ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ধ’র্ষণের সেই মা’মলায় আ’সামি মো. মজনুর বি’রুদ্ধে বা’দী ভু’ক্তভোগীর বাবা ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন। আজ রোববার ঢাকার ৭ নম্বর না’রী ও শি’শু নি’র্যাতন দ’মন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম কামরুনাহার এ বা’দী সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

সাক্ষ্য শেষে ঢাকার ৭নং না’রী ও শি’শু নি’র্যাতন দ’মন ট্রাইব্যুনাল থেকে পু’লিশ সদস্যরা আ’সামি মজনুকে মহানগর হাজতখানায় নিয়ে যাচ্ছিলেন।

সাক্ষ্য শেষে ঢাকার ৭নং না’রী ও শি’শু নি’র্যাতন দ’মন ট্রাইব্যুনাল থেকে পু’লিশ সদস্যরা আ’সামি মজনুকে মহানগর হাজতখানায় নিয়ে যাচ্ছিলেন।

কা’ন্না করতে করতে আ’সামি মজনু বলেন, ‘আমি মায়ের কাছে যাব। আমি কা’রাগারে যাব না।’ তবে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু বলেন, ‘দ’ণ্ড থেকে বাঁচার জন্যই এমন অভিনয় করছে মজনু।’

এর আগে গত ২৬ আগস্ট কা’রাগার থেকে ভার্চ্যুয়ালি চার্জগঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। সেখানে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন মজনু। মা’মলাটিতে গত ১৬ মার্চ ঢাকা মহানগর গো’য়েন্দা পু’লিশের পরিদর্শক আবু বক্কর সিদ্দিক আ’দালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মা’মলায় চলতি বছর ৯ জানুয়ারি আ’সামি মজনুর ৭ দিনের রি’মান্ড মঞ্জুর করেন। ওই রি’মান্ড শেষে গত ১৬ জানুয়ারি আ’দালতে স্বী’কারোক্তিমুলক জবানব’ন্দি প্রদান করেন। এরপর থেকে কা’রাগারেই আছেন মজনু।

চার্জশিটে বলা হয়, গত ৫ জানুয়ারি ক্যা’ন্টনমেন্ট থানাধীন কুর্মিটোলা বাস স্ট্যান্ড থেকে ফুটপাত দিয়ে ৪০/৫০ গজ সামনে আ’র্মি গলফ ক্লাব মাঠ সংলগ্ন স্থানে ভি’কটিম (২১) পৌঁছালে আ’সামি মজনু পেছন থেকে গ’লা ধরে ফুটপাতে মাটিতে ফে’লে গ’লা চে’পে ধরে।

ভি’কটিম চি’ৎকার করতে গেলে আ’সামি তাকে কিল-ঘু’ষি মে’রে ভ’য়ভীতি দেখালে ভি’কটিম অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তখন মজনু ভি’কটিমকে অ’চেতন অবস্থায়ই ধ’র্ষণ করেন। সে একজন অভ্যাসগতভাবে ধ’র্ষণকারী।

সে প্রতিব’ন্ধী, পা’গল, ভ্রাম্যমাণ না’রীদের সম্মতি ব্যতীত এই অ’নৈতিক কাজ করে আসছে। ভ্রাম্যমাণ অবস্থায় থাকে। তার স্থায়ী কোন বসবাসের জায়গা নেই। এর আগে র‌্যা’ব-১, উত্তরা এর সিপিসি-১ এর চৌকশ দল গত ৮ জানুয়ারি মজনুকে ক্যা’ন্টনমেন্ট থানাধীন শেওড়া বাস স্ট্যান্ডের পূর্ব পাশের পাকা রাস্তার উপর হতে গ্রে’প্তার করে। গ্রে’প্তারের পর তার স্বী’কারোক্তি মতে ভি’কটিমের ব্যাগ,

মোবাইল ও পাওয়ার ব্যাংক এবং ভি’কটিমের ব্যবহৃত একটি জিন্সের প্যান্ট ও একটি জ্যাকেট উ’দ্ধার করা হয়। ঘ’টনার দিন আ’সামি ভি’কটিমকে একা পেয়ে জো’র করে ধরে ফুটপাতের পাশে বন-জঙ্গলের ভে’তরে ফে’লে ধ’র্ষণ করে।

গত ৮ জানুয়ারি মজনু গ্রে’প্তার হয়। এরও আগে গত ৬ জানুয়ারি ভি’কটিমের বাবা বা’দী হয়ে ক্যা’ন্টনমেন্ট থানায় না’রী ও শি’শু নি’র্যাতন আইনে ধ’র্ষণের মা’মলা দা’য়ের করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here