সাবেক নীল ছবির লেবানিজ তারকা মিয়া খলিফা জানালেন, তিনি পাকিস্তানের জন্য প্রা’ণ দিতে পারেন। টিকটক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করে মিয়া বলেন, আমি আমার জীবন উৎসর্গ করে দিতে পারি পাকিস্তানের জন্য।

মিয়া খলিফার সেই ভিডিওটি মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওটিতে, পাকিস্তানিরা বিভিন্ন বিভিন্ন ধরনের কমেন্ট করে। এমনকী মিয়ার পাকিস্তানি ভক্তদের নানাভাবে ভারতীয়দের বিদ্রুপ ও উপহাস করতে দেখা গেছে নেই কমেন্টে।

আসলে মিয়াকে এক পাকিস্তানি ছাত্র জিজ্ঞেস করেছিল, পাকিস্তানের জন্য আপনি প্রা’ণ দিতে পারবেন?’ মিয়া ওই ছাত্রকে ভিডিওতে উত্তর দেন, ‘আমি পাকিস্তানের জন্য প্রা’ণ দিতে পারি।’

গত সপ্তাহে সৌদি আরবে একটি পাকিস্তানি স্কুলের অনুষ্ঠানে দেখা যায়, পড়ুয়ারা কতটা নিজের দেশকে ভালোবাসে, তা বিভিন্নভাবে বলছিল। একটি ছাত্র স্টেজে উঠে বলে, সে পাকিস্তানের জন্য প্রা’ণ দিতে পারে। এরপরেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়।

কক্সবাজারে চকরিয়ায় স’রকারি ভবন দ’খল করে বঙ্গবন্ধু স্মৃ’তি পাঠাগারের নামে নানা ধরনের ব্যবসা করছে বলে অ’ভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও জামায়াত নেতার বি’রুদ্ধে।

এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হলেও দু’নেতাই তাদের বি’রুদ্ধে আনা অ’ভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে স’রকারি সম্পদ অন্যায়ভাবে ব্যবহার করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন জে’লা প্রশাসক।

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজে’লার খুটাখালী ইউনিয়ন পরিষদের পরিত্যাক্ত ভবন। এই ভবনের সামনে সারিবদ্ধভাবে গাছের খুঁটি রেখে চলছে ব্যবসা। আর ভবনের সামনে লাল কালিতে বড় অক্ষরে লেখা ‘বঙ্গবন্ধু স্মৃ’তি পাঠাগার’। কিন্তু নেই কোন পাঠাগারের কার্যক্রম।

পরিত্যাক্ত ভবনের বাইরে ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়। আর জরাজীর্ণ এই ভবনের ভে’তরের রুমগুলোও একেবারে ব্যবহার অনুপযোগী। সেখানে কোমর সমান ময়লা কালচে পানিতে মশার আবাসস্থল। তবে সময় সংবাদের ক্যামেরা দেখতেই সরে পড়েন ভবন দ’খল করে ব্যবসা করা ব্যক্তিরা।

এলাকাবাসী বলছেন, পরিত্যক্ত হওয়ার পর জায়গাটি দ’খলের চেষ্টা করছে প্রভাবশালীরা।

প্রায় চারবছর আগে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল হক ভুট্টু স’রকারি জায়গাটিতে প্রতিষ্ঠা করতে চান ‘বঙ্গবন্ধু স্মৃ’তি পাঠাগার’। তাই ভবনটির সামনে লেখা হয় ‘বঙ্গবন্ধু স্মৃ’তি পাঠাগার’। আর বর্তমানে ভবনটি সামনে কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে ভাড়া আদায় করছেন জামায়াত নেতা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

তবে দুজনই বি’ষয়টি অস্বীকার করেন।

চেয়ারম্যান মুহাম্ম’দ আব্দুর রহমান বলেন, একজন লোক সেখানে মাটি ভরাট করে কিছু গাছ রেখেছে। কিন্তু আমরা নিইনি।

জে’লা প্রশাসক জানালেন, স’রকারি সম্পদ কেউ অন্যায়ভাবে ব্যবহার করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জে’লা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, এরকম কিছু পেলে আইনি পদক্ষেপ নেব।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশ্ববর্তী স্থানে ১৯৮৬ সালে স্থাপিত হয় খুটাখালী ইউনিয়ন পরিষদ। ২০১২ সালে আরেকটি জায়গায় নতুন ভবন হওয়ার পর পুরাতন ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here