সফল হওয়া সহজ কাজ নয়। নারী বা পুরুষ যেকোন মানুষের জন্যই কঠিন কাজ সেটি। একজন নারীর জন্য সেটা আরো কঠিন।কিন্তু সফল আর জ্ঞানী হিসেবে পরিচিত বিশ্বের

কয়েকজন বিখ্যাত নারী বলছেন জীবনে কয়েকটি মূলমন্ত্র অনুসরণ করতে পারলে তা যে কাউকে সফল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করবে।১. সবার আগে নিজেকে

গুরুত্ব দিজীবনের যে ক্ষেত্রেই আপনি সফল হতে চান, আপনাকে নিজের যত্ন নিতে শিখতে হবে।যদি আপনি নিজেকে সবচাইতে বেশি গুরুত্ব দিতে না পারেন, তাহলে আপনি

জীবনের ভারসাম্য খুঁজে পাবেন না।এক্ষেত্রে নিজের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিতে বলছেন নামকরা অভিনেত্রী এমা থম্পসন।সফল হতে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী জরুরী

জার্মানির অসউইজ কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প থেকে ফিরে আসা মনোবিজ্ঞানী এডিথ এজের নিজেকে সবসময় পর্বতারোহী মনে করেন।

“একজন পর্বতারোহী যখন ওপরে উঠতে থাকেন, তিনি পিছলে পড়েন, দুই তিন ধাপ নিচে নেমে যান। কিন্তু ওপরে ওঠা থামান না তিনি।আমি সেরকম,

পিছলে পড়ি কিন্তু ওপরে ওঠা থামাই না আমি, কোনদিন থামাবও না।”৬০ ও ৭০ এর দশকে নারীরা কাজ করেছেন পোশাক কারখানায়,৬০ ও ৭০ এর দশকে পশ্চিমা

দেশগুলোতে নারীরা কাজ করেছেন পোশাক কারখানায়।অসউইজ কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে এডিথের বাবা মায়ের মৃত্যুদণ্ড হয়েছিল, তিনি বেঁচে যান।পরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসেন এবং

মনোবিজ্ঞান নিয়ে পড়ালেখা করেন।”মানুষ আমাকে মারতে পারবে, অত্যাচার চালাতে পারবে। কিন্তু আমার আত্মা আর এগিয়ে যাবার চেতনা কেউ শেষ করে দিতে পারবে না।

”৩. অন্যরা কী ভাবছে তা ভাবার দরকার নেইবিখ্যাত কমেডিয়ান এবং লেখক জো ব্রান্ড বলছেন, অন্যরা আপনার সম্পর্কে কী পাত্তা দেবার

অত দরকার নেই।কারণ নিজের সম্পর্কে আপনার যে ধারণা তা অন্যের অনুমোদনের ছাড়াই আপনি বিশ্বাস করতে পারেন।

“আমি ভাবি না অন্যেরা আমার সম্পর্কে কী ভাবছে। আমি আমার নিজের চেহারা পছন্দ করি, কিন্তু আরো বহু মানুষ তা পছন্দ করে না বলেই মনে হয়।””আমি বিশ্বাস করতে শিখেছি,

আমাকে কেমন দেখায় সেটা সব সময় গুরুত্বপূর্ণ নয়।””আমার বন্ধু বা যারা আমাকে ভালোবাসে তাদের কাছেও সেটা ততটা বড় ব্যপার না। এটা মনে রাখা জরুরী বলে আমি মনে করি।

”৪. দৃষ্টিভঙ্গি বদলান অনেক সময়ই কোন খারাপ মুহূর্তে আমরা ভাবি আমাদের কবর হয়ে গেছে, বা আমরা ডুবেছি।কিন্তু সেটা অন্যভাবে ভাবা যায়, যেমন আমরা ভাবতে পারি

নতুন কোন কিছুর বীজ বোনা হয়েছে।অভিনেত্রী কেলেসি ওকাফর বলছেন, “আমার স্থির বিশ্বাস, আপনাকে আসলে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আপনি নিজের জীবন বা

সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কেমন মনোভাব পোষণ করেন।ইতিবাচকভাবে দেখার অভ্যাস করা দরকার আমাদের।”সফল হতে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী জরুরীদৃষ্টিভঙ্গি

বদলিয়ে ইতিবাচক হিসেবে দেখুন ব্যর্থতাকে।“ডুবে যাওয়া বা বীজ বোনা—দুটোই কিন্তু মাটি বা পানির নিচে হচ্ছে।কিন্তু দুই ক্ষেত্রে দুই রকম মানে হয়,

একটায় অত্যন্ত নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পায়। অন্যটায় ইতিবাচক একটা মনোভাব বোঝা যায়, যা আপনার চিন্তা প্রক্রিয়ায় ছাপ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here