মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে আছে গোটা বিশ্ব। বিভিন্ন রাজ্য থেকে ভোটের ফলাফল আসতে শুরু করেছে। শুরুতে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও ক্রমেই

জয়ের সম্ভাবনা প্রবল হচ্ছে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। এরই মধ্যে পূর্ব ঘোষণা মতো জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি নিজের বড় জয়ের ঘোষণা দিয়েছেন।

ট্রাম্প ভাষণে বলেছেন, ‘আমরা নির্বাচনে জিতে গেছি। ওরা আমাকে ধরতেই পারবে না। আমরা পেনসিলভানিয়ায়ও বড় ব্যবধানে জিততে যাচ্ছি। আমাকে হারনো তাদের পক্ষে অসম্ভব।

উইসকনসিনও আমরা জয় করতে যাচ্ছি।’ট্রাম্প জোর গলায় ঘোষণা দিলেন, ‘আমরা নির্বাচনে জিতে গেছি।’বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা ভোটের ফলাফলে দেখা গেছে,

কয়েকটি রাজ্যে এগিয়ে আছেন ট্রাম্প। ফলে পিছিয়ে থাকলেও নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ট্রাম্পের।এর আগে নিজের সামর্থ্য ও বক্তব্য তুলে ধরে

জাতির উদ্দেশে ট্রাম্প ভাষণ দেবেন বলে জানিয়েছিলেন ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা শিবিরের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।তার নিজের অবস্থান তুলে ধরতে হবে। হোয়াইট হাউজের ইস্ট রুম থেকে তিনি এই ভাষণ দেবেন।’

ট্রাম্পের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা বিবিসিকে জানিয়েছেন, ডেমোক্র্যাটরা ‘লাল মরীচিকা’ নামে যে কথাবার্তা বলছে, তাতে ট্রাম্প শিবিরে একপ্রকার হতাশা তৈরি হয়েছে। লাল হচ্ছে রিপাবলিকানদের প্রতীকী রঙ।

ডেমোক্র্যাটরা জানিয়েছেন, বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয়ের যে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে, তা সঠিক নয়। কারণ সেখানে পোস্টাল ব্যালট অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সেটা করা হলে ফলাফল ডেমোক্র্যাটদের দিকেই যাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট কে হচ্ছেন সেটা জানতে আরো কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে। তবে তার আগে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে বিজয়ী ঘোষণা করেছেন।

ভা’রতে মু’সলিম’দের অবদান মুছে দেয়া হচ্ছে: অম’র্ত্য সেন

ভা’’ রতে মু’সলিম’দের অবদান মুছে দেয়া হচ্ছে বলে অ’ভিযোগ করেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অম’র্ত্য সেন। তিনি বলেছেন, ভা’’ রত সরকারের ক’র্তাব্যক্তিরা মু’সলিম’

দের অধিকার হননের ব্যাপারে অ’তিমাত্রায় তৎপর। বহু স্কুলপাঠ্য বইতে এমন আদ্যন্ত মনগড়া ইতিহাস পরিবেশিত হচ্ছে, যেগুলোতে মু’সলিম’দের অবদানকে হয় ঢেকে দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার জার্মান বুক ট্রেডের দেয়া শান্তি পুরস্কার-২০২০ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান তিনি এসব কথা বলেন।অম’র্ত্য সেন বলেন, এ দেশে হিন্দু এবং মু’সলিম’রা শতশত বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে বাস করে এসেছেন

কিন্তু ইদানীং রাজনৈতিকভাবে ‘চরমপন্থী হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো’র আচরণে এ দেশীয় মু’সলিম’দের বিদেশি হিসেবে গণ্য করার চেষ্টা প্রকট হয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, তারা এমন দোষারোপও করছে যে, মু’সলিম’রা দেশের ক্ষতি করে চলেছেন। চরমপন্থী হিন্দু রাজনীতির ক্রমবর্ধমান শক্তি এতে ইন্ধন জুগিয়ে চলেছে।

এবং এরফলে সমাজে ধ’র্মাশ্রিত বৈরভাব ও গোষ্ঠীগত বিচ্ছিন্নতা বিপুলভাবে বাড়ছে।দেশটির সংস্কৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ভা’’ রতীয় সংস্কৃতি হল নানা ধ’র্মের লোকেদের যৌথ সাধনার ফল।

সঙ্গীত বা সাহিত্য থেকে চিত্রকলা ও স্থাপত্য পর্যন্ত নানা ক্ষেত্রে এই সমন্বয়ের দেখা মেলে।তিনি আরও বলেন, ভা’’ রতের বাইরের লোকেরা যাতে পড়তে পারেন,

সেই উদ্দেশ্যে উপনিষদের মতো হিন্দু শাস্ত্রগুলোর তর্জমা’র কাজটি শুরু করেন দারা শুকো-সম্রাজ্ঞী মুমতাজের জ্যেষ্ঠপুত্র, যে মুমতাজের স্মৃ’তিতে ‘তাজমহল’ নির্মাণ করিয়েছিলেন সম্রাট শাহ’জাহান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here