গৃ’হবধুকে ধ”ণের অ’ভিযোগে মানিকগঞ্জে মো. শরিফুল ইসলাম সেন্টু (৩৯) নামের এক স্কু’লশিক্ষককে গ্রে’প্তার করেছে পুলিশ।

গত বুধবারের ঘটনায় মা’মলা হলে বৃহস্পতিবার ভোরে মানিকগঞ্জ সদর উপজে’লার গিলন্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রে’প্তার করে হয়। আ’দালতের নির্দেশে তাকে জে’লহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

গ্রে’প্তারকৃত শরিফুল ইসলাম সেন্টু মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার মৃ’ত মইন উদ্দিনের ছে’লে ও দৌলতপুর পিএস স’রকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞানের শিক্ষক।

অ’ভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দুপুর দেড়টার দিকে স্কুলশিক্ষক সেন্টু নি’র্যাতিতা ওই গৃ’হবধূর স্বা’মীকে খুঁ’জতে তার বাসায় যান।

বি’ষয়টি নিশ্চিত করে মানিকগঞ্জ স’দর থানার এস’আই মনিরুজ্জামান জানান, এর মধ্যে নি’র্যাতিতা ওই গৃ’হবধূ ও অ’ভিযুক্ত

শরিফুল ই’সলাম সেন্টুর মে’ডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধ”ণের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

প্রকৌশলীর হুং’কা’র, ‘আমাকে স্যার সম্বোধন করে কথা বলুন, আমি ডিসির সমমান’

‘আমার সম্পর্কে আপনি কতটুকু জানেন, আমি ডিসির সমমান পদমর্যাদায় আছি। আমি ২০তম বিসিএসে ক্যাডার হিসেবে যোগদান করার পর ৫ম গ্রেডে কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছি।

আমাকে আগে স্যার বলে সম্মোধন করে পরে কথা বলুন’ বলেই ফোন কে’টে দেন ত্রিশাল বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক হোসেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যুৎ বিভাগের নানা অনিয়ম ও হ’য়রানি শি’কার হয়ে কয়েকজন ভু’ক্তভোগী অ’ভিযোগ করতে ত্রিশাল প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে আসলে

এসব বি’ষয়ে জানতে দৈনিক সমকাল প্রতিনিধি মতিউর রহমান সেলিম নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক হোসেনকে ফোন দিলে তিনি এমন দাপুটে কথা বলেন।

জানা যায়, চলতি বছরের ৩ আগস্ট নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে ত্রিশাল বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রে যোগদান করেন ফারুক হোসেন।

তিনি যোগদানের পর থেকেই উপজে’লায় চলছে ঘনঘন লোডশেডিং, আর ভুতুরে বিল তো আছেই। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন

গ্রামের গ্রাহকরা গাছ ও বাঁশের খুঁটির মাধ্যমে ঝুঁ’কিপূর্ণ সংযোগের পরিবর্তে পিলারের আবেদন করলেও তা আমলে নিচ্ছেন না ওই কর্মকর্তা।

এ ছাড়া বাড়িতে মিটার না থাকলেও প্রায় অর্ধলাখ টাকার ভুতুরে বিল দিয়ে হ’য়রানির শি’কার গিয়াস উদ্দিন নামের এক ভু’ক্তভোগী

একাধিকবার নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তরে গিয়ে কোনো সুরাহা না পেয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর ত্রিশাল উপজে’লা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অ’ভিযোগ করেন।

ওই ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে একটি উচ্চ পর্যায়ের ত’দন্ত কমিটি গঠন হয়। কমিটি সরেজমিনে ত’দন্ত করার পর রেহায় পান ভু’ক্তভোগী গিয়াস উদ্দিন।

গ্রাহক হ’য়রানি আর লোডশেডিংয়ের বি’ষয়ে বিদ্যুৎ অফিসে গেলে ভু’ক্তভোগীরা তার অসদাচরণের শি’কার হন। বৃহস্পতিবার কয়েকজন ভু’ক্তভোগী আসেন ত্রিশাল প্রেস ক্লাবে।

বি’ষয়গুলো জানতে নির্বাহী প্রকেীশলী ফারুক হোসেনকে দৈনিক সমকাল প্রতিনিধি ফোন দিয়ে ভাই বলে সম্বোধন করলে তিনি ক্ষি’প্ত হয়ে বলেন,

আমি ডিসিদের সমমর্যাদার। আগে আমাকে স্যার বলে সম্বোধন করেন পরে কোনো প্রশ্ন থাকলে করুন। এই বলে তিনি ফোন কে’টে দেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here