টাঙ্গাইল জে’লার ঘরবাড়ি উপজে’লায় ইদ্রিস আলীর মে’য়ে শাহনাজ পারবীন রুপা ওরফে রিপা (২৩) প্রতিনিয়ত তরুণ ব’য়সী যুবকদের সাথে বিয়ের প্রতরণা করে হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা। তার অনেক গুলো বিয়ে হলেও নিজেকে কুমারি দাবি করে বিত্তবান পরিবারের যুবকদের প্রেমের ফাঁ’দে ফে’লে হাতিয়ে নেয় টাকা।

সে নিজের ত’থ্য গো’পন করে বলে সে স’রকারি চাকরি করে এমনটাই অ’ভিযোগে পাওয়া গেছে। এঘ’টনায় মিজানুর রহমান নামের একজন যুবক তিন জনের নামে থানায় মা’মলা দা’য়ের করছে। তার সাথে যুক্ত আছে তার মা শিউলি বেগম ও তার বোন সিমা আক্তার (১৯)

সাদিয়াকে বিয়ে করতে গিয়ে কোটি কোটি টাকা খুইয়েছেন ব’য়স্ক পুরু’ষেরা

সুন্দরী। চেহারায় আভিজাত্যের চা’প। দেখে মনে হতেই পারে তিনি বিদেশে থাকেন। নিজের এই সুদর্শনা চেহারাকে পুঁজি করেই বারবার পাত্র খুঁজেন। ‘প্রবাসী পাত্রীর জন্য পাত্র চাই’।এই শিরোনামে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেন।

কখনও তিনি কানাডার সিটেজন। কখনও আমেরিকার। নানা পরিচয়ে বিজ্ঞাপন দিয়ে আকৃ’ষ্ট করেন পাত্রদের। বিয়ে করে উন্নত দেশের বাসিন্দা হতে তার স’ঙ্গে যোগাযোগ করেন পাত্ররা। সকল পাত্রকেই নানা প্রলোভন দেখিয়ে ঝু’লিয়ে রাখেন।

বিদেশের মাটিতে তার বিপুল অর্থ সম্পদের প্রলোভন দেখান। জানান, ব্যবসাও রয়েছে তার। মূ’লত পাত্রীবেশী এই না’রী একজন প্র’তারক। তার নাম সাদিয়া জান্নাত ওরফে জান্নাতুল ফেরদৌস। তার রয়েছে একটি চ’ক্র। এই চ’ক্রের মূ’ল হোতা এই জান্নাত।

বুধবারে তাকে বনানী এলাকা থেকে গ্রে’প্তার করেছে পু’লিশের অ’পরাধ ত’দন্ত বিভাগ সিআইডি। সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, পত্রিকায় লোভনীয় বিজ্ঞাপন দেখে অনেকেই আকৃ’ষ্ট হন।

মি’থ্যা ত’থ্য দিয়ে কৌশলে প্র’তারণা করে পাত্রের কাছ থেকে বিপুল টাকা হাতিয়ে নেয় এই চ’ক্র। এক পর্যায়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। কুমিল্লার দেবিদ্বারের মে’য়ে সাদিয়া জান্নাতের প্র’তারণার শি’কার ব্যবসায়ী নাজির হোসেন। নাজির হোসেনের অ’ভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে গ্রে’প্তার করে সিআইডি।

পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেখে মোবাইলফোনে জান্নাতের স’ঙ্গে যোগাযোগ করেন নাজির। বিয়ের আলাপ-আলোচনা হয়। শিগগিরই বিয়ে করে নাজিরকে কানাডা নিয়ে যাবেন বলে জানান সাদিয়া জান্নাত।গত ১২ই জুলাই গুলশান-২ এর একটি রেষ্টেুরেন্টে দেখা করেন তারা।

প্রাথমিকভাবে ১৫ লাখ টাকা ও নিজের পাসপোর্ট দেন জান্নাতের কাছে। পরবর্তীতে সাদিয়া জান্নাত জানায় কানাডায় তার ২শ’ কোটি টাকার ব্যবসা আছে। কিন্তু কানাডায় অনেক শীত নাজির সেখানে থাকতে পারবেন না।

তাই টাকাগুলো বাংলাদেশে এনে নাজিরকে দিতে চান। দেশে ব্যবসা করে দু’জনে সু’খে থাকবেন। এই প্রলোভন দিয়ে ভি’কটিমের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে ট্যাক্স, ভ্যাট, ডিএইচএল বিল ইত্যাদির খরচের কথা বলে ১ কোটি ৭৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।

তারপর ফোনসহ সকল প্রকার যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। ঠিকানাও পরিবর্তন করে। নাজিরের মতো অনেকের কাছ থেকে এই চ’ক্র ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে সিআইডি।

কুমিল্লা দেবিদ্বারের মে’য়ে জান্নাত এসএসসি’র গন্ডি পার হয়নি। তবে পোষাক এবং কথাবার্তায় স্মার্টনেসের কারণে আমেরিকা, কানাডা প্রবাসী বলে লোকজনের বিশ্বাস অর্জন করতে সমর্থ হয়।

প্রথম স্বা’মীকে ডিভোর্স দিয়ে দ্বিতীয় স্বা’মীকে নিয়ে এই প্র’তারক চ’ক্র গড়ে তোলে। প্রায় ১০ বছর যাবত এই প্র’তারণা করে যাচ্ছে সাদিয়া জান্নাত। প্র’তারণা করে অল্প দিনেই ঢাকা ও ঢাকার আশেপাশে প্রায় ২০ কোটি টাকার জমি কিনেছে এই চ’ক্র।

সিআইডির সিনিয়র সহকারী পু’লিশ সুপার মো. জিসান জানান, জান্নাতের নিজ হাতে লেখা ২০১৫ ও ২০১৬ সালের হিসাবের খাতা জ’ব্দ করেছে সিআইডি। এতে কোন পাত্রের কাছ থেকে কত টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তার ত’থ্য রয়েছে।

গ্রে’প্তারের সময় জান্নাতের কাছ থেকে তিন পাত্রের পাসপোর্ট, ১০টি মোবাইল ফোন, তিনটি মেমোরি কার্ড, সাতটি সীল, অসংখ্য ব্যবহৃত সীম ও হিসাবের খাতাসহ গত ২রা সেপ্টেম্বর ব্যাংক এশিয়ায় ৪৮ লাখ টাকা জমা দেওয়ার স্লীপ উ’দ্ধার করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here