তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

দুই দিনের রাজ্য সফরে এসে বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ায় এই মন্তব্য করেন তিনি। এদিন সকালে কলকাতা থেকে হেলিকপ্টারে করে বাঁকুড়ার কারকডাঙা হেলিপ্যাডে নামেন অমিত শাহ।

পরে সেখান থেকে সড়ক পথে বাঁকুড়া জেলার পুয়াবাগান মোড়ে বিপ্লবী বিরসা মুন্ডার মূর্তিতে মাল্যদান করে মমতা সরকারকে উৎখাতের ডাক দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এরপর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন ‘বিরসা মুন্ডার মূর্তিতে মালা দিয়ে আমার দুই দিনের বাংলা সফর শুরু হল।

মোদির অ’ভিযো’গ ‘গরীব মানুষের জন্য মোদি সরকার যাবতীয় প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন, বাংলার মানুষের জীবন পরিবর্তনের জন্য ভারত

সরকার যে ধরনের আশ্বাস দিয়েছে তা তাদের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। আদিবাসী, তফসিলি পরিবারের জন্য যে রুপি পাঠানো হয়েছে-

তা তাদের কাছে পৌঁছায়নি, কৃষকদের বার্ষিক ৬ হাজার রুপি করে পাওয়ার কথা ছিল সেটাও তারা পাচ্ছেন না। গরীবরের ৫ লাখ আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা সেটাও দেওয়া হচ্ছে না।

’ শাহ’এর দাবি ‘ভারত সরকারর ৮০ টির বেশি প্রকল্পের আওতায় দেশের গরীব, দলিত, আদিবাসী ও পিছিয়ে পড়া মানুষদের কাছে এর সুবিধা পৌছানোর কথা ছিল কিন্তু মমতার সরকার তাতে বাধা দিচ্ছে।

আমি মমতা সরকারকে বলতে চাই যে আপনার মনে ভয় আছে, আপনি হয়তো ভাবছেন যে এই সব প্রকল্পগুলিকে বাধা দিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টিকে আটকাতে পারবেন-কিন্তু সেই ধারনা ভুল।’

রাজ্যে বিজেপি কার্মকর্তাদের ওপর হা’ম’লার সমালোচনা করে বিজেপির সাবেক সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন

‘মমতা সরকার যেভাবে রাজ্যের মানুষদের ওপর বিশেষ করে বিজেপি কার্যকর্তাদের ওপর যেভাবে দমন-পীড়ন নীতি চালাচ্ছে-

তাতে আমি নিশ্চিত করে দেখতে পাচ্ছি যে মমতা সরকারের মৃ’ত্যুঘণ্টা বেজে গেছে। আগামী দিনে এরাজ্যে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে

বিজেপি সরকার গঠন করতে চলেছে। আমি বাংলার মানুষের আবেদন করতে চাই যে দেশের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে,

বাংলার যুবসমাজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে ও গরীব মানুষদের দারিদ্রতা থেকে মুক্তি দিতে এই সরকারকে উপড়ে ফেলে দিন।’

অমিত শাহের আর্জি ‘আপনারা বিজেপিকে একটা সুযোগ দিন, আমরা আগামী দিনে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সোনার বাংলা তৈরি করবো।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here