সাদিয়া নাসরিন: যু’দ্ধাপরাধের বি’চার চাইতে আমরা শাহবাগে ছিলাম রাতের পর রাত, দিনের পর দিন। পাশেই শীর্ষ যু’দ্ধাপরাধী গোলাম আজম ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় (পিজি) হাসপাতালে চি’কিৎসাধীন।

কেউই তাকে হা’সপাতাল ভে’ঙে,অ’বরুদ্ধ করে, মা’নসিক চা’প সৃষ্টি করে, ডাক্তার আসতে বা’ধা দিয়ে, বি’না চি’কিৎসায় মে’রে ফে’লেনি।

অন্যান্য যু’দ্ধাপরাধীরা বছরের পর বছর নিজেদের সর্বোচ্চ আইনি ল’ড়াইয়ের সুযোগ নিয়েছেন, পেয়েছেন এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের মৃ’ত্যুদন্ড হয়েছে। একই প্রক্রিয়ায় যথাযথ নিয়মনীতি মেনে বি’চার হয়েছে বঙ্গবন্ধুর হ’ত্যাকারীদেরও।

কারণ এটাই সভ্যতার পুলসিরাত। স’রকার চাইলেই বিনা বিচারেও মে’রে ফে’লতে পারতেন এই ঘৃণ্য অ’পরাধীদের। বেশিরভাগ মা’নুষের সমর্থনও থাকতো আমি নিশ্চিত।

কিন্তু যে কারণে একজন ধ’র্ষকেরও বিনা বি’চারে শা’স্তি আমি চাই না, যু’দ্ধাপরাধীরও বিনা চি’কিৎসায় মৃ’ত্যু আমি কামনা করি না, ঠিক একই কারণে রাজনৈতিক প্র’তিপক্ষ বলেই কারও অ’বরুদ্ধ মৃ’ত্যু আমি সমর্থন করি না।

প্রশাসনের প্রবেশ আ’টকে, তিনদিন যাবৎ শতোর্ধো এই বৃ’দ্ধকে অ’বরুদ্ধ রেখে ভ’য়ানক মা’নসিক চা’প সৃষ্টি করে,

হ’য়রানির মু’খে অ’সুস্থ হয়ে প’ড়লে অ্যাম্বুলেন্স আ’টকে রেখে চি’কিৎসায় বা’ধা দিয়ে বাবুনগরী এবং তার অনুসারীরা যে অরাজকতার মধ্যদিয়ে আহম’দ শফীকে মৃ’ত্যুবরণ করতে বা’ধ্য করেছেন, তার যথাযথ বি’চার হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।

বছরের পর দেশের প্রচলিত আইন, শিক্ষা ব্যবস্থা, অর্থনৈতিক অবকাঠামোর নি’য়ন্ত্রণের বাইরে থেকে, স’রকারের আপোস রফার প্রশ্রয় পেয়ে এই বিশাল ক’ওমি জনগোষ্ঠি যে শ’ক্তি সঞ্চয় করেছে, তার ছোট নমুনা দেখালো হাটহাজারি মা’দ্রাসায় গত কয়দিনের তা’ণ্ডবে।

আহমাদ শফীর এই মৃ’ত্যু কিংবা পরোক্ষ হ’ত্যা থেকে স’রকার কোনো বার্তা নেবেন কিনা সেটা স’রকার জানেন। তবে আমরা যে পরিষ্কার বার্তাটি পেলাম তাহলো,

কঠিন হা’তে দ’মন করতে না পারলে ফ্রাঙ্কস্টাইনের এই দৈ’ত্য আর ট্রেইলরে থাকবে না, পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হয়ে পূর্ণপ্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। ফেসবুক থেকে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here