গাজীপুরের কাপাসিয়ায় কো’ভিড-১৯ সং’ক্র’মণ প্রতিরোধের জন্য স্কুল-কলেজগামী কি’শোর-কি’শোরীদের সন্ধ্যা ৭টার পর বাড়ির বাইরে ঘোরাফেরা ও আড্ডা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে নি’ষেধাজ্ঞার গণ-বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) কাপাসিয়া উপজে’লা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যা’জিস্ট্রেট মোসা. ইসমত আরা স্বাক্ষরিত এ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। ইউএনও মোসা. ইসমত আরা বি’ষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গণ-বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, কো’ভিড-১৯ সং’ক্র’মণ প্রতিরোধের জন্য কাপাসিয়া উপজে’লাধীন চায়ের দোকান, হোটেল/রেস্টুরেন্ট, বিভিন্ন ধরনের বিনোদন পার্ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ, রাস্তার মোড় ইত্যাদি স্থানে স্কুল ও কলেজগামী

কি’শোর/কি’শোরীরা সন্ধ্যা ৭টার পর জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে ঘোরাফেরা ও আড্ডা দেওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য বলা হলো। এই আদেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই আদেশ জনস্বার্থে জারি করা হলো।

মৃ’ত্যু ও তার বি’তর্কি’ত পুত্র আনাস মাদানিকে মাদ্রাসা থেকে ব’হিষ্কারের ঘ’টনার পর দৃশ্যত দুই পক্ষ প’রস্পরবি’রোধী অবস্থান নিয়েছে।

কওমি অ’ঙ্গনের এক পক্ষ অপর পক্ষের বি’রুদ্ধে সরাসরি বক্তব্য রাখছে। হাটহাজারী মাদ্রাসায় এখন একচ্ছত্র আধিপত্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে আনাসবি’রোধীরা।

দুই পক্ষের আলেম’দের স’ঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, নেতৃত্ব নিয়ে ভাঙনের মুখে পড়েছে কওমি প্ল্যাটফরমের আলোড়ন সৃষ্টিকারী সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

এই সংগঠনের আমির কে হবেন এবং কোন গ্রুপ থেকে হবেন তা নিয়ে চলছে দুই পক্ষের রেষারেষি। নেতৃত্বের জটিলতার কারণে সৃষ্টি হয়েছে অচলাবস্থার। কোনো পক্ষ ছাড় দিতে রাজি নয়।

তারা বলছেন, হেফাজতের আমির ও কওমি অ’ঙ্গনের সবচেয়ে বুজর্গ আলেম আল্লামা শাহ আহম’দ শফীর মতো সর্বজন গ্রহণযোগ্য আলেম বর্তমানে বাংলাদেশে আর কেউ নেই। হেফাজতের এক গ্রুপ আল্লামা শফীর ছেলে বহিষ্কৃত মাওলানা আনাস মাদানির নেতৃত্বে শ’ক্তি সঞ্চয় করছে।

তার স’ঙ্গে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছে হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাস’চিব ও ইসলামী ঐক্যজোটের (আমিনী) মহাস’চিব মুফতি ফয়জুল্লাহ, মাওলানা মইনুদ্দিন রুহি, মুফতি ফজলুল হক আমিনীর ছেলে আবুল হাসানাত আমিনীসহ লালবাগ মাদ্রাসা, ফরিদাবাদ মাদ্রাসা, বড় কা’টারা মাদ্রাসা,

গহর’ডাঙ্গা মাদ্রাসাসহ একটি প্রভাবশালী অংশ, যারা কওমি অ’ঙ্গনে স’রকারের আশীর্বাদপুষ্ট বলে প্রচারিত। আল্লামা শফীর পদত্যাগ ও মাওলানা আনাসকে হাটহাজারী থেকে ব’হিষ্কারের ঘ’টনার পর এই গ্রুপ এখন সংঘবদ্ধ। অন্য গ্রুপে রয়েছেন হেফাজতের বর্তমান মহাস’চিব শায়খুল হাদিস মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী,

মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমী, সাবেক মন্ত্রী মুফতি মোহাম্ম’দ ওয়াক্কাস, মাওলানা হাফেজ কারি আতাউল্লাহ হাফেজ্জি, মধুপুরের পির মাওলানা আবদুল হামিদ, মাওলানা নুরুল ইসলাম জেহাদি, যুগ্ম-মহাস’চিব মাওলানা মাহফুজুল হকসহ কওমি ঘরানার অধিকাংশ আলেম-উলামা ও হেফাজতের নেতাকর্মী।

হেফাজতে ইসলামের ২২৯ সদস্যবিশিষ্ট যে শুরা কমিটি আছে, তাদের বেশির ভাগই এদের স’ঙ্গে। এ দুই পক্ষের বাইরে রয়েছে হেফাজতের অপর একটি গ্রুপ, যারা দুই পক্ষের কাদা ছোড়াছুড়ি পছন্দ করে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here