গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই সোচ্চার হয়েছেন। শিল্প-সাহিত্য-সংগীত ভুবনের তারকারাও ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন নিজস্ব ভাষায়।

সংবাদ পাঠিকা ও উপস্থাপক নাজনীন মুন্নী এ প্রসঙ্গে ফেসবুকে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

মুন্নী লিখেছেন, ‘কয়েকদিন ধরে কাজ করছি আর বুঝতে পারছি- আপনি, আমি আমরা নপুংসক। মেয়েকে ধর্ষণ করেছে বাবা, ৭০ বছরের বৃদ্ধাও ধর্ষণ করছে,

মাদ্রাসার শিক্ষক ছাত্রীকে ধর্ষণ করছে, …বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ধর্ষিতা হচ্ছে, স্বামীর সঙ্গে নিরাপদ ভেবে বেড়াতে যাওয়া বধূটিও হচ্ছে ধর্ষণের শিকার।’

‘কেউ কি পারবেন এদের কাউকে এমন উলঙ্গ করে পুরো দেশে ঘুরাতে?’ মুন্নী ফেসবুকে তার বন্ধুদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেছেন,

‘মৃত্যুদণ্ড চাইছি না। তাদের বোঝান অন্তত অসম্মান কেমন লাগে… না হলে প্রতিদিন এমন হবে, হতেই থাকবে। প্রতিটি রেইপ আপনার দিকে আঙুল তুলে দেখাবে আপনি নপুংসক।’

আগামী বছর স্ত্রীকে নিয়ে হজে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল শহিদুন্নবী জুয়েল

কোরআন শরীফ অ’বমাননার গু’জবে কান দিয়ে যে যু’বককে পি’টিয়ে হ’ত্যা করে ম’রদেহ আ’গুনে পু’ড়িয়ে দেওয়া হয়েছে,

সেই শহিদুন্নবী জুয়েল (৩৭) আসলে অত্যন্ত ধা’র্মিক ও সহজ-সরল ছিলেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় এবং নিয়মিত কো’রআন-হাদিস পাঠ করতেন।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রংপুর নগরীর শালবনে তার বাসভবনে সরেজমিনে গিয়ে প’রিবার ও এ’লাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে এ বি’ষয়ে জানা গেছে।

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজে’লার বুড়িমারী বাজার কেন্দ্রীয় জামে ম’সজিদে কো’রআন অ’বমাননার গু’জব থেকে জুয়েলকে হ’ত্যা করে ম’রদেহ আ’গুনে পু’ড়িয়ে দেয় বিক্ষু’ব্ধ জ’নতা।

শহিদুন্নবী জুয়েল রংপুর শহরের শালবন রোকেয়া সরণি এলাকার আব্দুল ওয়াজেদ মিয়ার ছে’লে। তিনি রংপুর ক্যা’ন্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক গ্রন্থাগারিক ছিলেন।

তার বড় মেয়ে জেবা তাসনিম এবার এইসএসসি পাস করেছে। ছেলে তাশিকুল ইসলাম ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

শুক্রবার সকালে শালবনে তার বাসভবনে গিয়ে দেখা যায়, খবর পেয়ে এলাকাবাসীসহ আত্মীয়-স্বজনরা ছুটে এসেছেন। প’রিবারের স্ব’জনদের কা’ন্না ও আ’হাজারিতে ভা’রী হয়ে আছে পরিবেশ।

স্বজন ও এ’লাকাবাসীর দা’বি, ক্যা’ন্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল থেকে চাকরি চলে যাওয়ায় তার একমাত্র উপার্জনপথ ব’ন্ধ হয়ে যায়।

এরপর মা’নসিকভাবে অনেকটা ভে’ঙে পড়েছিলেন। ডাক্তারের পরামর্শে ও’ষুধ খেতেন নিয়মিত।তার বাড়ি ঘুরে দেখা যায়, প্রত্যেকটি ঘরে পবিত্র কোরআন,

হাদিসসহ ইসলামিক বিভিন্ন বই। ঘরের আলমারি ও দেয়ালে ঝুলছে ইসলামিক বিভিন্ন নিদর্শন ও দোয়ার ছবি। তার স্ত্রী হা’তে তসবিহ নিয়েই আহাজারি করছেন। স্ব’জনরা তাকে শান্তনা দিচ্ছেন।

জুয়েলের স্ত্রী জেসমিন আক্তার মুক্তা আ’হাজারি করতে করতে বলেন, আমার স্বামী অনেক সহজ-সরল ছিল। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তো,

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here