৩ বছর আগে ভিজি’ডি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে বিধবা আলেয়া খাতুনের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির (১০ টাকা কেজির চাল) কার্ড ইউপি সদস্য জাহিদুল

ইসলাম নিয়ে নেন বলে অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে। এরপর থেকে ওই কর্মসূচির চাল নিয়মিত তুলে নিচ্ছিলেন তিনি। এক সময় আলেয়া খাতুন ওই ইউপি সদস্যের কাছে কার্ড ফেরত চান।

কিন্তু তিনি তাকে কার্ড ফেরত না দিয়ে নানা টালবাহা’নায় পার করেন প্রায় তিন বছর। পরে ইউপি সদস্য আলেয়া খাতুনকে ভিজি’ডি কার্ড করে আর দেননি।

কিন্তু খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল তুলে নিচ্ছিলেন ঠিকই। অবশ্য এ ঘটনায় কর্মসূচির ডিলার ইমন আলীর যোগসাজশ ছিল বলে জানা যায়।

পরিবারকে হু’মকি দিয়ে যাচ্ছেন। এমনই ঘটনা ঘটেছে পাবনা জে’লার ভাঙ্গুড়া উপজে’লার সদর ইউনিয়নের (৪ নম্বর ওয়ার্ড) কৈডাঙ্গা গ্রামে। হতদরিদ্র আলেয়া খাতুন

ওই গ্রামের মৃ’ত আমজাদ খাঁর স্ত্রী।লিখিত অ’ভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি প্রতিবেশীদের মাধ্যমে আলেয়া খাতুন জানতে পারে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তালিকায় তার নাম রয়েছে।

দীর্ঘ দিন ধরে ইউপি সদস্য জাহিদুল ইসলাম ওই কার্ডের মাধ্যমে চাল তুলে নেন। বি’ষয়টি জানার পরে হতদরিদ্র আলেয়া খাতুনের ছেলে আলতাব হোসেন ইউনিয়ন পরিষদে যায় বি’ষয়টির খোঁজ নিতে।

সেখানে গিয়ে ঘটনার সত্যতা জানতে পারেন তিনি। এরপর তিনি কর্মসূচির ডিলারের কাছে গিয়ে জানতে পারেন তিন বছর ধরে তার মায়ের নামে চাল উত্তোলন করা হচ্ছে।

এদিকে লিখিত অ’ভিযোগের পর থেকেই তা তুলে নিতে ওই ইউপি সদস্য আলতাব হোসেন ও তার মা আলেয়া খাতুনকে হু’মকি দিচ্ছেন।অ’ভিযোগকারী আলতাব হোসেন বলেন,

লিখিত অ’ভিযোগ দেওয়ার পর থেকেই ইউপি সদস্য জাহিদুল ইসলাম বি’ষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার জন্য চা’প দিচ্ছেন। দরিদ্র বলে ইউপি সদস্যের চা’পে

তারা অসহায় বোধ করছেন। এ বি’ষয়ে কর্মসূচির ডিলার ইমন হোসেন বলেন, কার্ড অনুযায়ী চাল দিয়েছি। কার্ডধারীর পক্ষেকে চাল নিয়েছে তা খেয়াল করিনি।

অ’ভিযোগের বি’ষয়ে ইউপি সদস্য জাহিদুল ইসলাম বলেন, ওই কার্ডের চাল আমি নিজে নেইনি। একটি পরিবারের নামে কার্ড করে আরেকটি হতদরিদ্র পরিবারকে সহযোগিতা করা হয়েছে।

এজন্য আমি আলেয়া খাতুনের কাছে ক্ষমা চেয়েছি। ভাঙ্গুড়া ইউপি চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন খান বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি বিচারের ব্যাপারে সম্পূর্ণ দায়-

দয়িত্ব ইউপি সদস্য ও ডিলারের। তাই এ ব্যাপারে চেয়ারম্যানের কোনো কিছু করার নেই। তবে লিখিত অ’ভিযোগের কারণে উপজে’লা নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি’ষয়ে ব্যবস্থা নিতে পারেন।

লিখিত অ’ভিযোগ প্রাপ্তির বি’ষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গুড়া উপজে’লা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশরাফুজ্জামান বলেন, দ্রুত ত’দন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যের বি’রুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সূত্রঃ কালের কণ্

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here