সিলেটে এমসি কলেজে স্বা’মীর স’ঙ্গে ঘুরতে যাওয়া না’রীকে তুলে নিয়ে গণধ’র্ষ’ণের আগে অ’স্ত্রে’র মুখে স্বর্ণের চেইন, টাকা পয়সা ছি’নিয়ে নেয় ধ’র্ষ’করা।

যাওয়ার সময় একজন বলে ওঠে ‘দেখ মে’য়েটি তো সুন্দর’। এ কথা বলার পর অন্যরাও তার দিকে ফিরে তাকায়। এরপর তারা ঘুরে এসে জাপটে ধরে ওই নববধূকে।

এতে প্র’তিবাদ করেন স’ঙ্গে থাকা স্বা’মী। ধ’র্ষ’করা এ সময় তার স্বা’মীকে মা’রধর করে তাকে ছি’নিয়ে নিয়ে যায়। চিকিৎসা শেষে রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় মা’মলার ত’দন্ত কর্মকর্তা শাহপরান থানার ওসি (ত’দন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য গ’ণধ’র্ষ’ণের শি’কার গৃ’হবধূকে সিলেটের বিচারিক হাকিম আ’দালতে নিয়ে যান।

মহানগর তৃতীয় হাকিম আ’দালতের বিচারক শারমিন খানম নীলার এজলাসে নি’র্যাতিত ওই না’রী শি’শু নি’র্যাতন দ’মন আইনের ২২ ধারায় দেয়া জবানব’ন্দিতে এসব কথা বলেন। জবানব’ন্দি গ্রহণ শেষে নি’র্যাতিত ওই নববধূকে পরিবারের জিম্মায় দেয়া হয়েছে।

এমন সময় ক্যাম্পাসের পেছনের এলাকায় ধ’র্ষ’করা অবস্থান করছিল। তারা নবদম্পতিকে দেখতে পেয়ে ঘিরে ধরে। এক পর্যায়ে তারা অ’স্ত্রে’র মুখে স্বর্ণের চেইন, টাকা পয়সা ছি’নিয়ে নেয়।

যাওয়ার সময় একজন বলে ওঠে দেখ মে’য়েটি তো সুন্দর। এ কথা বলার পর অন্যরাও তার দিকে ফিরে তাকায়। এরপর তারা ঘুরে এসে জাপটে ধরে তাকে। এতে প্র’তিবাদ করেন স’ঙ্গে থাকা স্বা’মী। ধ’র্ষ’করা এ সময় তার স্বা’মীকে মা’রধর করে তাকে ছি’নিয়ে নিয়ে যায়।

এ সময় তিনিও চি’ৎকার করছিলেন। ধ’র্ষ’ক’রা তাকে যখন ধরে নিয়ে যাচ্ছিল তখন পিছু পিছু যান স্বা’মী। তিনি গিয়ে এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে ঢোকেন। ধ’র্ষ’করা তাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে স্বা’মী গিয়ে তাদের বা’ধা দেন। ছাত্রাবাসের ভে’তরেই তার স্বা’মীকে মা’রধর করে ধ’র্ষ’করা। এক পর্যায়ে তাকে বেঁ’ধে ফে’লে।’

ওই না’রী জানান, ‘স্বা’মীকে বেঁ’ধে তারা তার ও’পর নি’র্যাতন শুরু করে। এ সময় তিনি সম্ভ্রম রক্ষার্থে তাদের হাতে-পায়ে ধরেন।

কিন্তু এতে মন গলেনি ধ’র্ষ’কদের। এ সময় চি’ৎকার করলেও কেউ এগিয়ে আসেনি। ছাত্রাবাসের দ্বিতীয়তলা থেকে কয়েকজন যুবক নিচে নামতে চাইছিল। এ সময় তাদের ধমক দিয়ে আ’টকে দেয়া হয়। পরে পু’লিশ গেলে ধ’র্ষ’করা পা’লিয়ে যায়।’

এ ঘ’টনার পর শুক্রবার রাত ৯টার দিকে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা বাবলাকে নিয়ে শাহপরান থানার ওসি ধ’র্ষিতা না’রী ও তার স্বা’মীকে এমসি কলেজের ছাত্রাবাস থেকে উ’দ্ধার করেন।

খবর পেয়ে সেখানে আরও কয়েকজন ছাত্রনেতা যান। উ’দ্ধারের পর ওই না’রীকে সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা করা হয়। এদিকে রোববার রাতে গ’ণধ’র্ষ’ণের শি’কার গৃ’হবধূর স্বা’মী গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে বলেন, ছাত্রাবাসে গৃ’হবধূকে ধ’র্ষ’ণের আগে তার স্বা’মীর কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেছিল ধ’র্ষ’করা। ৫০ হাজার টাকা না পেয়ে ধ’র্ষিতার কানের স্বর্ণের দুল ও গ’লার চেইন এবং স্বা’মীর মানিব্যাগ থেকে দুই হাজার টাকা ছি’নিয়ে নেয় তারা।

তিনি আরও জানান, শুক্রবার বিকেলে স্ত্রী’কে নিয়ে ঘুরতে বের হন। ই’চ্ছা ছিল সন্ধ্যার মধ্যেই বাসায় ফেরার। শাহপরান থেকে ফেরার পথে এমসি কলেজের গেটের সামনে গাড়ি থামিয়ে সিগারেট নিয়ে আসেন তিনি।

সিলেটের দক্ষিণ সুরমা’র শিববাড়ি এলাকার ওই বাসিন্দা বলেন, গাড়িতে ওঠার পর পেছন থেকে একজন বলেন এই দাঁড়াও। তখন স্ত্রী’কে বললাম, গাড়ির গ্লাসটা একটু নামাও কথা বলব। তারা বলেন না নেমে আস। গাড়ি থেকে নামা’র পর তারা দু’জন (সাইফুর ও অর্জুন) জিজ্ঞেস করে গাড়িতে কে? বললাম আমা’র স্ত্রী।

তখন তারা গালি দিয়ে বলেন, ‘তুই দালালির ব্যবসা করছ’। এই বলেই থা’প্পড় মা’রে আমাকে। তখন আমা’র স্ত্রী গাড়ি থেকে নেমে আমার পেছনে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করে আমার স্বা’মীকে মারছ কেন? চিল্লাচিল্লি শুরু করলে তারা বলে গাড়িতে ওঠ তোদের থানায় নিয়ে যাব। ভ’য় দেখিয়ে তারা তিন-চারজন আমার গাড়িতে ওঠে। আমাকে নিয়ে তারা পেছনে বসে আর স্ত্রী’কে সামনে বসিয়ে তাদের একজন গাড়ি চা’লায়।

বললাম ঠিক আছে আমাকে আইনের আওতায় নিয়ে যাও, কোনো স’মস্যা নেই। তারা ছাত্রাবাসে প্রবেশের রাস্তার কালভার্টে গিয়ে বলে তুই মানিব্যাগ বের কর।

টাকা দে ৫০ হাজার। বললাম আমার কাছেতো এত টাকা নেই। দুই হাজার টাকা আছে নিয়ে নাও। এরপর আমাকে মা’রধর করে। স্ত্রীর স্বর্ণের কানের দুল ও গ’লার চেইন ছি’নিয়ে নেয়। এরপর তাদের একজন আমার স্ত্রী’কে তুলে নিয়ে যায়। এ কথা বলেই কেঁদে ফে’লেন ধ’র্ষিতার স্বা’মী।

তিনি আরও বলেন, স্ত্রীর চি’ৎকার শুনে বলি এরকম তো ঠিক না ভাই। এরপরই আমি আর নিজেকে সামলাতে পারিনি। মা’নসিক ভারসাম্য হা’রিয়ে ফেলি। কি করব ভেবে পাচ্ছিলাম না। মাথায় কাজ করছিল না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here