ফের অ’গ্নিগ’র্ভ রাখাইন। রাজ্যজুড়ে নতুন করে সে’না সমাবেশ ঘ’টিয়েছে মিয়ানমার। সীমান্ত এলাকাতেও তাদের স’ন্দে’হজ’নক গতিবিধি বাড়ছে। ৩ বছর আগে (২০১৭ সালে) যেসব বি’ভ্রান্ত বৌদ্ধ যুবকদের সহায়তায় গণহ’ত্যা,

গ’ণধ’র্ষ’ণসহ ব’র্বর নি’র্যাত’নের মাধ্যমে রো’হিঙ্গাদের সমূ’লে উ’চ্ছেদ চে’ষ্টা চা’লিয়েছিল আজ সেই বৌদ্ধদের (মগ) টার্গেটে অপারেশন চালাচ্ছে মিয়ানমার আ’র্মি। তাদের টা’র্গেটে পরিবর্তন এলেও অশান্ত রাখাইন পরিস্থিতি বাংলাদেশের জন্য মা’থাব্য’থার কারণ হিসেবেই থাকছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট বলছে, বাংলাদেশ সীমান্ত সং’লগ্ন রাখাইন পুরোপুরি খালি করতে নয়া কৗশল গ্রহণ করেছে মিয়ানমার।

এতে তাদের অসৎ উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে মনে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। চীনা সংবাদ মাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট বার্তা সংস্থা এপি’র বরাতে চলতি বছরের জুনে রাখাইন পরিস্থিতি এবং ব্যাপক বাস্তুচ্যুতি সং’ক্রান্ত প্রথম রিপোর্ট করে।

আরাকান আ’র্মির স’ঙ্গে দেশটির সে’নাবা’হিনীর এক বছরেরও বেশি সময় ধরে যু’দ্ধ চলছে এবং সেই প্রেক্ষিতে তাদের নিধ’নে রাখাইনের স্থানীয় স’রকার অধিবাসী গ্রামগুলো খালির নির্দেশ দেয় বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রের বরাতে আল-জাজিরাসহ আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলোতে গত ক’মাস ধরে নিয়মিতভাবে রাখাইন পরিস্থিতি এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বেশেষে হাজারও মানুষের বা’স্তুচ্যুতি এবং দু’র্দ’শার সিরিজ রিপোর্ট প্রচার হচ্ছে।

অনলাইন আল-জাজিরার সর্বশেষ সাক্ষাৎকার ভিত্তিক রিপোর্ট বলছে, রাখাইন পরিস্থিতি এমন যে ম’রণঘা’তী ক’রোনার চেয়েও সেখানকার জনসাধারণ বেশি ভী’ত সম্প্রতি নিয়োগকৃত সে’নাবা’হিনীকে নিয়ে। রিপোর্টে উঠে এসেছে, রাখাইনে যখন তখন আ’কিস্ম’কভাবে গু’লি চলে।

গু’লির শব্দে স্থানীয়দের রাতের ঘুম হা’রাম। টার্গেটকৃত গ্রামে আ’গু’ন জ্বা’লিয়ে দেয়া হচ্ছে। ২০১৭ সালে রো’হিঙ্গাদের ও’পর যে ব’র্ব’রতা হয়েছিল প্রায় অভিন্ন কায়দায় মিয়ানমারের সে’নাবা’হিনী এখন রাতে গ্রামবাসীর ও’পর বেপ’রোয়া গু’লি চালাচ্ছে। বাড়িঘর পু’ড়িয়ে দেয়ায় আশ্রয়হীন গ্রামবাসী নি’রাপ’দ আ’শ্রয়ের সন্ধানে দি’গ্বিদিক ছুটছেন।

ঢাকার আ’শঙ্কা- পরিস্থিতির অবি’নতি ঘটলে রাখাইনে অবশিষ্ট প্রায় ৫ লাখ রো’হিঙ্গা এবং নি’র্যাতি’ত মগরা আন্তর্জাতিক সী’মান্তে আশ্রয় খুঁজতে পারে। রাখাইন সং’ক’ট নতুন মাত্রা পেতে পারে।

রাখাইন কনফ্লিক্টেরে বিদ্যমান বাস্তবতা এবং বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমুদ্র সীমান্ত সং’লগ্ন এলাকা দিয়ে গত শুক্রবার ভোরে আ’চমকা হাজারও বর্মি সে’নার স’ন্দে’হজনক পারাপার,

সী’মান্তের অন্তত তিনটি পয়েন্টে সৈন্যদের উপস্থিতির বি’ষয়ে উ’দ্বেগ এবং প্রতি’বাদ জানাতে ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত অং কিউ মোয়েকে রোববার তলব করে পররাষ্ট্র ম’ন্ত্রণালয়।

এসব অ’পতৎপ’রতা বন্ধ করে দুই দেশের মধ্যকার ভু’লবোঝাবুঝির অবসানে মিয়ানমারকে দ্রু’ত পদক্ষেপ নিতে বলে বাংলাদেশ। এ সময় একটি প্রটেস্ট নোটও রাষ্ট্রদূতের হাতে ধ’রিয়ে দেয়া হয়। পররাষ্ট্র ম’ন্ত্রণালয়ের মিয়ানমার সেলের মহাপরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেনের দপ্তরে রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল।

মিয়ানমার দেখভালকারী ঢাকার কূটনীতিকরা মানবজমিনকে গতকাল জানিয়েছেন, স’ন্দে’হজ’নক গতিবিধির মাধ্যমে রাখাইনে সে’না সমাবেশ দুই দেশের মধ্যে ভু’লবোঝাবুঝি সৃষ্টির সুযোগ তৈরি করতে পারে। কারণ ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে গণহ’ত্যা শুরুর প্রাথমিক পর্বে এভাবেই সেখানে সে’নাদের জড়ো করেছিল মিয়ানমার।

তাছাড়া ১১ই সেপ্টেম্বরের সে’না সমাবেশের কারণে রাখাইনে এখন যেসব রো’হিঙ্গা রয়েছেন, তাদের মধ্যে নতুন করে ভী’তি ছড়িয়ে পড়ার আ’শ’ঙ্কা দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, শুক্রবার ভোরে কা নিউন ছুয়াং, মিন গা লার গি ও গার খু ইয়া -সী’মান্তের এই তিন পয়েন্টে ট্রলার থেকে সৈন্যরা নেমেছে। এই পয়েন্টগুলোর মধ্যে অন্তত একটির দূরত্ব আন্তর্জাতিক সী’মান্তের ২০০ মিটারের মধ্যে।

সেদিন এক হাজারের বেশি সৈন্য সীমান্ত অঞ্চল দিয়ে রাখাইনে প্রবেশ করেছে বলে ঢাকা ধারণা পেয়েছে। বিভিন্ন সূত্র বলছে, রাখাইনে সে’না সমাবেশের একাধিক কারণ থাকতে পারে। সে’না উপস্থিতি বাড়িয়ে নিজেদের অবস্থানের জানান দিতে পারে মিয়ানমার।

তাছাড়া তিন-চার বছর ধরে, বিশেষ করে যারা ২০১৭ সালের আগস্টে রো’হিঙ্গা গণহ’ত্যার অপা’রেশনে যুক্ত ছিল, তাদের সী’মান্ত থেকে সরিয়ে অন্যত্র নেয়ার জন্যও এটি হতে পারে। স্মরণ করা যায়, আইসিসিতে দুই সৈন্যের জবানব’ন্দি রেকর্ডের পর থেকে পুরনো সে’নাদের রাখাইন থেকে ফেরত নিতে মরি’য়া হয়ে উঠেছে মিয়ানমার। নতুন করে আর যাতে কোনো সৈন্য পক্ষ ত্যাগ করতে না পারে, সে বি’ষয়ে তাদের নজর রয়েছে বলে রিপোর্ট মিলিছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here