সারাদেশঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রী ধ’র্ষ’ণ ও ধ’র্ষ’ণে সহযোগিতা করার অ’ভিযোগে দা’য়ের করা মা’মলায় দুইজনকে গ্রে’ফতার দেখিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গো’য়েন্দা শাখা (ডি’বি)।

তারা হলেন- বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম ও সংগঠনটির ঢাবি শাখার সহ-সভাপতি মো. নাজমুল হুদা।

রোববার রাতে রাজধানী থেকে তাদের গ্রে’ফতার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির গো’য়েন্দা পুলিশের (ডি’বি) লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) রাজীব আল মাসুদ।

সোমবার দুপুরে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ধ’র্ষ’ণের অ’ভিযোগ তুলে ঢাবির এক ছাত্রীর দা’য়ের করা মা’মলার চার নম্বর আ’সামি মো. সাইফুল ইসলাম ও পাঁচ নম্বর আ’সামি মো. নাজমুল হুদাকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে।

এ বি’ষয়ে রাতে ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান জাগো নিউজকে বলেন,

কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম ও ঢাবি শাখার সহ-সভাপতি নাজমুল হুদার বি’রুদ্ধে ধ’র্ষ’ণে সহায়তার অ’ভিযোগে মা’মলা আছে।

এরমধ্যে নাজমুলকে দুপুরে কে বা কারা তুলে নিয়ে যায়। এছাড়া ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতা সোহরাব হোসেন ও আসিফ মাহমুদকে সাদা পোশাকে তুলে নিয়ে গেছে।

রাশেদ খান বলেন, সারাদেশে ধ’র্ষ’ণবি’রোধী আন্দোলনকে দমানোর জন্য এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আ’তঙ্ক ছড়িয়ে দিতে স’রকার এ কাজ করছে।

এ’তিমদের ভু’য়া তা’লিকা তৈ’রি ক’রে লা’খ লা’খ টা’কা আ’ত্মসাৎ

সারাদেশঃ এতিমদের ভুয়া তালিকা তৈরি করে লাখ লাখ টাকা আ’ত্মসাতের অ’ভিযোগ উঠেছে শরীয়তপুরে নড়িয়া উপজে’লার ভোজেশ্বর ইউনিয়নের শহীদ ইয়ার

উদ্দিন বয়াতী এতিমখানার প্রধান শিক্ষক ও সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মোক্তার হোসেনের বি’রুদ্ধে। এতিমখানাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে

এ পর্যন্ত এতিমদের খাবার এবং পোশাক বাবদ আসা লাখ লাখ টাকা আ’ত্মসাৎ করে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে পাকা বাড়ি তৈরি করেছেন তিনি।

এ ঘটনায় গত ১ অক্টোবর দান ও স’রকারি অনুদানের টাকা আ’ত্মসাৎ এবং বিভিন্ন অনিয়মের বি’ষয়ে ত’দন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধান শিক্ষকের বি’রুদ্ধে জে’লা প্রশাসক বরাবর লিখিত অ’ভিযোগ করেছে এলাকাবাসী।

জে’লা সমাজসেবা কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভোজেশ্বর-জপসা চাহেদআলী হাফেজিয়া ইসলামিয়া মাদরাসার পাশে ২০০৪ সালে এতিম খানাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

এরপর ২০০৫ সাল থেকে স’রকারি অনুদান পাওয়া শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু ২০০৫ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত স’রকারি অনুদানের টাকার কোনো হিসাব দিতে পারেনি সমাজসেবা অফিস ও এতিমখানা কর্তৃপক্ষ।

তবে ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ৬৪ জন এতিম দেখিয়ে সাত লাখ ৬৮ হাজার টাকা, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ৬৪ জন এতিম দেখিয়ে সাত লাখ ৬৮ হাজার টকা,

২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৬৪ জন এতিম দেখিয়ে সাত লাখ ৬৮ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়।

সর্বশেষ ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ৬৭ জন এতিম দেখিয়ে ফের ১৬ লাখ ৮ হাজার টাকা উত্তোলন করেন প্রধান শিক্ষক হাফেজ মোক্তার হোসেন।

স্থানীয়রা অ’ভিযোগ করেন, এতিমখানায় একটি সাইনবোর্ড ছাড়া এখন আর কোনো কার্যক্রম নেই। ৩-৪ জন ছাড়া কোনো সময় এতিমদের থাকতে দেখেননি তারা।

বর্তমানে এতিমখানাটির প্রধান গেট তালাবদ্ধ। এতিমখানার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সাধারণ মানুষের দান ও স’রকারি অনুদানের দেয়া এতিমদের লাখ লাখ টাকা আ’ত্মসাৎ করে কোটি

টাকা ব্যয় করে নড়িয়া চান্দনি এলাকায় আলিশান বাড়ি তৈরি করেছেন প্রধান শিক্ষক। অ’ভিযোগ প্রসঙ্গে এতিমখানার প্রধান শিক্ষক ও সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মোক্তার হোসেন বলেন,

স’রকারি অনুদানের যত টাকা পাই তার অর্ধেক সমাজসেবা কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন জায়গায় দিতে হয়।

বিএনপি আমলে চেকের মাধ্যমে দিতাম। আর এখন নগদ টাকা দিতে হয়। তিনি বলেন, সমাজসেবা অফিস থেকে পাওয়া টাকা এনে ছাত্রদের খাবার এবং পোশাক বাবদ খরচ করেছি।

বাড়ি নির্মাণ প্রসঙ্গে হাফেজ মোক্তার হোসেন বলেন, ইসলামী ব্যাংক ও সমাজসেবা অফিসসহ বিভিন্ন এনজিও থেকে লোন উত্তোলন করে বাড়ি করেছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here