বগুড়ার ধুনট উপজেলায় মাদক সেবন করে একটি বাড়িতে জোর করে ঢোকার সময় এক যুবলীগ নেতাকে আটক করে স্থানীয় জনতা। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

বুধবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।গ্রেপ্তার হওয়া যুবলীগ নেতার নাম সুলতান মাহমুদ ওরফে সুজন (২৭)।

তিনি উপজেলার গোসাইবাড়ি ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি উপজেলার পশ্চিম গুয়াডহরী গ্রামের বাসিন্দা।

ধুনট থানার এসআই আকবর হোসেন বলেন, সুলতান মাহমুদকে মাদক সেবনের অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে গোসাইবাড়ি সাতমাথা

স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে রাখেন। খবর পেয়ে থানা-পুলিশ সেখান থেকে সুলতানকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়তবে সুলতান মাহমুদ দাবি করেন,

আমার ছোট ভাই দেশের বাইরে চাকরি করছে। পরিবারের সম্মতিক্রমে ওই স্কুলছাত্রীর সঙ্গে আমার ভাইয়ের বিয়ের কথা চলছে। ওই বিষয়ে কথা বলতে স্কুলছাত্রীর বাড়িতে গিয়েছিলাম।

কিন্তু ওই বাড়ির লোকজন আমাকে ঢুকতে না দিয়ে আটকে রেখে মারধর করেছে।বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শেরপুর-ধুনট সার্কেল) গাজীউর রহমান বলেন,

স্কুলছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ করা হয়নি। সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগে মামলা করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ভা’রতে মু’সলিম’দের অবদান মুছে দেয়া হচ্ছে: অম’র্ত্য সেন

ভা’’ রতে মু’সলিম’দের অবদান মুছে দেয়া হচ্ছে বলে অ’ভিযোগ করেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অম’র্ত্য সেন। তিনি বলেছেন, ভা’’ রত সরকারের ক’র্তাব্যক্তিরা মু’সলিম’

দের অধিকার হননের ব্যাপারে অ’তিমাত্রায় তৎপর। বহু স্কুলপাঠ্য বইতে এমন আদ্যন্ত মনগড়া ইতিহাস পরিবেশিত হচ্ছে, যেগুলোতে মু’সলিম’দের অবদানকে হয় ঢেকে দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার জার্মান বুক ট্রেডের দেয়া শান্তি পুরস্কার-২০২০ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান তিনি এসব কথা বলেন।অম’র্ত্য সেন বলেন, এ দেশে হিন্দু এবং মু’সলিম’রা শতশত বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে বাস করে এসেছেন

কিন্তু ইদানীং রাজনৈতিকভাবে ‘চরমপন্থী হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো’র আচরণে এ দেশীয় মু’সলিম’দের বিদেশি হিসেবে গণ্য করার চেষ্টা প্রকট হয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, তারা এমন দোষারোপও করছে যে, মু’সলিম’রা দেশের ক্ষতি করে চলেছেন। চরমপন্থী হিন্দু রাজনীতির ক্রমবর্ধমান শক্তি এতে ইন্ধন জুগিয়ে চলেছে।

এবং এরফলে সমাজে ধ’র্মাশ্রিত বৈরভাব ও গোষ্ঠীগত বিচ্ছিন্নতা বিপুলভাবে বাড়ছে।দেশটির সংস্কৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ভা’’ রতীয় সংস্কৃতি হল নানা ধ’র্মের লোকেদের যৌথ সাধনার ফল।

সঙ্গীত বা সাহিত্য থেকে চিত্রকলা ও স্থাপত্য পর্যন্ত নানা ক্ষেত্রে এই সমন্বয়ের দেখা মেলে।তিনি আরও বলেন, ভা’’ রতের বাইরের লোকেরা যাতে পড়তে পারেন,

সেই উদ্দেশ্যে উপনিষদের মতো হিন্দু শাস্ত্রগুলোর তর্জমা’র কাজটি শুরু করেন দারা শুকো-সম্রাজ্ঞী মুমতাজের জ্যেষ্ঠপুত্র, যে মুমতাজের স্মৃ’তিতে ‘তাজমহল’ নির্মাণ করিয়েছিলেন সম্রাট শাহ’জাহান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here