বিয়ের পর মাত্র একমাস অ’পূর্ব-প্রভা একসঙ্গে ছিলেন। তারপর দাম্পত্য কলহের কারণে প্রায় ৫ মাস তারা আলাদা থেকেছেন। এরপর ডিভোর্সের মাধ্যমে অ’পূর্ব-প্রভা’র স’ম্পর্কের অবসান হয়েছে।

ঢাকার মোহাম্ম’দপুরে প্রভাদের বাসায় দুই পরিবারের সদস্যদের মধ্যস্থতায় তাদের ডিভোর্সের কাগজপত্র তৈরি করা হয় এবং তাতে উভ’য়ে স্বাক্ষর করেন। অ’পূর্বকে দেনমোহর হিসেবে পরিশোধ করতে হয়েছে ১০ লাখ টাকা।

এ বিষয়ে সেসময় অ’পূর্ব সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মানসিকভাবে আমি খানিকটা বিপর্যস্ত। এ অবস্থায় আমা’র পক্ষে কিছু বলা বা মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

অ’পূর্বর সঙ্গে প্রভা’র পালিয়ে গিয়ে বিয়ের পর একের পর এক ঘটতে থাকে নাট’কী’য় সব ঘটনা।

এ বিষয়টি নিয়েই অ’পূর্ব-প্রভা’র দাম্পত্য জীবনে মেঘ নেমে আসে। কারণ প্রভা অ’পূর্বকে আশ্বস্ত করেছিল যে, রাজিবের সঙ্গে প্রে’মের স’ম্পর্ক ছিল ঠিকই, কিন্তু অন্তরঙ্গ কোনো স’ম্পর্ক ছিল না।

এই নিয়ে বাদানুবাদের একপর্যায়ে অ’পূব আর প্রভা’র মধ্যে হাতাহাতি পর্যন্ত হয়েছে বলে জানা যায়। পরবর্তীতে

প্রভা তার বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করে। উত্তরায় অ’পূর্বর বাসা থেকে প্রভাকে তার বাবা এসে নিজের জিম্মায় নিয়ে যান।

এরপর প্রভা’র পরিবারের পক্ষ থেকে একাধিকবার এই দম্পতির বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হলেও অ’পূর্ব তাতে সাড়া দেন নি।

সবশেষে দুই পরিবারের সম্মতিক্রমেই তাদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বিয়ে বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়েছে। প্রভা’র পরিবারের দাবি’কৃত কাবিননামায় উল্লেখিত দেনমোহরের দশ লাখ এক টাকা অ’পূর্ব পরিশোধ করতে হয়েছে।

আগামী বছর স্ত্রীকে নিয়ে হজে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল শহিদুন্নবী জুয়েল

কোরআন শরীফ অ’বমাননার গু’জবে কান দিয়ে যে যু’বককে পি’টিয়ে হ’ত্যা করে ম’রদেহ আ’গুনে পু’ড়িয়ে দেওয়া হয়েছে,

সেই শহিদুন্নবী জুয়েল (৩৭) আসলে অত্যন্ত ধা’র্মিক ও সহজ-সরল ছিলেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় এবং নিয়মিত কো’রআন-হাদিস পাঠ করতেন।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রংপুর নগরীর শালবনে তার বাসভবনে সরেজমিনে গিয়ে প’রিবার ও এ’লাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে এ বি’ষয়ে জানা গেছে।

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজে’লার বুড়িমারী বাজার কেন্দ্রীয় জামে ম’সজিদে কো’রআন অ’বমাননার গু’জব থেকে জুয়েলকে হ’ত্যা করে ম’রদেহ আ’গুনে পু’ড়িয়ে দেয় বিক্ষু’ব্ধ জ’নতা।

শহিদুন্নবী জুয়েল রংপুর শহরের শালবন রোকেয়া সরণি এলাকার আব্দুল ওয়াজেদ মিয়ার ছে’লে। তিনি রংপুর ক্যা’ন্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক গ্রন্থাগারিক ছিলেন।

তার বড় মেয়ে জেবা তাসনিম এবার এইসএসসি পাস করেছে। ছেলে তাশিকুল ইসলাম ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

শুক্রবার সকালে শালবনে তার বাসভবনে গিয়ে দেখা যায়, খবর পেয়ে এলাকাবাসীসহ আত্মীয়-স্বজনরা ছুটে এসেছেন। প’রিবারের স্ব’জনদের কা’ন্না ও আ’হাজারিতে ভা’রী হয়ে আছে পরিবেশ।

স্বজন ও এ’লাকাবাসীর দা’বি, ক্যা’ন্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল থেকে চাকরি চলে যাওয়ায় তার একমাত্র উপার্জনপথ ব’ন্ধ হয়ে যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here