সারাদেশঃ ফেনীতে সেলুন দোকানে আ’টকে ১০ বছরের এক শি’শুকে ধ”ণের অ’ভিযোগে একজনকে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ। গ্রে’ফতারকৃতের নাম মানিক চন্দ্র দাস (৫৫)।

সে ফেনী সদর উপজে’লার কালিদহ ইউনিয়নের পূর্ব সিলোনিয়ার সুরামণি দাসের ছেলে। সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মানিক চন্দ্র দাসকে তার সেলুনের দোকান থেকে গ্রে’ফতার করে পুলিশ।

এর আগে বিকালে শি’শুটির মা বা’দী হয়ে ফেনী মডেল থানায় মা’মলা দা’য়ের করেন। মানিক ফেনী সদর উপজে’লার কালিদহ ইউনিয়নের পূর্ব সিলোনিয়ার সুরামণি দাসের ছেলে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) আ’সামিকে আ’দালতে প্রেরণ করা হবে ও নি’র্যাতিতা শি’শুটির জ’বানব’ন্দি গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক (ত’দন্ত) ওমর হায়দার।

স্ত্রী অ’সুস্থ থাকায় তার জন্য দুপুরে ভাত নিয়ে যায় অপর ভাড়াটিয়ার ১০ বছরের শি’শুটি। এসময় তার সঙ্গে ৮ বছর বয়সী তার ছোট বোনও ছিল।

এদিকে, দুই বোন দোকানে গেলেও কৌশলে মানিক দাস ছোট বোনকে সিঙ্গারা আনার জন্য বাইরে পাঠিয়ে বড় বোনকে রেখে দোকানের দরজা আ’টকে দেয়।

এসময় শি’শুটির মা-বাবাকে মে’রে ফেলার হু’মকি দিয়ে চোখ বেঁ’ধে ধ”ণ করে দোকানি মানিক। কিছুক্ষণ পর ছোট বোন ফিরে এসে দোকান বন্ধ দেখে দরজায় ধাক্কা দেয়।

দরজা খোলার পর বড় বোনকে ন’গ্ন অবস্থায় দেখতে পায় ছোট বোন। ঘটনার পর বাসায় ফিরে তারা মা-বাবাকে বি’ষয়টি জানালে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করে ধা’মাচা’পা দেয়ার চেষ্টা চা’লায় মানিক।

এতে কোন সুরাহা না হওয়ায় স্থানীয়দের পরামর্শে তার বি’রুদ্ধে মা’মলা দা’য়ের করে নি’র্যাতিতা শি’শুটির মা।

ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক (ত’দন্ত) ওমর হায়দার জানান, ধ”ণের ঘটনায় মা বা’দী হয়ে ২০০৩ সালের নারী ও শি’শু নি’র্যাতন দ’মন আইনের ৯

(১) ধারায় মা’মলা দা’য়ের করলে পুলিশ অ’ভিযুক্ত মানিক দাসকে গ্রে’প্তার করেছে। তিনি আরো জানান, নি’র্যাতিতা শি’শুটির শারিরীক পরীক্ষা জন্য

সোমবার বিকালে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে অ’ভিযুক্ত মানিক দাসের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা নিতে গ্রে’প্তারের পর তাকেও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অবশেষে ধ”ণ মা’মলায় এএসআই রাহেনুল গ্রে’ফতার

রংপুরে নবম শ্রেণীর ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধ”ণের ঘটনার মূল হোতা মহানগর ডি’বি পুলিশের এএসআই রাহেনুল ইসলাম ওরফে রাজুকে অবশেষে গ্রে’ফতার করা হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে নয়টার দিকে তাকে গ্রে’ফতার করে মেট্টোপলিটন পুলিশ লাইন্স থেকে নগরীর পিবিআই কার্যালয়ে নেওয়া হয়। এর আগে দুইদিন তাকে মেট্টোপলিটন পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছিল ।

বর্তমানে তাকে নগরীর কেরানী পাড়ায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কার্যালয়ে রাখা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার তাকে আ’দালতে নেওয়া হবে।

এর আগে রংপুর চীফ জুডিসিয়াল ম্যা’জিস্ট্রেট আ’দালতের বিচারক জাহাঙ্গীর আলমের কাছে ২২ ধারায় দেয়া ঘটনার বর্ণনায় রাহেনুলের সম্পৃক্ততার কথা জানান ধ”ণের শি’কার স্কুলছাত্রী।

এ সময় জে’লা পিবিআই পুলিশের পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন লেন, গণধ”ণের ঘটনার আগের দিন ২৩ অক্টোবর প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here