একের পর এক ইচ্ছেমতো ফোন নম্বর ডায়াল করে ফোন। ফোন বাজলেই তা রেখে দেওয়া। পরবর্তীতে সেই নম্বরে একের পর এক নগ্ন ছবি পাঠানো। এভাবে প্রায় ২০০ জনকে নগ্ন

ছবি পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে কর্ণাটকের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ওই ২০০ জনের মধ্যে আবার ১২০ জনই মহিলা। শুনতে অবাক লাগলেও এমনই কুকীর্তি করে আপাতত হাজতে অভিযুক্ত ব্যক্তি।

জানা যায়, ওই ব্যক্তির নাম ও রামকৃষ্ণ। ৫৪ বছর বয়সী রামকৃষ্ণ ভারতের কর্ণাটকের চিত্রদুর্গের চাল্লাকেরের বাসিন্দা। দীর্ঘ ছয় মাস ধরেই এই কাজ করছিল সে।

স্থানীয় অনেককেই এভাবে ফোনে নগ্ন ছবি পাঠিয়ে হেনস্তা করত। শেষ পর্যন্ত স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তে নামে পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করে অভিযুক্তকে। জেরায় নিজের দোষ স্বীকারও করে নিয়েছে রামকৃষ্ণ।

পরবর্তীতে জেরায় ওই ব্যক্তি পুরো ঘটনাটি জানান। বলেন, ইচ্ছেমতো নম্বর ডায়াল করতেন। ফোন রিং হলেই রেখে দিতেন। তারপর সেই নম্বরে একের পর এক নগ্ন ছবি পাঠাতেন।

চাল্লাকেরেরই অন্তত ৫০ জন মহিলাকে এভাবে নগ্ন ছবি পাঠিয়েছিলেন। লজ্জার খাতিরে প্রথমে অনেকেই অভিযোগ জানাননি। তবে ওই ব্যক্তির গ্রেফতারের খবর পেয়ে অনেকেই আবার সাহস করে এগিয়ে এসে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ট্রাম্পকে ছুড়ে ফেলেছে জনগণ: হিলারি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেনের জয়ের পর ডোনাল্ট ট্রাম্পকে তুলোধুনো করেছেন হিলারি ক্লিনটন। ডোনাল্ট ট্রাম্পের পরাজয়কে

জনগণের প্রত্যাখ্যান বলে অভিহিতি করেছেন হিলারি। তিনি বলেন, এই ভোটের মাধ্যমে ট্রাম্পকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে জনগণ।
হিলারি বলেন, ট্রাম্পের অপশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ কথা বলেছে। ভোটের মাধ্যমে তারা এর জবাব দিয়েছে।

আমেরিকার জনগণ নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করায় তাদের ধন্যবাদ দিয়ে টুইট করেন হিলারি। টুইট তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যেক নাগরিককে ধন্যবাদ যারা এই ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন।

২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এই ট্রাম্পের কাছেই হেরে যান হিলারি। পপুলার ভোট বেশি পেলেও ইলেক্টোরাল ভোটে হেরে গিয়েছিলেন হিলারি।

সব উত্তেজনার অবসান ঘটিয়ে শনিবার (৭ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন জো বাইডেন। কয়েক শতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বৈশ্বিক মহামারি

আর দেশজুড়ে দীর্ঘ সামাজিক সহিংসতার মতো ভিন্ন এক পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশটির এবারের নির্বাচন। শক্তিশালী প্রতিপক্ষ ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে রীতিমতো ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন জো বাইডেন।

যদিও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রায় ৫০ বছর ধরে কাজ করছেন জো বাইডেন। তারপরও প্রেসিডেন্ট হওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষা তার দীর্ঘদিনের। তৃতীয়বারের চেষ্টায় সেই লক্ষ্যে সফল হয়েছেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here