স্পোর্টস ডেস্ক : কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বৃহস্পতিবারের ম্যাচের দিন বাজে কাটে বিরাট কোহলির।

প্রথমে ১৩২ রানের বিধ্বং’সী ইনিংস খেলা লোকেশ রাহুলের ক্যাচ পরপর দুই ওভারে ছাড়েন তিনি। পরে ব্যাট হাতে করেন মাত্র এক রান।

কোহলি ব্যাটিংয়ে থাকা অবস্থায়ই তার অনুশীলনের ঘাটতি নিয়ে আকাশ চোপড়ার স’ঙ্গে কথা বলেন গাভাস্কার। প্রস’ঙ্গক্রমে আসে কোহলির স্ত্রীর নাম। সে সময়ের ৩৪ সেকেন্ডের একটি ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

যা নিয়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। এমন মন্তব্যে ক্ষু’ব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন আনুশকাও।

পরে এ দিন সন্ধ্যাতেই পাল্টা জবাব দিয়েছেন গাভাস্কার তাঁর দাবি, বিরাটের খা’রাপ পারফরমেন্সের জন্য তিনি মোটেও অনুষ্কাকে দায়ী করেননি। তাঁর বক্তব্যের ভু’ল অর্থ করা হয়েছে।

এরপরই শুক্রবার ইন্ডিয়া টুডেকে সবকিছু পরিষ্কার করেন গাভাস্কার।

“যেহেতু আপনারা ধারাভাষ্য থেকে শুনেছেন, আকাশ ও আমি হিন্দি চ্যানেলে ধারাভাষ্য করছিলাম। তখন আকাশ বলছিল যে, এত দিন যথাযথ অনুশীলনের জন্য সবার কাছে খুবই সামান্য সুযোগ ছিল।

কিছু ক্রিকেটারের পারফরম্যান্সে মরিচা পড়ার বি’ষয়টি প্রথম ম্যাচে মূ’লত ফুটে উঠেছিল। প্রথম ম্যাচে রোহিত ভালোভাবে বল মা’রতে পারছিল না, ধোনিও পারছিল না এবং বিরাট কোহলিও। বেশিরভাগ ব্যাটসম্যানের এটা হয়েছে অনুশীলনের ঘাটতির কারণে।”

“এটাই ছিল পয়েন্ট এবং বোঝানো হয়েছিল সেটাই। বিরাটও কোনো অনুশীলন করতে পারেনি, কেবল আনুশকার বোলিংয়ের বিপক্ষে বাসার ছাদের ওইটুকুই।

আমি এটাই বলেছি। শুধু বোলিং, আমি অন্য কোনো শব্দ ব্যবহার করিনি। সে তাকে বোলিং করেছিল, এটাই। কোথায় আমি তাকে দোষারোপ করলাম? সে’ক্সিস্টের মতো কোন কথাটা বললাম আমি?”

ক’রোনাভা’ইরাসেের কঠিন এই সময়ে অন্য সবার মতো ঘরব’ন্দি ছিলেন কোহলিও। যথাযথ অনুশীলনের সুযোগ ছিল না তার। তাই বাসার ছাদে স্ত্রী আনুশকার বোলিংয়ের বিপক্ষে মজার ছলেই করেন ব্যাটিং। যা স্বাভাবিকভাবেই খুব একটা কাজে আসবে না কোহলির, সেটাই বোঝানোর চেষ্টা করেছেন বলে জানালেন গাভাস্কার।

“আমি বোঝাতে চেয়েছি, লকডাউনে বিরাটসহ কেউই অনুশীলন করতে পারেনি। আমি সে’ক্সিস্ট কোনো কথা বলিনি। যদি কেউ এটাকে এভাবে ব্যাখ্যা করে, আমি কি করতে পারি?…আমি কেবল বলেছি,

ভিডিওতে দেখাচ্ছে সে বিরাটকে বোলিং করছে। লকডাউনে ওই বোলিংটাই কেবল খেলেছে বিরাট। এটা ছিল মজার ছলে খেলা, যেটা এই লকডাউনে লোকে সময় কা’টাতে করেছে। এটাই। বিরাটের ব্য’র্থতার জন্য তাকে আমি দায় দিলাম কোথায়?”

দেশের বাইরে সফরে ভারতীয় ক্রিকেটারদের পরিবার নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে বেশিদিন হয়নি। এর পেছনে গাভাস্কারের ছিল বড় ভূমিকা, নিজেই বললেন সেটি।

“আমি একজন যে কিনা সফরে ক্রিকেটারদের স্ত্রী নিয়ে যাওয়ার জন্য সবসময় সমর্থন করেছি। সাধারণ মানুষ ৯টা-৫টা অফিস করে যখন বাসায় ফিরে,

স্ত্রী’কে পাশে পায়। একই ভাবে, ক্রিকেটাররা যখন সফরে যায়, এমনকি যখন দেশে খেলে, তারা কেন তাদের স্ত্রীদের পাশে পাবে না?”

“কারণ, অন্য সাধারণ মানুষের মতো কাজ শেষে তাদেরও স্ত্রীর কাছে ফেরা উচিত। তাই বলছি, আমি আনুশকাকে দোষ দিচ্ছি না।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here