ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছেন এক স্বামী। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম সদর আদালতে এ মামলা করেন স্বামী সাদ্দাম হোসেন দীপু।

আদালতের বিচারক ফারজানা আহমেদ মামলাটি গ্রহণ করে মামলার দুই আসামি স্ত্রী শ্রাবণী বুশরা এশা ও তার প্রেমিক মুনতাছির ইভানের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন।

বাদী সাদ্দাম হোসেন দীপু ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরশহরের উত্তর মৌড়াইল মহল্লার জহিরুল ইসলামের ছেলে।

এশা ঢাকার উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের সাবেক ছাত্রী ও বর্তমানে ধানমন্ডি এলাকার আনোয়ার খান মডার্ন আধুনিক মেডিকেল কলেজের প্রভাষক। আর মুনতাছির উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের ছাত্র।

গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর দুপুরে দীপু তার অফিসের কাজে কর্মস্থলে ছিলেন। এদিন এশা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তার বাবার বাড়িতে মুনতাছিরের সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবি আরিফুল হক মাসুদ বলেন, সাধারণত এ ধরণের মামলা আদালত আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়ে থাকেন।

কিন্তু পরকীয়ার ঘটনায় চট্টগ্রামে চিকিৎসক আত্মহত্যার কারণে আদালত এ ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন।

আগামী বছর স্ত্রীকে নিয়ে হজে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল শহিদুন্নবী জুয়েল

কোরআন শরীফ অ’বমাননার গু’জবে কান দিয়ে যে যু’বককে পি’টিয়ে হ’ত্যা করে ম’রদেহ আ’গুনে পু’ড়িয়ে দেওয়া হয়েছে,

সেই শহিদুন্নবী জুয়েল (৩৭) আসলে অত্যন্ত ধা’র্মিক ও সহজ-সরল ছিলেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় এবং নিয়মিত কো’রআন-হাদিস পাঠ করতেন।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রংপুর নগরীর শালবনে তার বাসভবনে সরেজমিনে গিয়ে প’রিবার ও এ’লাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে এ বি’ষয়ে জানা গেছে।

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজে’লার বুড়িমারী বাজার কেন্দ্রীয় জামে ম’সজিদে কো’রআন অ’বমাননার গু’জব থেকে জুয়েলকে হ’ত্যা করে ম’রদেহ আ’গুনে পু’ড়িয়ে দেয় বিক্ষু’ব্ধ জ’নতা।

শহিদুন্নবী জুয়েল রংপুর শহরের শালবন রোকেয়া সরণি এলাকার আব্দুল ওয়াজেদ মিয়ার ছে’লে। তিনি রংপুর ক্যা’ন্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক গ্রন্থাগারিক ছিলেন।

তার বড় মেয়ে জেবা তাসনিম এবার এইসএসসি পাস করেছে। ছেলে তাশিকুল ইসলাম ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

শুক্রবার সকালে শালবনে তার বাসভবনে গিয়ে দেখা যায়, খবর পেয়ে এলাকাবাসীসহ আত্মীয়-স্বজনরা ছুটে এসেছেন। প’রিবারের স্ব’জনদের কা’ন্না ও আ’হাজারিতে ভা’রী হয়ে আছে পরিবেশ।

স্বজন ও এ’লাকাবাসীর দা’বি, ক্যা’ন্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল থেকে চাকরি চলে যাওয়ায় তার একমাত্র উপার্জনপথ ব’ন্ধ হয়ে যায়।

এরপর মা’নসিকভাবে অনেকটা ভে’ঙে পড়েছিলেন। ডাক্তারের পরামর্শে ও’ষুধ খেতেন নিয়মিত।তার বাড়ি ঘুরে দেখা যায়, প্রত্যেকটি ঘরে পবিত্র কোরআন,

হাদিসসহ ইসলামিক বিভিন্ন বই। ঘরের আলমারি ও দেয়ালে ঝুলছে ইসলামিক বিভিন্ন নিদর্শন ও দোয়ার ছবি। তার স্ত্রী হা’তে তসবিহ নিয়েই আহাজারি করছেন। স্ব’জনরা তাকে শান্তনা দিচ্ছেন।

জুয়েলের স্ত্রী জেসমিন আক্তার মুক্তা আ’হাজারি করতে করতে বলেন, আমার স্বামী অনেক সহজ-সরল ছিল। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তো,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here