ইনজুরি থেকে সেরে উঠতে পারেননি সার্জিও অ্যাগুয়েরো। মাঠের বাইরে থাকতে হবে আরো দুই মাস। যোগ দেননি ম্যানচেস্টার সিটির অনুশীলনে।

তাই তার আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে না থাকা বেশ অনুমেয়ই ছিল। কিন্তু ভিন্ন অবস্থা পিএসজি ফরোয়ার্ড অ্যাঞ্জে’ল ডি মারিয়ার। সবশেষ মৌসুমে খেলেছেন দুর্দান্ত।

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে পিএসজির রানার্স আপ হওয়ার পেছনে রেখেছেন বড় অবদান। তবু ডাক পাননি জাতীয় দলে।

ইকুয়েডর ও বলিভিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের জন্য ঘোষিত ৩০ সদস্যের স্কোয়াডে ডি মারিয়া ও অ্যাগুয়েরোকে রাখেননি আর্জেন্টিনা কোচ। দীর্ঘদিন পর ফেরানো হয়েছে আলেজান্দ্রো গোমেজ, জিওভানি সিমিওনেদের।

গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, হুয়ান মুসো, আগুস্তিন মার্চেসিন

ডিফেন্ডার: হুয়ান ফয়েথ, রেনসো সারাভিয়া, জার্মান পেজ্জে’লা, লিওনার্দো বালের্দি, নিকোলাস ওটামেন্ডি, নেহুয়েন পেরেজ, ওয়াল্টার কান্নেমান, নিকোলাস তালিয়াফিকো, মার্কোস আকুনা, ফাকুন্দো মেদিনা

মিডফিল্ডার: লেয়ান্দ্রো পারেদেস, গিদো রদ্রিগেস, রদ্রিগো দে পল, এজেকুয়েল পালাসিও, জিওভানি লো সেলসো, নিকোলাস ডোমিঙ্গেজ, আলেক্সিস মাক আয়িস্তের, আলেজান্দ্রো গেমেস

ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি, পাওলো দিবালা, লুকাস ওকামপোস, নিকোলাস গনসালেস, হোয়াকিন কোররেয়া, লুকাস আলারিও, লাউতারো মার্টিনেস, ভিওভানি সিমেওনে ও ক্রিশ্চিয়ান পাভোন।

বুক ফাটা আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে হাটহাজারীর বাতাস
হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহম’দ শফীর ম’রদে’হ চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় এসে পৌঁছেছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ম’রদে’হবাহী অ্যাম্বুলেন্স র‌্যা’বের পাহারায় হাটহাজারী মাদ্রাসায় নিয়ে আসা হয়। এসময় তার ভক্ত-অনুসারীরা অ্যাম্বুলেন্স ধরে কা’ন্নায় ভে’ঙে পড়েন।

মাদ্রাসার শূরা কমিটির সদস্য নোমান ফয়জী এ ত’থ্য জানান। তিনি বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উনার (আহম’দ শফী) ম’রদে’হ হাটহাজারী মাদ্রাসায় নিয়ে আসা হয়েছে। কবর খোড়ার প্রস্তুতিও শেষ। বাদ জোহর মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে মাদ্রাসার কবরস্থানে লা’শ দাফন করা হবে।’

এদিকে রাজধানী ঢাকা থেকে ভোর চারটায় রওনা হয়ে শো’কার্ত মানুষের ভিড় ঠেলে দীর্ঘ পথ ফাঁড়ি দিয়ে দেশের সর্বজন শ্রদ্বেয় এ আলেমে দ্বীনের কফিন হাটহাজারীতে প্রবেশ করতেই সেখানে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। হাজারো মানুষ কা’ন্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

শো’কার্ত মানুষের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠে হাটহাজারীর আকাশ-বাতাস। শুক্রবার রাত থেকে হাজারো মানুষ অপেক্ষায় ছিলো তাকে শেষ বারের মতো দেখতে।

সকাল থেকে বৃহত্তর চট্টগ্রাম ছাড়াও দেশের নানা প্রান্ত থেকে শত শত মানুষ ছুটে আসে হাটহাজারীতে। হাটহাজারীমুখি সব সড়কে শো’কার্ত মানুষের স্রোত।

এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে হাটহাজারী সদরের সব সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আল্লামা শাহ আহম’দ শফীর কফিন মাদরাসার একটি কক্ষে রাখা হয়েছে।

জোহারের নামাজ পর্যন্ত তাকে শেষ বারের মতো দেখার জন্য কফিন সেখানে রাখা হবে। বাদ জোহর (দুপুর ২টায়) হাটহাজারী মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হবে নামাজে জানাযা। পরে মাদরাসার কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

শুরা কমিটির সি’দ্ধান্ত অনুযায়ী হাটহাজারী মাদরাসায় জানাযা ও দাফন সম্পন্ন করতে মাদরাসা শুরা কমিটি ও প্রশাসন ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here