সারাদেশঃ রংপুরের মিঠাপুকুর উপজে’লা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার সাদাত লিমনের নেতৃত্বে এক ব্যবসায়ীর বাড়িসহ

তিনটি দোকান দ’খল ও নগদ অর্থসহ মালামাল লু’টপাটের ঘটনায় মা’মলা দা’য়েরের ২২ দিন পেরিয়ে গেলেও আ’সামিদের কাউকেই গ্রে’ফতার করেনি

মিঠাপুকুর থানা পুলিশ। অথচ পুলিশের সামনেই প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা এমনকি থানায় ঘণ্টর পর ঘণ্টা অবস্থান করলেও প্রধান আ’সামি লিমনকে গ্রে’ফতার করছে না বলে অ’ভিযোগ উঠেছে।

এদিকে বাড়িঘর দ’খল করে নেওয়ায় পর সর্বস্ব হা’রিয়ে পথে পথে ঘুরছে ভু’ক্তভোগী পরিবার। এক কাপড়েই দিন কাটছে স্বামী, স্ত্রী, স’ন্তান সবার।

গত ১১ অক্টোবর আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওযার সুযোগে মিঠাপুকুর উপজে’লা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ মো. আনোয়ার সাদাত লিমনের নেতৃত্বে তার ভাই শাহ সাজ্জাদ হোসেন,

শাহ নুরুল রওশনসহ ৫০-৬০ জন ক্যাডার লা’ঠি, ছোড়া বল্লম , লো’হার র’ডসহ বিভিন্ন অ’স্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঘরের তালা ভে’ঙে বাসাটি দ’খল করে নেয়।

তারা বাসায় থাকা আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল ভাং’চুর করে।এছাড়া নগদ অর্থ, ল্যাপটপসহ ৫০ লাখ টাকার মালামাল লু’ট করে।

খবর পেয়ে বা’দী ও তার স্ত্রী মমতাজ বেগম বা’ধা দিলে তাদের মা’রধর করে। মমতাজ বেগমের পরনের কাপড় ছিঁড়ে তাকে বি’বস্ত্র করে শ্লী’লতাহা’নি করে।

আওয়ামী লীগ নেতা লিমন নিজেই লা’ঠি ও লো’হার র’ড নিয়ে হা’মলার নেতৃত্ব দেয়। এ সংক্রান্ত ভিডিওচিত্রও রয়েছে।

ব্যবসায়ী আব্দুল আলিম মিঠু ও তার স্ত্রী মমতাজ বেগম জানান, ঘটনার পর ১১ অক্টোবর বিকালে এ ব্যাপারে মা’মলা দা’য়ের করার জন্য মিঠাপুকুর থানার ওসি

আমিরুজ্জামানের সঙ্গে দেখা করলে তিনি ‘দেখছি’ বলে বিকাল থেকে সারা রাত ও পরের দিন দুপুর পর্যন্ত থানায় অবস্থান করলেও মা’মলা নেননি।

পরে রংপুরের পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমারের সঙ্গে দেখা করে পুরো বি’ষয় জানালে তিনি থানাকে মা’মলা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর পুলিশ আ’সামিদের পক্ষ নিয়ে দায়সারা একটি মা’মলা রেকর্ড করে।

মা’মলার বা’দী মিঠু ও তার স্ত্রী মমতাজ আরও জানান, মা’মলা দা’য়েরের পর আ’সামিদের গ্রে’ফতারের জন্য মিঠাপুকুর থানার ওসি আমিরুজ্জামান,

ওসি ত’দন্ত জাকির হোসেনের সঙ্গে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করলেও এখন পর্যন্ত আ’সামিদের কাউকেই গ্রে’ফতার করেনি।

উল্টো আ’সামিদের পক্ষ নিয়েছে পুলিশ। মা’মলার প্রধান আ’সামি লিমন থানায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অবস্থান করলেও পুলিশ তাকে গ্রে’ফতার করছে না।

তারা আরও অ’ভিযোগ করেন, আমরা এখন বাস্তহারা হয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছি। মমতাজ বেগম জানান,

আমার বড় ছেলে খালিদ হাসান মান্না মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি ইজ্ঞিনিয়ারিং বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here