আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ক’রোনা সং’ক্র’মণের লক্ষণ না থাকলেও সংক্রমিত হওয়ার অনেক উদাহরণ রয়েছে।

অনেকেই টেস্টের ব্যাপারটিকে খুবই হেলাফেলা করছেন, টেস্ট করাচ্ছেন না। কাজেই টেস্ট বা’ধ্যতামূ’লক এবং সবাইকে অবশ্যই ক’রোনা সং’ক্র’মণ হয়েছে কিনা এ ব্যাপারে পরীক্ষা করাতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার স’চিবালয়ে নিজ দপ্তরে সমসাময়িক বি’ষয় নিয়ে সাংবাদিকদের স’ঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ক’রোনার সং’ক্র’মণ রোধে মানুষের মাঝে অবহেলা রয়েছে। জনসাধারণের মাঝে অবহেলা দেখা যাচ্ছে। দেখা যাচ্ছে গা-ছাড়া ভাব।

প্রতিবেশী দেশ ভারতে প্রতিদিন সং’ক্র’মণের সংখ্যা ৯০ হাজার থেকে এক লাখে পৌঁছে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এজন্য পার্শ্ববর্তী দেশ হিসেবে আমাদের সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে।

এরই মাঝে ইউরোপসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দ্বিতীয় তরঙ্গ আ’ঘাত হানছে। এ প্রেক্ষাপটে আমাদের কোনভাবেই হেলাফেলা করার সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।

নরেন্দ্র মোদী প্রমান করল সে কারো বন্ধু নয়

বাংলাদেশ যেদিন ভারতে ইলিশ রপ্তানি শুরু করলো, ঠিক সেদিনই দিল্লি জানালো তারা বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করবে। গত বছরও সেপ্টেম্বর মাসে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেছিল, তবে সেটা শুধুমাত্র বাংলাদেশে নয়, সারা বিশ্বেই তারা পেঁয়াজ পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছিল।

গত বছর ভারত এই সি’দ্ধান্তটা নিয়েছিল সেপ্টেম্বরের একেবারে শেষের দিকে। আর এ বছর একটু আগেই তারা পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করলো।কয়েকদিন ধরেই বলা হচ্ছিল, বাংলাদেশ-ভারত সম্প’র্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

বাংলাদেশের স’ঙ্গে ভারতের সম্প’র্ক র’ক্তের ঋ’ণে আবদ্ধ বলে বাংলাদেশের কোনো কোনো মন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন। কিন্তু ভারত যে কারও বন্ধু হয় না, সেটা তারা বারবার প্রমাণ করে যাচ্ছে। গতকাল নতুন করে তারা এর আরেকটি দৃষ্টান্ত দেখালো।

ভারত প্রমাণ করলো যে, বন্ধুত্ব দূরে থাক, ন্যূনতম সৌজন্যবোধও তাদের নেই। কারণ বাংলাদেশের ইলিশের প্রথম শিপমেন্ট যেদিন বেনাপোল পৌঁছালো, সেদিনই তারা পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দিল।

সৌজন্যবোধ থাকলে দু’এক পরে তারা এই ঘোষণা দিতে পারতো। বাংলাদেশের পেঁয়াজের বাজার অস্থিতিশীল করার জন্যই এই ‘হঠাৎ ঘোষণা’ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শুধু পেঁয়াজ নয়, এর আগেও ভারত একাধিকবার বাংলাদেশের ব্যাপারে হঠকারী পদক্ষেপ নিয়েছে এবং বাংলাদেশের জন্য অনিভিপ্রেত পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

যেমন- বারবার আমরা বলছি যে, সীমান্তহ’ত্যা যেন বন্ধ হয়, কিন্তু নিয়মিতই এই হ’ত্যাকাণ্ডগুলো চা’লিয়ে যাচ্ছে ভারত। তিস্তার পানি আরেকটি পুরোনো ইস্যু, যেটা নিয়ে কথা বলতে বলতে বাংলাদেশ এখন ক্লান্ত।

তিস্তার পানি নিয়ে বাংলাদেশ এখন ভারতের কাছে আর কিছু প্রত্যাশাও করে না। রো’হিঙ্গা সং’কটেও ভারত বাংলাদেশের পাশে তো দাঁড়ায়ইনি,

উল্টো জাতিসংঘের বিভিন্ন বৈঠকে মিয়ানমারের পক্ষে ভোট দিয়েছে। এ রকম আরও অনেক ইস্যু আছে যেগুলো নিয়ে ভারত বন্ধুবেশে কেবল বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণই করে গেছে।

ভারতের পররাষ্ট্রস’চিব তখনই বাংলাদেশে ছুটে আসেন, যখন ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ের কাজ চীনা কোম্পানি পায় বা সিলেট বিমানবন্দরের কাজ যখন চীনা কোম্পানীকে দেওয়া হয়। অর্থাৎ ভারত শুধু একটাই কথা ‘আমার এটা চাই আমার ওটা চাই।’ নিজেদের স্বার্থের জন্য তারা সবকিছুই করতে পারে।

শুধু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নয়, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রেও ভারতের নীতি ঠিক একই রকম। কদিন আগেই তারা নেপালে সার রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। এরপর নেপালের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করেন এবং সার রপ্তানির ব্যাপারে বলেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নেপালকে সার দিতে সম্মত হন।একটা সময় বলা হতো যে, মা’র্কিন যুক্তরাষ্ট্র যার বন্ধু, তার আর শ’ত্রুর প্রয়োজন নেই। বর্তমানে সার্ক অঞ্চলেও কি ভারতের ক্ষেত্রে এই একই কথা প্রযোজ্য?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here