা খুব নরম হলে ঘাড়ে, পিঠে ব্য’থা হতে পারে। বালিশের উচ্চতা এমন হওয়া উচিত, যাতে কাঁধ আর ঘাড় না বেঁকিয়ে পিঠ মো’টামুটি সোজা বা সমান্তরাল রেখে শোওয়া যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here