হাজী সেলিমের পুত্র বহিষ্কৃত ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরফান সেলিম এখন রি’মান্ডে রয়েছেন এবং সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

তার বি’রু’দ্ধে একাধিক মা’মলা হয়েছে। অ’বৈধ মা’দ’ক ও অ”স্ত্র রাখার অ’ভিযো’গে দুটি পৃথক মা’মলায় ইরফান সেলিম ১ বছরের কা’রাদ’ণ্ডে দ’ণ্ডি’ত হয়েছেন।

এখন তিনি রি’মা’ন্ডে রয়েছেন এবং গোয়েন্দা পু’লিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। হাজী সেলিমের দ্বিতীয় পুত্র ইরফান সেলিমের মুক্তি নিয়ে

আইনি ল’ড়া’ইয়ের জন্য তৎপর নয় তার পরিবার। ইরফান যখন কা’রাগা’রে ছিলেন সেখানেও পরিবারের কেউ দেখা করেনি তার সঙ্গে।

হাজী সেলিমের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ইরফানের পক্ষ অবলম্বন করে নিজে বি’পদে পড়তে চান না হাজী সেলিম। বিশেষ করে ইরফান সেলিম

গ্রে’ফতার হওয়ার পর তার বি’রু’দ্ধে চঁ’দাচা’জি, জমি’দখলসহ বিভিন্ন অ’ভি’যোগ সামনে আসছে। দু’র্নী’তি দ’ম’ন কমিশন ইতিমধ্যে বলেছে হাজী সেলিমের বি’রু’দ্ধে ত’দন্ত করবে তারা।

ইরফান সেলিম আ’ট’ক হওয়ার পর পরই অগ্রণী ব্যাংকের যে জমিটি হাজী সেলিম অ’বৈধভাবে দখ’ল করেছিলেন

সেটি অগ্রণী ব্যাংক কতৃপক্ষ পূনরুদ্ধার করেছে। এরকম পরিস্থিতিতে হাজী সেলিম ইরফানের ঘটনায় নিজেকে জড়াতে চাইছেন না।

এই ঘট’না যতক্ষণ পর্যন্ত ঠা’ন্ডা না হচ্ছে এবং এটি নিয়ে গণমাধ্যমের আগ্রহ যতক্ষণ না কমছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি এ থেকে দুরে থাকার নীতি গ্রহণ করেছেন।

ইরফান সেলিমের চেয়ে তার সম্পত্তি রক্ষা করাই এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন হাজী সেলিমের ঘনিষ্ঠরা।

আগামী বছর স্ত্রীকে নিয়ে হজে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল শহিদুন্নবী জুয়েল

কোরআন শরীফ অ’বমাননার গু’জবে কান দিয়ে যে যু’বককে পি’টিয়ে হ’ত্যা করে ম’রদেহ আ’গুনে পু’ড়িয়ে দেওয়া হয়েছে,

সেই শহিদুন্নবী জুয়েল (৩৭) আসলে অত্যন্ত ধা’র্মিক ও সহজ-সরল ছিলেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় এবং নিয়মিত কো’রআন-হাদিস পাঠ করতেন।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রংপুর নগরীর শালবনে তার বাসভবনে সরেজমিনে গিয়ে প’রিবার ও এ’লাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে এ বি’ষয়ে জানা গেছে।

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজে’লার বুড়িমারী বাজার কেন্দ্রীয় জামে ম’সজিদে কো’রআন অ’বমাননার গু’জব থেকে জুয়েলকে হ’ত্যা করে ম’রদেহ আ’গুনে পু’ড়িয়ে দেয় বিক্ষু’ব্ধ জ’নতা।

শহিদুন্নবী জুয়েল রংপুর শহরের শালবন রোকেয়া সরণি এলাকার আব্দুল ওয়াজেদ মিয়ার ছে’লে। তিনি রংপুর ক্যা’ন্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক গ্রন্থাগারিক ছিলেন।

তার বড় মেয়ে জেবা তাসনিম এবার এইসএসসি পাস করেছে। ছেলে তাশিকুল ইসলাম ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

শুক্রবার সকালে শালবনে তার বাসভবনে গিয়ে দেখা যায়, খবর পেয়ে এলাকাবাসীসহ আত্মীয়-স্বজনরা ছুটে এসেছেন। প’রিবারের স্ব’জনদের কা’ন্না ও আ’হাজারিতে ভা’রী হয়ে আছে পরিবেশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here