যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দামামা ছড়িয়ে পড়েছে পুরো বিশ্বে। সবার চোখে এখন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে। এর মধ্যে ইলেক্টোরাল ভোটে ট্রাম্পের চেয়ে বেশ এগিয়ে জো বাইডেন। যদিও ইতিমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্য ফ্লোরিডা এবং ওহাইও জিতে নিয়েছেন ট্রাম্প।

মার্কিন গণমাধ্যম বলছে, ক্যালিফোর্নিয়া, ওরেগন এবং ওয়াশিংটনে জো বাইডেন জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন ট্রাম্পের কাছ থেকে। ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হতে হলে ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটে জিততেই হবে।

এখন পর্যন্ত ইলেক্টোরাল ভোটের প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী বাইডেন পেয়েছেন ২৩৮ আর প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাম্প পেয়েছেন ২১৩টি ভোট।কে হচ্ছেন পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট তা জানতে সবাইকে অপেক্ষা করতে আরও কিছু সময়।

তবে প্রেসিডেন্টে পদ প্রত্যাশী দুই প্রার্থীর প্রতি কাদের কেমন মনোযোগ ও পছন্দ তা এরিমধ্যে জানা গেছে। আমেরিকায় ন্যাশনাল এক্সিট জরিপের রায়, কেবল শ্বেতাঙ্গ ও বয়স্করা বাইডেনের থেকে ট্রাম্পকে বেশি সমর্থন করছেন।

এক্সিট পোলে দেখা গেছে, শ্বেতাঙ্গ ভোটের ৫৫ শতাংশ পেতে পারেন ট্রাম্প, বাইডেন ৪৩ শতাংশ। আবার কৃষ্ণাঙ্গ ভোটের ক্ষেত্রে হিসাবটা উল্টে যাচ্ছে।

সেখানে বাইডেন পেতে পারেন ৮৭ শতাংশ ও ট্রাম্প ১১ শতাংশ ভোট। যাদের বয়স ৬৫ বছরের বেশি তারা ট্রাম্পের দিকেই ঝুঁকে। এই বয়সের ৫১ শতাংশ ভোটদাতার সমর্থন পেতে পারেন ট্রাম্প।

বাইডেন পেতে পারেন ৪৮ শতাংশ। আবার তরুণ ভোটদাতা, যাদের বয়স ১৮ থেকে ২৯ এর মধ্যে, সেখানে বাইডেন এগিয়ে আছেন। তিনি ৬৪ শতাংশ তরুণের ভোট পেতে পারেন। ট্রাম্প পেতে পারেন ৩৩ শতাংশ।

পুরুষদের ভোট প্রায় সমান সমান পেতে পারেন ট্রাম্প ও বাইডেন। কিন্তু মেয়েদের ভোট পাওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকতে পারেন বাইডেন।এক্সিট পোল বলছে, ৫৭ শতাংশ মেয়ে বাইডেনকে ভোট দিয়েছেন, ৪২ শতাংশ ট্রাম্পকে।

ভা’রতে মু’সলিম’দের অবদান মুছে দেয়া হচ্ছে: অম’র্ত্য সেন

ভা’’ রতে মু’সলিম’দের অবদান মুছে দেয়া হচ্ছে বলে অ’ভিযোগ করেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অম’র্ত্য সেন। তিনি বলেছেন, ভা’’ রত সরকারের ক’র্তাব্যক্তিরা মু’সলিম’

দের অধিকার হননের ব্যাপারে অ’তিমাত্রায় তৎপর। বহু স্কুলপাঠ্য বইতে এমন আদ্যন্ত মনগড়া ইতিহাস পরিবেশিত হচ্ছে, যেগুলোতে মু’সলিম’দের অবদানকে হয় ঢেকে দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার জার্মান বুক ট্রেডের দেয়া শান্তি পুরস্কার-২০২০ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান তিনি এসব কথা বলেন।অম’র্ত্য সেন বলেন, এ দেশে হিন্দু এবং মু’সলিম’রা শতশত বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে বাস করে এসেছেন

কিন্তু ইদানীং রাজনৈতিকভাবে ‘চরমপন্থী হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো’র আচরণে এ দেশীয় মু’সলিম’দের বিদেশি হিসেবে গণ্য করার চেষ্টা প্রকট হয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, তারা এমন দোষারোপও করছে যে, মু’সলিম’রা দেশের ক্ষতি করে চলেছেন। চরমপন্থী হিন্দু রাজনীতির ক্রমবর্ধমান শক্তি এতে ইন্ধন জুগিয়ে চলেছে।

এবং এরফলে সমাজে ধ’র্মাশ্রিত বৈরভাব ও গোষ্ঠীগত বিচ্ছিন্নতা বিপুলভাবে বাড়ছে।দেশটির সংস্কৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ভা’’ রতীয় সংস্কৃতি হল নানা ধ’র্মের লোকেদের যৌথ সাধনার ফল।

সঙ্গীত বা সাহিত্য থেকে চিত্রকলা ও স্থাপত্য পর্যন্ত নানা ক্ষেত্রে এই সমন্বয়ের দেখা মেলে।তিনি আরও বলেন, ভা’’ রতের বাইরের লোকেরা যাতে পড়তে পারেন,

সেই উদ্দেশ্যে উপনিষদের মতো হিন্দু শাস্ত্রগুলোর তর্জমা’র কাজটি শুরু করেন দারা শুকো-সম্রাজ্ঞী মুমতাজের জ্যেষ্ঠপুত্র, যে মুমতাজের স্মৃ’তিতে ‘তাজমহল’ নির্মাণ করিয়েছিলেন সম্রাট শাহ’জাহান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here